
সামরিক শক্তির বিচারে চলতি বছর কোন দেশ কী অবস্থানে আছে—তা নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার। দেশে দেশে সামরিক শক্তির সক্ষমতা নিয়ে ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছরই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার-এর চলতি বছরের প্রতিবেদন বলছে, অতীত বছরগুলোর মতো এ বছরও সামরিক শক্তিতে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্র। তার পরেই দ্বিতীয় স্থানটিতে আছে রাশিয়া। আর চীন রয়েছে তৃতীয় স্থানে এবং ভারত চতুর্থ। এভাবে শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে থাকা বাকি দেশগুলো হলো—দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য, জাপান, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইতালি। তালিকাটির ৩৭ নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
২০২৪ সালে মোট ১৪৫টি দেশের মধ্যে সামরিক সক্ষমতার বিচার করেছে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার। এটি করা হয় মূলত দেশগুলোর সৈন্য সংখ্যা, সামরিক সরঞ্জাম, আর্থিক স্থিতিশীলতা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং অর্জিত সম্পদ সহ অন্তত ৬০টি দিক বিবেচনা করে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো যৌথভাবে শক্তির সূচকে স্কোর নির্ধারণ করে। এই সূচকে যে দেশের স্কোর যত কম হয়, তার শক্তিমত্তা তত বেশি হয়। শক্তি সূচকে (পাওয়ার ইনডেক্স) ৩৭ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের পয়েন্ট হলো—০.৫৪১৯। এ ক্ষেত্রে শীর্ষ অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের পয়েন্ট হলো—০.০৬৯৯। শক্তিসূচকে ০.০০০০ হলেই কেবল কোনো দেশকে নিখুঁত সামরিক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তালিকাটিতে সবার নিচে অর্থাৎ ১৪৫ তম অবস্থানে ভুটানকে রাখা হয়েছে।
চলতি বছরের তালিকা প্রকাশ করে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার বলেছে, ‘আমাদের অনন্য অভ্যন্তরীণ সূত্রটি ছোট, প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশগুলোকে বড় ও স্বল্প-উন্নত শক্তিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ দেয়।’
এই বহুমুখী পদ্ধতির লক্ষ্য হলো—গোলাবারুদের বাইরে সামরিক সক্ষমতার আরও সম্পূর্ণ একটি চিত্র তৈরি করা। অর্থনৈতিক শক্তি, যোগাযোগ দক্ষতা এবং এমনকি ভূগোলের ওপর ভিত্তি করে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার বিশ্বব্যাপী সামরিক অবস্থানগুলোকে আরও সূক্ষ্মভাবে বোঝার আশা করে।
সামরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের বিষয়টি অনেক জটিল এবং বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। তবে ফায়ারপাওয়ারের প্রকাশিত তালিকাটি বৈশ্বিক সামরিক শক্তির একটি প্রাথমিক ধারণা দিতে সক্ষম।

সামরিক শক্তির বিচারে চলতি বছর কোন দেশ কী অবস্থানে আছে—তা নিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার। দেশে দেশে সামরিক শক্তির সক্ষমতা নিয়ে ২০০৬ সাল থেকে প্রতি বছরই প্রতিবেদন প্রকাশ করে আসছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার-এর চলতি বছরের প্রতিবেদন বলছে, অতীত বছরগুলোর মতো এ বছরও সামরিক শক্তিতে শীর্ষস্থানে অবস্থান করছে যুক্তরাষ্ট্র। তার পরেই দ্বিতীয় স্থানটিতে আছে রাশিয়া। আর চীন রয়েছে তৃতীয় স্থানে এবং ভারত চতুর্থ। এভাবে শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে থাকা বাকি দেশগুলো হলো—দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য, জাপান, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইতালি। তালিকাটির ৩৭ নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ।
২০২৪ সালে মোট ১৪৫টি দেশের মধ্যে সামরিক সক্ষমতার বিচার করেছে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার। এটি করা হয় মূলত দেশগুলোর সৈন্য সংখ্যা, সামরিক সরঞ্জাম, আর্থিক স্থিতিশীলতা, ভৌগোলিক অবস্থান এবং অর্জিত সম্পদ সহ অন্তত ৬০টি দিক বিবেচনা করে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো যৌথভাবে শক্তির সূচকে স্কোর নির্ধারণ করে। এই সূচকে যে দেশের স্কোর যত কম হয়, তার শক্তিমত্তা তত বেশি হয়। শক্তি সূচকে (পাওয়ার ইনডেক্স) ৩৭ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের পয়েন্ট হলো—০.৫৪১৯। এ ক্ষেত্রে শীর্ষ অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের পয়েন্ট হলো—০.০৬৯৯। শক্তিসূচকে ০.০০০০ হলেই কেবল কোনো দেশকে নিখুঁত সামরিক শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তালিকাটিতে সবার নিচে অর্থাৎ ১৪৫ তম অবস্থানে ভুটানকে রাখা হয়েছে।
চলতি বছরের তালিকা প্রকাশ করে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার বলেছে, ‘আমাদের অনন্য অভ্যন্তরীণ সূত্রটি ছোট, প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশগুলোকে বড় ও স্বল্প-উন্নত শক্তিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার সুযোগ দেয়।’
এই বহুমুখী পদ্ধতির লক্ষ্য হলো—গোলাবারুদের বাইরে সামরিক সক্ষমতার আরও সম্পূর্ণ একটি চিত্র তৈরি করা। অর্থনৈতিক শক্তি, যোগাযোগ দক্ষতা এবং এমনকি ভূগোলের ওপর ভিত্তি করে গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার বিশ্বব্যাপী সামরিক অবস্থানগুলোকে আরও সূক্ষ্মভাবে বোঝার আশা করে।
সামরিক সক্ষমতা যাচাইয়ের বিষয়টি অনেক জটিল এবং বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। তবে ফায়ারপাওয়ারের প্রকাশিত তালিকাটি বৈশ্বিক সামরিক শক্তির একটি প্রাথমিক ধারণা দিতে সক্ষম।

ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা নিয়ে আবারও আগ্রাসী অবস্থান নেওয়ায়, এক ডেনিশ আইনপ্রণেতা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের প্রতি নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করে ভাইরাল হয়েছেন। ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনসভা ইউরোপীয় পার্লামেন্টে সাম্প্রতিক এক বিতর্কে পার্লামেন্ট সদস্য আন্দার্স ভিস্তিসেন সরাসরি ট্রাম্পকে উদ্দেশ
৩ মিনিট আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার হুমকি আরও জোরালো করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পথ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পিছু হটার সুযোগ নেই’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
২ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) সদর দপ্তর গতকাল মঙ্গলবার ভেঙে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের নেতৃত্বে স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ৭টায় ইসরায়েলি বাহিনী ওই কম্পাউন্ডে অভিযান চালায়। অভিযান শেষে মূল ভবনের ওপর
৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনসহ খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও সিলেটে দেশটির সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। এসব মিশন থেকেই কূটনীতিক ও অন্য কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের ফিরিয়ে নিচ্ছে ভারত। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কূটনীতিকদের জন্য বাংলাদেশকে ‘নন-ফ্যামিলি’ পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নয়াদিল্লি।
৩ ঘণ্টা আগে