আজকের পত্রিকা ডেস্ক

সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির বেসরকারি খাতে কর্মরত হাজার হাজার প্রবাসী কর্মী, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার বিপণন পেশাদাররা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রথম পর্যায়: বিপণন ও সৃজনশীল পেশার আমূল পরিবর্তন
মন্ত্রণালয়ের প্রথম সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তিন বা তার বেশি কর্মী কর্মরত আছেন, তাদের বিপণন ও বিজ্ঞাপন সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে অবশ্যই ৬০ শতাংশ স্থানীয়করণ বা ‘সৌদিকরণ’ নিশ্চিত করতে হবে। এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত প্রধান পেশাগুলো হলো:
নেতৃত্বদানকারী পদ: মার্কেটিং ও অ্যাডভারটাইজিং ম্যানেজার (বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক)।
বিশেষজ্ঞ পদ: বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি, মার্কেটিং স্পেশালিস্ট (বিপণন বিশেষজ্ঞ) এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা।
সৃজনশীল পদ: গ্রাফিক ও অ্যাডভারটাইজিং ডিজাইনার এবং পেশাদার ফটোগ্রাফার।
এই নিয়ম কার্যকর করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, এই পদগুলোতে কর্মরত সৌদি নাগরিকদের জন্য সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ৫ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের এই পেশার প্রতি আকৃষ্ট করতে এই বেতন কাঠামো বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় পর্যায়: বিক্রয় ও বাণিজ্যিক খাতে কড়াকড়ি
মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় সিদ্ধান্তটি মূলত বিক্রয় বা সেলস সংক্রান্ত পেশাগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। এখানেও বেসরকারি খাতের জন্য ৬০ শতাংশ স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নিয়মটি নিচে উল্লেখিত পেশার জন্য প্রযোজ্য হবে:
সেলস ম্যানেজার (বিক্রয় ব্যবস্থাপক)।
খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় প্রতিনিধি।
আইটি এবং টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম বিক্রয় বিশেষজ্ঞ।
কমার্শিয়াল স্পেশালিস্ট বা বাণিজ্যিক বিশেষজ্ঞ।
বিপণন খাতের মতো এই নিয়মটিও তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ড বা বিশেষ সময়সীমা শেষ হওয়ার পর থেকে কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’-এর মূল লক্ষ্য হলো খনিজ তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি করা। মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শ্রমবাজারকে স্থানীয়দের জন্য আরও প্রতিযোগিতামূলক ও আকর্ষণীয় করে তোলা হবে।
তবে এই কঠোর সৌদিকরণ নীতির ফলে প্রবাসী কর্মীদের বড় একটি অংশ কর্মহীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকে যাওয়া অনেক দক্ষ বিপণন কর্মী এবং বিক্রয় প্রতিনিধি যারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদির বেসরকারি খাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদের কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়ে আসবে। অনেক কোম্পানি এখন বাধ্য হয়েই প্রবাসী কর্মীদের পরিবর্তে স্থানীয় সৌদি নাগরিকদের নিয়োগ দিচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দক্ষ ও শিক্ষিত সৌদি নাগরিকদের জন্য শুধু চাকরিই নিশ্চিত হবে না, বরং তাদের চাকরির স্থায়িত্ব ও গুণগত মানও বৃদ্ধি পাবে। শ্রমবাজারের মানোন্নয়ন এবং স্থানীয় জনশক্তিকে আধুনিক অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করাই এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য।
তথ্য সূত্র: গালফ নিউজ

