কলকাতা প্রতিনিধি

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে একসময় অদম্য জনপ্রিয়তার প্রতীক ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টানা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জনগণের বড় অংশ তাঁর পাশে থেকেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই আস্থা স্পষ্টভাবে ক্ষয় হতে শুরু করেছে। ভারতের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের বার্ষিক ‘মুড অব দ্য নেশন’ (এমওটিএন) সমীক্ষায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ কিছু তথ্য।
সমীক্ষাটি পরিচালনা করেছে সি-ভোটার নামে একটি সংস্থা। গত জুলাইয়ের ১ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশের প্রতিটি লোকসভা আসন থেকে ৫৪ হাজার ৭৮৮ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এর সঙ্গে আরও দেড় লক্ষাধিক অতিরিক্ত সাক্ষাৎকার যোগ করে মোট ২ লাখ ৬ হাজার ৮২৬ মানুষের মতামত বিশ্লেষণ করে সমীক্ষাটি করা হয়। এ বিশাল ডেটাবেইস বলছে, মোদি সরকারের জনপ্রিয়তা ও আস্থার সূচক এখন নিম্নমুখী।
২০২১ সালে মোদির জনপ্রিয়তা ছিল ৭০ শতাংশ, ২০২৫ সালে এসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশে। শুধু তাই নয়, এনডিএ সরকারের কাজকর্মে সন্তুষ্টির হার গত ছয় মাসে কমেছে ১০ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে যেখানে ৬২ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট ছিল, এখন তা দাঁড়িয়েছে ৫২ শতাংশে। বিশ্লেষকদের মতে, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি পতনের ধারা, যা ভবিষ্যতে বিজেপির জন্য বড় রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে।
গণতন্ত্র নিয়েও মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে। ২০২৪ সালে যেখানে ৪২ শতাংশ মানুষ মনে করত ভারতীয় গণতন্ত্র হুমকির মুখে, এবার সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ শতাংশে। মাত্র ৩৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করছেন, গণতন্ত্রের জন্য কোনো হুমকি নেই। এ ছাড়া ৪৬ শতাংশ মনে করে, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে।
সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৪৩ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, বিরোধীশাসিত রাজ্যে রাজ্যপালদের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক। মাত্র ৩৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ভারতে এখনো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে, অথচ ২০২১ সালে এ হার ছিল ৫৫ শতাংশ, যা তিন বছরের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এ থেকে স্পষ্ট সাধারণ মানুষের মনে অস্থিরতা ও বিভাজনের ছবি।
দুর্নীতি দমনে বিজেপির রেকর্ড নিয়েও মানুষের আস্থা কমছে। ৪৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি রোধে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধীশিবিরে কংগ্রেসকে ৬৬ শতাংশ মানুষ প্রধান বিকল্প শক্তি হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন। লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর ভাবমূর্তিও দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। ৫০ শতাংশ মানুষ তাঁর কাজকে ইতিবাচক বলে মনে করেছেন, এর মধ্যে ২৮ শতাংশ বলেছে, তাঁর কাজ অসাধারণ। এটা নিঃসন্দেহে কংগ্রেসের জন্য নতুন রাজনৈতিক অক্সিজেন।
অর্থনীতি নিয়েও মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তীব্র হচ্ছে। এক বছর আগেও মোদি বনাম মনমোহন সিংয়ের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা তুলনায় মোদির পক্ষে ব্যবধান ছিল স্পষ্ট—৫৭ শতাংশ বনাম ৩৫ শতাংশ। কিন্তু এবার তা প্রায় সমান হয়ে গেছে। মোদি পেয়েছেন ৪৫ শতাংশ আর মনমোহন ৪৩ শতাংশ সমর্থন, যা অর্থনীতির ময়দানে বিজেপি সরকারের জনপ্রিয়তা হ্রাসের বড় বার্তা দিচ্ছে।
সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন, এনডিএ সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সুবিধা পেয়েছে মূলত ধনী ও বড় ব্যবসায়ী শ্রেণি। ৫০ শতাংশ মনে করে, বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার বিষয়টা আসলে প্রতীকী। সাধারণ মানুষের জীবনমানের তেমন উন্নতি হয়নি। ৫৪ শতাংশের মতে, ভারতে ব্যবসা শুরু ও চালানো এখনো কঠিন।
মানুষের প্রধান উদ্বেগ বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধি। ৭২ শতাংশ মানুষ বেকারত্বকে সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ৯২ শতাংশ জানিয়েছে, গত এক বছরে খরচ বেড়েছে। ৬১ শতাংশ বলেছে, সংসার চালানো এখন প্রায় অসম্ভব, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয় এতটাই বেড়েছে যে উন্নয়নের বড় স্লোগানগুলো মানুষের জীবনে আর বাস্তব সাড়া ফেলছে না।
রাজনৈতিক সাফল্যের দিক থেকে অযোধ্যায় রামমন্দির ও কাশী বিশ্বনাথ করিডর নির্মাণকে মানুষ এনডিএ সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে, তবে এর বাইরে নীতি ও কার্যক্রমে মানুষের অসন্তোষ প্রকট। সীমান্ত রাজনীতি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বিষয়ে সমীক্ষা বলছে, জনগণের বড় অংশ মনে করছে সরকার অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ তথ্য প্রকাশ করছে না। যেমন, সাম্প্রতিক ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে ৫৫ শতাংশ সরকারকে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বলে মনে করলেও মাত্র ৫৪ শতাংশ বলেছে, সরকার তথ্য প্রদানে স্বচ্ছ ছিল।
সব মিলিয়ে সমীক্ষার ফল বলছে, জনমত বদলাচ্ছে। মোদি সরকারের জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে কমছে, মানুষ গণতন্ত্র নিয়ে শঙ্কিত, বিরোধী শক্তি কংগ্রেস আবার মাথা তুলছে আর বেকারত্ব–মূল্যবৃদ্ধি–অর্থনীতি নিয়ে অসন্তোষ চরমে পৌঁছেছে।

ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে একসময় অদম্য জনপ্রিয়তার প্রতীক ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টানা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে জনগণের বড় অংশ তাঁর পাশে থেকেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই আস্থা স্পষ্টভাবে ক্ষয় হতে শুরু করেছে। ভারতের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের বার্ষিক ‘মুড অব দ্য নেশন’ (এমওটিএন) সমীক্ষায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ কিছু তথ্য।
সমীক্ষাটি পরিচালনা করেছে সি-ভোটার নামে একটি সংস্থা। গত জুলাইয়ের ১ থেকে ১৪ আগস্ট পর্যন্ত দেশের প্রতিটি লোকসভা আসন থেকে ৫৪ হাজার ৭৮৮ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। এর সঙ্গে আরও দেড় লক্ষাধিক অতিরিক্ত সাক্ষাৎকার যোগ করে মোট ২ লাখ ৬ হাজার ৮২৬ মানুষের মতামত বিশ্লেষণ করে সমীক্ষাটি করা হয়। এ বিশাল ডেটাবেইস বলছে, মোদি সরকারের জনপ্রিয়তা ও আস্থার সূচক এখন নিম্নমুখী।
২০২১ সালে মোদির জনপ্রিয়তা ছিল ৭০ শতাংশ, ২০২৫ সালে এসে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৫৮ শতাংশে। শুধু তাই নয়, এনডিএ সরকারের কাজকর্মে সন্তুষ্টির হার গত ছয় মাসে কমেছে ১০ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে যেখানে ৬২ শতাংশ মানুষ সন্তুষ্ট ছিল, এখন তা দাঁড়িয়েছে ৫২ শতাংশে। বিশ্লেষকদের মতে, এটা একটা দীর্ঘমেয়াদি পতনের ধারা, যা ভবিষ্যতে বিজেপির জন্য বড় রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে।
গণতন্ত্র নিয়েও মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে। ২০২৪ সালে যেখানে ৪২ শতাংশ মানুষ মনে করত ভারতীয় গণতন্ত্র হুমকির মুখে, এবার সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ শতাংশে। মাত্র ৩৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করছেন, গণতন্ত্রের জন্য কোনো হুমকি নেই। এ ছাড়া ৪৬ শতাংশ মনে করে, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে।
সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৪৩ শতাংশ মানুষ মনে করছেন, বিরোধীশাসিত রাজ্যে রাজ্যপালদের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক। মাত্র ৩৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন, ভারতে এখনো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রয়েছে, অথচ ২০২১ সালে এ হার ছিল ৫৫ শতাংশ, যা তিন বছরের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এ থেকে স্পষ্ট সাধারণ মানুষের মনে অস্থিরতা ও বিভাজনের ছবি।
দুর্নীতি দমনে বিজেপির রেকর্ড নিয়েও মানুষের আস্থা কমছে। ৪৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতি রোধে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধীশিবিরে কংগ্রেসকে ৬৬ শতাংশ মানুষ প্রধান বিকল্প শক্তি হিসেবে দেখতে শুরু করেছেন। লোকসভার বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধীর ভাবমূর্তিও দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। ৫০ শতাংশ মানুষ তাঁর কাজকে ইতিবাচক বলে মনে করেছেন, এর মধ্যে ২৮ শতাংশ বলেছে, তাঁর কাজ অসাধারণ। এটা নিঃসন্দেহে কংগ্রেসের জন্য নতুন রাজনৈতিক অক্সিজেন।
অর্থনীতি নিয়েও মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তীব্র হচ্ছে। এক বছর আগেও মোদি বনাম মনমোহন সিংয়ের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা তুলনায় মোদির পক্ষে ব্যবধান ছিল স্পষ্ট—৫৭ শতাংশ বনাম ৩৫ শতাংশ। কিন্তু এবার তা প্রায় সমান হয়ে গেছে। মোদি পেয়েছেন ৪৫ শতাংশ আর মনমোহন ৪৩ শতাংশ সমর্থন, যা অর্থনীতির ময়দানে বিজেপি সরকারের জনপ্রিয়তা হ্রাসের বড় বার্তা দিচ্ছে।
সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৫৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন, এনডিএ সরকারের অর্থনৈতিক নীতির সুবিধা পেয়েছে মূলত ধনী ও বড় ব্যবসায়ী শ্রেণি। ৫০ শতাংশ মনে করে, বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার বিষয়টা আসলে প্রতীকী। সাধারণ মানুষের জীবনমানের তেমন উন্নতি হয়নি। ৫৪ শতাংশের মতে, ভারতে ব্যবসা শুরু ও চালানো এখনো কঠিন।
মানুষের প্রধান উদ্বেগ বেকারত্ব ও মূল্যবৃদ্ধি। ৭২ শতাংশ মানুষ বেকারত্বকে সবচেয়ে গুরুতর সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ৯২ শতাংশ জানিয়েছে, গত এক বছরে খরচ বেড়েছে। ৬১ শতাংশ বলেছে, সংসার চালানো এখন প্রায় অসম্ভব, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যয় এতটাই বেড়েছে যে উন্নয়নের বড় স্লোগানগুলো মানুষের জীবনে আর বাস্তব সাড়া ফেলছে না।
রাজনৈতিক সাফল্যের দিক থেকে অযোধ্যায় রামমন্দির ও কাশী বিশ্বনাথ করিডর নির্মাণকে মানুষ এনডিএ সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে, তবে এর বাইরে নীতি ও কার্যক্রমে মানুষের অসন্তোষ প্রকট। সীমান্ত রাজনীতি থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বিষয়ে সমীক্ষা বলছে, জনগণের বড় অংশ মনে করছে সরকার অনেক ক্ষেত্রে যথাযথ তথ্য প্রকাশ করছে না। যেমন, সাম্প্রতিক ‘অপারেশন সিঁদুর’ নিয়ে ৫৫ শতাংশ সরকারকে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বলে মনে করলেও মাত্র ৫৪ শতাংশ বলেছে, সরকার তথ্য প্রদানে স্বচ্ছ ছিল।
সব মিলিয়ে সমীক্ষার ফল বলছে, জনমত বদলাচ্ছে। মোদি সরকারের জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে কমছে, মানুষ গণতন্ত্র নিয়ে শঙ্কিত, বিরোধী শক্তি কংগ্রেস আবার মাথা তুলছে আর বেকারত্ব–মূল্যবৃদ্ধি–অর্থনীতি নিয়ে অসন্তোষ চরমে পৌঁছেছে।

উগান্ডার প্রেসিডেন্ট ইয়োয়েরি মুসেভেনির সমর্থকদের কাছে সদ্যসমাপ্ত নির্বাচনে তাঁর বিপুল বিজয় ৪০ বছরের শাসনেরই এক ধরনের স্বীকৃতি। নির্বাচনে তিনি পেয়েছেন ৭২ শতাংশ ভোট। এটি তাঁর সর্বোচ্চ প্রাপ্ত ভোটের কাছাকাছি। ১৯৯৬ সালে উগান্ডার প্রথম সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি পেয়েছিলেন ৭৪ শতাংশ ভোট।
১ ঘণ্টা আগে
ইন্দোনেশিয়ার উদ্ধারকারীরা নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় সুলাওয়েসি দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে পৌঁছানোর সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ওই বিমানে ১১ জন আরোহী ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
৪ ঘণ্টা আগে