
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, ইউক্রেনের নেতৃত্ব দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার মার্কিন সাংবাদিক টাকার কার্লসনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইউক্রেনের নেতৃত্ব প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে।
ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম দ্য কিয়েভ ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারে কার্লসন রাশিয়ার প্রচারিত এক বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে বলেন, মস্কো মনে করে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ‘নির্বাচিত নন’ এবং সে কারণে তিনি ‘কোনো ধরনের চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারেন না।’
কার্লসন উইটকফকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনার কি মনে হয়, ইউক্রেনে নির্বাচন হবে?’ উত্তরে উইটকফ বলেন, ‘হ্যাঁ, নির্বাচন হবে। তারা এতে সম্মত হয়েছে। ইউক্রেনে নির্বাচন হবে।’ তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
কয়েক বছর ধরে ক্রেমলিন ইউক্রেনকে দুর্বল করার কৌশল হিসেবে জেলেনস্কিকে অবৈধ প্রমাণের চেষ্টা করছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত, তবে তাঁর বৈধতা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে।
রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইউক্রেন কোনো নির্বাচন আয়োজন করেনি, কারণ সামরিক আইন জারির পর নির্বাচন নিষিদ্ধ। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে রাশিয়ার আক্রমণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইউক্রেন এই সামরিক আইন ঘোষণা করে। দেশটির আইন অনুযায়ী নির্বাচন হতে হলে তা নিরাপদ, অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন হতে হবে—যা বর্তমান পরিস্থিতিতে অসম্ভব, কারণ রাশিয়া এখনো ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
উইটকফ আরও বলেন, তিনি নিশ্চিত যে, রাশিয়া ইউরোপে হামলা চালাবে না। তিনি পুরো মহাদেশজুড়ে রাশিয়ার আগ্রাসন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ইঙ্গিত করে উইটকফ বললেন, ‘তাঁকে বুঝতে হবে যে, সে ক্রমশ পিষ্ট হতে থাকবে। এখন তাঁর জন্য চুক্তি করার সেরা সময়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁকে সেরা সম্ভাব্য চুক্তিটি করে দিতে পারেন।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংঘাত সমাধানের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা না থাকলে যেকোনো সাহায্য ‘টেকসই’ হবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা চিরকাল টাকা দিয়ে যেতে পারি না।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এ মাসের শুরুতে জানায়, ট্রাম্পের দলের সদস্যরা জেলেনস্কির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, সাবেক প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোশেঙ্কো এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া তিমোশেঙ্কোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। দুই রাজনীতিবিদ ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার কথা স্বীকার করেছেন, তবে রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন আয়োজনের বিরোধিতা করেছেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, ইউক্রেনের নেতৃত্ব দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার মার্কিন সাংবাদিক টাকার কার্লসনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ইউক্রেনের নেতৃত্ব প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে।
ইউক্রেনের সংবাদমাধ্যম দ্য কিয়েভ ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষাৎকারে কার্লসন রাশিয়ার প্রচারিত এক বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে বলেন, মস্কো মনে করে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ‘নির্বাচিত নন’ এবং সে কারণে তিনি ‘কোনো ধরনের চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারেন না।’
কার্লসন উইটকফকে প্রশ্ন করেন, ‘আপনার কি মনে হয়, ইউক্রেনে নির্বাচন হবে?’ উত্তরে উইটকফ বলেন, ‘হ্যাঁ, নির্বাচন হবে। তারা এতে সম্মত হয়েছে। ইউক্রেনে নির্বাচন হবে।’ তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।
কয়েক বছর ধরে ক্রেমলিন ইউক্রেনকে দুর্বল করার কৌশল হিসেবে জেলেনস্কিকে অবৈধ প্রমাণের চেষ্টা করছে। ১৮ ফেব্রুয়ারি ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত, তবে তাঁর বৈধতা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে।
রাশিয়ার আগ্রাসন শুরুর পর থেকে ইউক্রেন কোনো নির্বাচন আয়োজন করেনি, কারণ সামরিক আইন জারির পর নির্বাচন নিষিদ্ধ। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে রাশিয়ার আক্রমণের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইউক্রেন এই সামরিক আইন ঘোষণা করে। দেশটির আইন অনুযায়ী নির্বাচন হতে হলে তা নিরাপদ, অবাধ ও নিরবচ্ছিন্ন হতে হবে—যা বর্তমান পরিস্থিতিতে অসম্ভব, কারণ রাশিয়া এখনো ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগুলোতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
উইটকফ আরও বলেন, তিনি নিশ্চিত যে, রাশিয়া ইউরোপে হামলা চালাবে না। তিনি পুরো মহাদেশজুড়ে রাশিয়ার আগ্রাসন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ইঙ্গিত করে উইটকফ বললেন, ‘তাঁকে বুঝতে হবে যে, সে ক্রমশ পিষ্ট হতে থাকবে। এখন তাঁর জন্য চুক্তি করার সেরা সময়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁকে সেরা সম্ভাব্য চুক্তিটি করে দিতে পারেন।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংঘাত সমাধানের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা না থাকলে যেকোনো সাহায্য ‘টেকসই’ হবে না। তিনি বলেন, ‘আমরা চিরকাল টাকা দিয়ে যেতে পারি না।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এ মাসের শুরুতে জানায়, ট্রাম্পের দলের সদস্যরা জেলেনস্কির রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, সাবেক প্রেসিডেন্ট পেত্রো পোরোশেঙ্কো এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইউলিয়া তিমোশেঙ্কোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। দুই রাজনীতিবিদ ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার কথা স্বীকার করেছেন, তবে রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন আয়োজনের বিরোধিতা করেছেন।

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৫ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৭ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৮ ঘণ্টা আগে