সৌদি আরবের শ্রমবাজারে স্থানীয় নাগরিকদের অংশীদারত্ব বাড়াতে এবং বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। দেশটির মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় বিপণন ও বিক্রয় সংক্রান্ত ১৮টি বিশেষ পেশায় এখন থেকে অন্তত ৬০ শতাংশ সৌদি নাগরিক নিয়োগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশটির বেসরকারি খাতে কর্মরত হাজার হাজার প্রবাসী কর্মী, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার বিপণন পেশাদাররা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রথম পর্যায়: বিপণন ও সৃজনশীল পেশার আমূল পরিবর্তন
মন্ত্রণালয়ের প্রথম সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, যেসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তিন বা তার বেশি কর্মী কর্মরত আছেন, তাদের বিপণন ও বিজ্ঞাপন সংশ্লিষ্ট পদগুলোতে অবশ্যই ৬০ শতাংশ স্থানীয়করণ বা ‘সৌদিকরণ’ নিশ্চিত করতে হবে। এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত প্রধান পেশাগুলো হলো:
নেতৃত্বদানকারী পদ: মার্কেটিং ও অ্যাডভারটাইজিং ম্যানেজার (বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপক)।
বিশেষজ্ঞ পদ: বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি, মার্কেটিং স্পেশালিস্ট (বিপণন বিশেষজ্ঞ) এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা।
সৃজনশীল পদ: গ্রাফিক ও অ্যাডভারটাইজিং ডিজাইনার এবং পেশাদার ফটোগ্রাফার।
এই নিয়ম কার্যকর করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, এই পদগুলোতে কর্মরত সৌদি নাগরিকদের জন্য সর্বনিম্ন মাসিক বেতন ৫ হাজার ৫০০ সৌদি রিয়াল নির্ধারণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের এই পেশার প্রতি আকৃষ্ট করতে এই বেতন কাঠামো বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দ্বিতীয় পর্যায়: বিক্রয় ও বাণিজ্যিক খাতে কড়াকড়ি
মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় সিদ্ধান্তটি মূলত বিক্রয় বা সেলস সংক্রান্ত পেশাগুলোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। এখানেও বেসরকারি খাতের জন্য ৬০ শতাংশ স্থানীয়করণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই নিয়মটি নিচে উল্লেখিত পেশার জন্য প্রযোজ্য হবে:
সেলস ম্যানেজার (বিক্রয় ব্যবস্থাপক)।
খুচরা ও পাইকারি বিক্রয় প্রতিনিধি।
আইটি এবং টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম বিক্রয় বিশেষজ্ঞ।
কমার্শিয়াল স্পেশালিস্ট বা বাণিজ্যিক বিশেষজ্ঞ।
বিপণন খাতের মতো এই নিয়মটিও তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ড বা বিশেষ সময়সীমা শেষ হওয়ার পর থেকে কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’-এর মূল লক্ষ্য হলো খনিজ তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান তৈরি করা। মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে শ্রমবাজারকে স্থানীয়দের জন্য আরও প্রতিযোগিতামূলক ও আকর্ষণীয় করে তোলা হবে।
তবে এই কঠোর সৌদিকরণ নীতির ফলে প্রবাসী কর্মীদের বড় একটি অংশ কর্মহীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান থেকে যাওয়া অনেক দক্ষ বিপণন কর্মী এবং বিক্রয় প্রতিনিধি যারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদির বেসরকারি খাতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাঁদের কর্মসংস্থান সংকুচিত হয়ে আসবে। অনেক কোম্পানি এখন বাধ্য হয়েই প্রবাসী কর্মীদের পরিবর্তে স্থানীয় সৌদি নাগরিকদের নিয়োগ দিচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দক্ষ ও শিক্ষিত সৌদি নাগরিকদের জন্য শুধু চাকরিই নিশ্চিত হবে না, বরং তাদের চাকরির স্থায়িত্ব ও গুণগত মানও বৃদ্ধি পাবে। শ্রমবাজারের মানোন্নয়ন এবং স্থানীয় জনশক্তিকে আধুনিক অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করাই এই প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য।
তথ্য সূত্র: গালফ নিউজ

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইয়েমেনের বন্দরনগরী মুকাল্লার কাছে এক বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরক মজুত করেছে এবং সেখানে একটি গোপন ভূগর্ভস্থ বন্দিশালা পরিচালনা করছে, এমন অভিযোগ করেছেন ইয়েমেন সরকারের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
১ ঘণ্টা আগে
ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনাকে ‘চরম বোকামি’ এবং ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিশাল হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প এমন বার্তা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবির বিরোধিতা করলে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের যে হুমকি তিনি দিয়েছেন, তা তিনি ‘শতভাগ’ বাস্তবায়ন করবেন। গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের পক্ষে ইউরোপীয় মিত্ররা একযোগে অবস্থান নিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের একটি যৌথ সামরিক কমান্ড নর্থ আমেরিকান অ্যারোস্পেস ডিফেন্স কমান্ড (নোরাড) জানিয়েছে, শিগগির তাদের বিমান যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনল্যান্ডে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছাবে। গতকাল সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, এসব কার্যক্রম আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল।
৫ ঘণ্টা আগে