
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধে সরাসরি মস্কোর জড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনের সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্রের বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, রাশিয়া বর্তমানে ইরানকে মার্কিন সেনা, যুদ্ধজাহাজ ও যুদ্ধবিমানের অবস্থান এবং গতিবিধি-সংক্রান্ত অত্যন্ত গোপনীয় গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাশিয়া মূলত তাদের মহাকাশে থাকা অত্যাধুনিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ধারণ করা ছবি ও তথ্য ইরানের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছে। তবে এই সামরিক সহায়তার বিনিময়ে রাশিয়া ইরানের কাছ থেকে কী সুবিধা পাচ্ছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সিএনএন এই বিষয়ে ক্রেমলিন ও ওয়াশিংটনে অবস্থিত রুশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও তারা কোনো মন্তব্য করেনি।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম এই গোয়েন্দা তথ্যের খবর সামনে আনে। রাশিয়ার দেওয়া সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ইরানের কোনো হামলা পরিচালিত হয়েছে কি না, তা এখনো শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মার্কিন সেনাদের অবস্থান রয়েছে—এমন বেশ কয়েকটি জায়গায় ইরানি ড্রোন নিখুঁতভাবে আঘাত হেনেছে।
এর মধ্যে গত রোববার কুয়েতে মার্কিন সেনাদের একটি অস্থায়ী আবাসে এমনই এক ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ছয়জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন।
এদিকে মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে তথ্য রয়েছে, চীন এখন পর্যন্ত সরাসরি এই যুদ্ধে না জড়ালেও তারা ইরানকে আর্থিক সহায়তা, যন্ত্রাংশ এবং ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন পার্টস দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। চীন মূলত ইরানের তেলের ওপর ব্যাপক নির্ভরশীল এবং তারা তেহরানকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের নিশ্চয়তা দিতে চাপ দিয়ে আসছে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, চীন তাদের সমর্থনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক। তারা চায় যুদ্ধ দ্রুত শেষ হোক; কারণ, এই যুদ্ধ তাদের জ্বালানি সরবরাহকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
সিএনএন এই বিষয়ে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের মন্তব্য জানতে চেয়েছে। অন্যদিকে সিআইএ এই বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ গত বুধবার পেন্টাগনে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ইরান যুদ্ধে রাশিয়া ও চীন আসলে কোনো বড় ‘ফ্যাক্টর’ নয়। তবে তিন বছর ধরে রাশিয়া ও ইরান ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন প্রযুক্তিতে পারস্পরিক সহযোগিতা চালিয়ে আসছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ইরান যেমন রাশিয়াকে ‘শাহেদ’ ড্রোন ও স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে সাহায্য করেছে এবং রাশিয়ায় ড্রোনের কারখানা তৈরিতে সহায়তা দিয়েছে, রাশিয়াও তার বদলে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি শক্তিশালী করতে কাজ করেছে।

মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের সঙ্গে প্রথাগত যুদ্ধে জয়ের সম্ভাবনা নেই ইরানের। তারা কাজে লাগাচ্ছে স্নায়ুযুদ্ধকালে ব্যাপক আলোচনায় আসা যুদ্ধকৌশল ‘নিবৃত্তকরণ’। যদি বর্তমান ক্ষতির পরিমাণ এবং ভবিষ্যৎ ক্ষতির আশঙ্কা হিসাব করে প্রতিপক্ষ পিছিয়ে যায়, তবেই এ কৌশল সফল হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
ইরানে ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত। তবে পাল্টা হামলা থেমে নেই ইরানের। তাদের হামলায় বিপর্যস্ত ইসরায়েলিদের জনজীবনও। ইরানে মানুষ শহর থেকে গ্রামের দিকে ছুটছে। আর ইসরায়েলের মানুষ আশ্রয় নিচ্ছেন বাংকারে। জেরুজালেম, তেল আবিব, হাইফাসহ বিভিন্ন শহরেই এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি দ্বন্দ্ব এড়িয়ে কার্যত ‘ধীরে চলো’ নীতিতে হাঁটছে ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত চীন। ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় তেমন কোনো শক্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়নি দেশটি। বেশ খানিকটা সময় নিয়ে নমনীয় ভাষায় সংঘাত বন্ধ করে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়েছে চীন,
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে মুহুর্মুহু হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। তবে এরই মধ্যে অফিস-আদালত খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তারা জানিয়েছে ২০ শতাংশ কর্মী আগামী রোববার থেকে অফিস করবেন। এদিকে হামলার আশঙ্কা থাকার পরও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে ফ্লাইট চালু হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে