Ajker Patrika

নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৮, শতাধিক ভারতীয়সহ নিখোঁজ এখনো ৫৭৯

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২৬, ২১: ৫৪
নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৮, শতাধিক ভারতীয়সহ নিখোঁজ এখনো ৫৭৯
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। পরবর্তীতে ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকেই এই ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছবি: এএফপি

নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী ভোতে কোশি নদীতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন প্রায় ৫৭৯ জন। এদের মধ্যে ১১৩ জন নেপালি ও ১৩৩ জন ভারতীয় নাগরিকসহ ২৮ দেশের নাগরিক আছেন। নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

আজ বুধবার ভোরের দিকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উত্তরাঞ্চলীয় রসুয়া জেলায় এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নেপাল পর্যটন বোর্ড জানায়, এলাকায় ভ্রমণরত পর্যটক ও স্থানীয়দের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।

পর্যটন বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের তালিকায় রয়েছেন ১৩৩ জন ভারতীয়, ৩৭ জন প্রবাসী ভারতীয় (এনআরআই), ১৭ জন মালয়েশিয়ান, ৩৩ জন ব্রিটিশ, ৪ জন দক্ষিণ আফ্রিকান, ৫৪ জন আমেরিকান, ১ জন অস্ট্রেলিয়ান, ১ জন ডাচ নাগরিক এবং আরও ১১১ জন অন্যান্য দেশের নাগরিক, যাদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। এরা সবাই পর্যটক হিসেবে নেপালে অবস্থান করছিলেন।

বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটে ওই এলাকায় একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। পরবর্তী সময়ে ভূকম্পনের ফলে সৃষ্ট হিমবাহ ধস থেকেই এই ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলের উৎপত্তি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, এই ঘটনায় নেপালের পাশাপাশি সংলগ্ন চীন অংশেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং উভয় দেশ যৌথভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করছে। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে নেপালের ২৬ জন পুলিশ সদস্য, ৯ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য এবং ৪৪ জন সেনাসদস্য নিখোঁজ রয়েছেন। এ ছাড়া স্থানীয় কাস্টমস ও ইমিগ্রেশনের একাধিক কর্মকর্তাও নিখোঁজ রয়েছেন।

পাহাড়ি ঢলে রসুয়া ও নুয়াকোট জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংস হয়ে গেছে অবকাঠামো, সড়ক যোগাযোগ, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং টেলিযোগাযোগব্যবস্থা। উদ্ধার অভিযান ত্বরান্বিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত