
দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর আমেরিকার পথে যাত্রা শুরু করেছিলেন ১০৪ ভারতীয়। প্রথমে তাদের নিয়ে যাওয়া হলো দক্ষিণ আমেরিকায়, নৌকায় পার হতে হলো উত্তাল সমুদ্র, বিপজ্জনক ভূখণ্ডে দুর্গম পর্বত হেঁটে পার হওয়া, তারপর অবৈধ অভিবাসী হিসেবে মার্কিন—মেক্সিকো সীমান্তে অন্ধকার কারাগারে বন্দী হওয়া এবং শেষ পর্যন্ত ভারতে ফিরে আসা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে এই কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হয়ে গেল আমেরিকায় উন্নত জীবনের স্বপ্ন।
এমনই একজন ভাগ্যাহত পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুর জেলার তাহলি গ্রামের বাসিন্দা হরবিন্দর সিং। তিনি বলেন, এক এজেন্ট তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের ভিসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ৪২ লাখ রুপি দিয়েছিলেন তাঁকে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জানানো হয় যে ভিসাটি মঞ্জুর হয়নি। এরপর তাঁকে দিল্লি থেকে একের পর এক ফ্লাইটে কাতার ও পরে ব্রাজিল পাঠানো হয়।
হরবিন্দর বলেন, “ব্রাজিলে আমাকে বলা হয়, আমি পেরু থেকে ফ্লাইট ধরতে পারব, কিন্তু তেমন কোনো ফ্লাইট ছিল না। এরপর ট্যাক্সিতে আমাদের আরও এগিয়ে কলম্বিয়া নিয়ে যাওয়া হয়, তারপর পানামার সীমান্তে পৌঁছাই। সেখানে আমাকে বলা হয়, একটি জাহাজে করে নিয়ে যাওয়া হবে, কিন্তু কোনো জাহাজও ছিল না। তখন দুই দিন ধরে আমাদের ‘ডানকি রুট’ (অবৈধ অভিবাসনের বিপজ্জনক পথ) পার হতে হয়।”
হরবিন্দর আরও জানান, দীর্ঘ সময় পাহাড়ি পথ ধরে হেঁটে যাওয়ার পর মেক্সিকো সীমান্তের উদ্দেশে তাদের একটি ছোট নৌকায় করে গভীর সমুদ্রে পাঠানো হয়। চার ঘণ্টার সেই সমুদ্রযাত্রায় নৌকাটি উল্টে গিয়ে তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়। আরেকজন পানামার জঙ্গলে প্রাণ হারান। পুরো যাত্রাপথে তাঁরা সামান্য পরিমাণ ভাত খেয়ে কোনোরকমে বেঁচে ছিলেন।
দরাপুর গ্রামের সুখপাল সিংও একই ধরনের ভয়ানক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন। ১৫ ঘণ্টা সমুদ্রপথে যাত্রা করেন তিনি। এরপর ৪০—৪৫ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ হেঁটে পাড়ি দেন, যেখানে গভীর ও বিপজ্জনক উপত্যকা ছিল। সুখপাল বলেন, ‘যদি কেউ আহত হতো, তাকে ফেলে রেখে চলে যেত বাকিরা। আমরা পথে অনেক মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি।’
তবে এই কষ্টের যাত্রা শেষে কোনো সুখ কপালে জুটল না তাদের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টাকালে মেক্সিকোতে গ্রেপ্তার হন সুখপাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের ১৪ দিন অন্ধকার একটি কারাগারে রাখা হয়েছিল, যেখানে সূর্যের আলো পর্যন্ত আসত না। হাজার হাজার পাঞ্জাবি যুবক, পরিবার ও শিশুরা এমন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে।’
অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়া চেষ্টা না করতে সবাইকে অনুরোধ করেন জলন্ধর জেলার এই তরুণ।
গতকাল বুধবার ১০৪ অবৈধ ভারতীয় অভিবাসী নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমান অমৃতসর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী ফেরত পাঠানো কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভারতে পাঠানো প্রথম বড় দল।
ফেরত আসাদের মধ্যে ৩৩ জন ছিলেন হরিয়ানা ও গুজরাট থেকে, ৩০ জন পাঞ্জাব থেকে, মহারাষ্ট্র ও উত্তর প্রদেশ থেকে ৩ জন করে এবং চণ্ডীগড় থেকে ২ জন। এর মধ্যে ১৯ জন নারী ও ১৩ জন নাবালক ছিলেন, যার মধ্যে একটি চার বছরের ছেলে ও পাঁচ ও সাত বছরের দুই কন্যাশিশুও রয়েছে।
জসপাল সিং নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, পুরো ফ্লাইটে তাঁদের হাত ও পা শিকল দিয়ে বাঁধা ছিল। অমৃতসর বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাদের মুক্ত করা হয়।
তিনি জানান, এক ট্রাভেল এজেন্ট তাঁকে বৈধ উপায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাঁর থেকে ৩০ লাখ রুপি নিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে ব্রাজিলে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি ছয় মাস ছিলেন। পরে গত ২৪ জানুয়ারি মার্কিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনী তাঁকে আটক করে।
গুজরাটের মেহসানা জেলার চন্দ্রনগর-দাভলা গ্রামের বাসিন্দা কানুভাই প্যাটেলের মেয়ে এই ফেরত আসাদের মধ্যে ছিলেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর মেয়ে এক মাস আগে বন্ধুদের সঙ্গে ইউরোপে ছুটিতে গিয়েছিলেন। কানুভাই বলেন, ‘আমি জানি না ইউরোপ পৌঁছানোর পর সে কী পরিকল্পনা করেছিল। শেষবার আমরা গত ১৪ জানুয়ারি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পেরেছিলাম। কীভাবে সে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাল, তা আমাদের জানা নেই।’
পাঞ্জাবের অবৈধ অভিবাসীদের পরিবারের সদস্যরা জানান, আমেরিকায় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়ে তাদের সন্তানদের পাঠিয়েছিলেন। এখন এই চরম আর্থিক সংকট তাঁদের দুর্দশা বাড়িয়ে দিচ্ছে। দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
হরবিন্দর সিংয়ের স্ত্রী কুলজিন্দর কউর বলেন, ‘আমরা আমাদের যা কিছু ছিল, সব বিক্রি করেছি এবং চড়া সুদে ঋণ নিয়েছি এজেন্টকে টাকা দেওয়ার জন্য, ভালো ভবিষ্যতের আশায়। কিন্তু সে (এজেন্ট) আমাদের প্রতারণা করেছে। এখন শুধু আমার স্বামীই ফেরত আসেনি, আমাদের কাঁধে বিশাল ঋণের বোঝাও চেপে বসেছে।’
কাপুরথলার বহবাল বাহাদুর গ্রামের গুরপ্রীত সিংয়ের পরিবার তাঁকে বিদেশ পাঠাতে বাড়ি বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিল। অন্যদিকে, ফতেগড় সাহিবের জসবিন্দর সিংয়ের পরিবার তাঁকে বিদেশ পাঠাতে ৫০ লাখ রুপি খরচ করেছিল, আর এখন তাদের চড়া সুদে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
পাঞ্জাবের জলন্ধর, হোশিয়ারপুর, কাপুরথলা ও নওয়ানশহর জেলা—‘এনআরআই বেল্ট’ নামে পরিচিত। এই এলাকাগুলো থেকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ বিদেশে অভিবাসনের চেষ্টা করেন।

দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর আমেরিকার পথে যাত্রা শুরু করেছিলেন ১০৪ ভারতীয়। প্রথমে তাদের নিয়ে যাওয়া হলো দক্ষিণ আমেরিকায়, নৌকায় পার হতে হলো উত্তাল সমুদ্র, বিপজ্জনক ভূখণ্ডে দুর্গম পর্বত হেঁটে পার হওয়া, তারপর অবৈধ অভিবাসী হিসেবে মার্কিন—মেক্সিকো সীমান্তে অন্ধকার কারাগারে বন্দী হওয়া এবং শেষ পর্যন্ত ভারতে ফিরে আসা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে এই কঠিন বাস্তবতার সম্মুখীন হয়ে গেল আমেরিকায় উন্নত জীবনের স্বপ্ন।
এমনই একজন ভাগ্যাহত পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুর জেলার তাহলি গ্রামের বাসিন্দা হরবিন্দর সিং। তিনি বলেন, এক এজেন্ট তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থানের ভিসার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ৪২ লাখ রুপি দিয়েছিলেন তাঁকে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে জানানো হয় যে ভিসাটি মঞ্জুর হয়নি। এরপর তাঁকে দিল্লি থেকে একের পর এক ফ্লাইটে কাতার ও পরে ব্রাজিল পাঠানো হয়।
হরবিন্দর বলেন, “ব্রাজিলে আমাকে বলা হয়, আমি পেরু থেকে ফ্লাইট ধরতে পারব, কিন্তু তেমন কোনো ফ্লাইট ছিল না। এরপর ট্যাক্সিতে আমাদের আরও এগিয়ে কলম্বিয়া নিয়ে যাওয়া হয়, তারপর পানামার সীমান্তে পৌঁছাই। সেখানে আমাকে বলা হয়, একটি জাহাজে করে নিয়ে যাওয়া হবে, কিন্তু কোনো জাহাজও ছিল না। তখন দুই দিন ধরে আমাদের ‘ডানকি রুট’ (অবৈধ অভিবাসনের বিপজ্জনক পথ) পার হতে হয়।”
হরবিন্দর আরও জানান, দীর্ঘ সময় পাহাড়ি পথ ধরে হেঁটে যাওয়ার পর মেক্সিকো সীমান্তের উদ্দেশে তাদের একটি ছোট নৌকায় করে গভীর সমুদ্রে পাঠানো হয়। চার ঘণ্টার সেই সমুদ্রযাত্রায় নৌকাটি উল্টে গিয়ে তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়। আরেকজন পানামার জঙ্গলে প্রাণ হারান। পুরো যাত্রাপথে তাঁরা সামান্য পরিমাণ ভাত খেয়ে কোনোরকমে বেঁচে ছিলেন।
দরাপুর গ্রামের সুখপাল সিংও একই ধরনের ভয়ানক অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন। ১৫ ঘণ্টা সমুদ্রপথে যাত্রা করেন তিনি। এরপর ৪০—৪৫ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ হেঁটে পাড়ি দেন, যেখানে গভীর ও বিপজ্জনক উপত্যকা ছিল। সুখপাল বলেন, ‘যদি কেউ আহত হতো, তাকে ফেলে রেখে চলে যেত বাকিরা। আমরা পথে অনেক মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি।’
তবে এই কষ্টের যাত্রা শেষে কোনো সুখ কপালে জুটল না তাদের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টাকালে মেক্সিকোতে গ্রেপ্তার হন সুখপাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের ১৪ দিন অন্ধকার একটি কারাগারে রাখা হয়েছিল, যেখানে সূর্যের আলো পর্যন্ত আসত না। হাজার হাজার পাঞ্জাবি যুবক, পরিবার ও শিশুরা এমন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে।’
অবৈধ পথে বিদেশ যাওয়া চেষ্টা না করতে সবাইকে অনুরোধ করেন জলন্ধর জেলার এই তরুণ।
গতকাল বুধবার ১০৪ অবৈধ ভারতীয় অভিবাসী নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমান অমৃতসর বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী ফেরত পাঠানো কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভারতে পাঠানো প্রথম বড় দল।
ফেরত আসাদের মধ্যে ৩৩ জন ছিলেন হরিয়ানা ও গুজরাট থেকে, ৩০ জন পাঞ্জাব থেকে, মহারাষ্ট্র ও উত্তর প্রদেশ থেকে ৩ জন করে এবং চণ্ডীগড় থেকে ২ জন। এর মধ্যে ১৯ জন নারী ও ১৩ জন নাবালক ছিলেন, যার মধ্যে একটি চার বছরের ছেলে ও পাঁচ ও সাত বছরের দুই কন্যাশিশুও রয়েছে।
জসপাল সিং নামের এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, পুরো ফ্লাইটে তাঁদের হাত ও পা শিকল দিয়ে বাঁধা ছিল। অমৃতসর বিমানবন্দরে অবতরণের পর তাদের মুক্ত করা হয়।
তিনি জানান, এক ট্রাভেল এজেন্ট তাঁকে বৈধ উপায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে তাঁর থেকে ৩০ লাখ রুপি নিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে ব্রাজিলে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি ছয় মাস ছিলেন। পরে গত ২৪ জানুয়ারি মার্কিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনী তাঁকে আটক করে।
গুজরাটের মেহসানা জেলার চন্দ্রনগর-দাভলা গ্রামের বাসিন্দা কানুভাই প্যাটেলের মেয়ে এই ফেরত আসাদের মধ্যে ছিলেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর মেয়ে এক মাস আগে বন্ধুদের সঙ্গে ইউরোপে ছুটিতে গিয়েছিলেন। কানুভাই বলেন, ‘আমি জানি না ইউরোপ পৌঁছানোর পর সে কী পরিকল্পনা করেছিল। শেষবার আমরা গত ১৪ জানুয়ারি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পেরেছিলাম। কীভাবে সে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাল, তা আমাদের জানা নেই।’
পাঞ্জাবের অবৈধ অভিবাসীদের পরিবারের সদস্যরা জানান, আমেরিকায় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় বিশাল অঙ্কের ঋণ নিয়ে তাদের সন্তানদের পাঠিয়েছিলেন। এখন এই চরম আর্থিক সংকট তাঁদের দুর্দশা বাড়িয়ে দিচ্ছে। দালালদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।
হরবিন্দর সিংয়ের স্ত্রী কুলজিন্দর কউর বলেন, ‘আমরা আমাদের যা কিছু ছিল, সব বিক্রি করেছি এবং চড়া সুদে ঋণ নিয়েছি এজেন্টকে টাকা দেওয়ার জন্য, ভালো ভবিষ্যতের আশায়। কিন্তু সে (এজেন্ট) আমাদের প্রতারণা করেছে। এখন শুধু আমার স্বামীই ফেরত আসেনি, আমাদের কাঁধে বিশাল ঋণের বোঝাও চেপে বসেছে।’
কাপুরথলার বহবাল বাহাদুর গ্রামের গুরপ্রীত সিংয়ের পরিবার তাঁকে বিদেশ পাঠাতে বাড়ি বন্ধক রেখে ঋণ নিয়েছিল। অন্যদিকে, ফতেগড় সাহিবের জসবিন্দর সিংয়ের পরিবার তাঁকে বিদেশ পাঠাতে ৫০ লাখ রুপি খরচ করেছিল, আর এখন তাদের চড়া সুদে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হবে।
পাঞ্জাবের জলন্ধর, হোশিয়ারপুর, কাপুরথলা ও নওয়ানশহর জেলা—‘এনআরআই বেল্ট’ নামে পরিচিত। এই এলাকাগুলো থেকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ বিদেশে অভিবাসনের চেষ্টা করেন।

মুসলিম ব্রাদারহুডের মিসর ও জর্ডান শাখাকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে এবং লেবাননের শাখাকে আরও কঠোর শ্রেণি ভুক্তি অনুযায়ী ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত ঘোষণা দেয় মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করতে পারে—এমন ঘোষণা দিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমন ও মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটির জনগণের প্রতি বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার সরাসরি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ইরানিদের নিজ নিজ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখল করে নেওয়ার কথা বলেন এবং বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণাত্মক বক্তব্যের এক নতুন নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি গবেষণা সংস্থা। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব অর্গানাইজড হেট’ পরিচালিত ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ (আইএইচএল) এর এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—গত বছর জুড়ে ভারতে মুসলিম
৪ ঘণ্টা আগে