দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ককেতা প্রদেশে বিক্ষোভ চলাকালে এক পুলিশ নিহত ও ৭৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে জিম্মি করার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সড়ক নির্মাণ ও মেরামতের দাবিতে তেল কোম্পানি এমারেল্ড এনার্জি-এর কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভকারীরা। পরে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। বিক্ষোভ চলাকালে এক বেসামরিক ব্যক্তিও নিহত হন। এছাড়া তেল কোম্পানির ৯ শ্রমিককেও জিম্মি করা হয়।
এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জিম্মি পুলিশ সদস্যদের একটি ঘরে বন্দী করে রাখা হয়েছে। জিম্মি পুলিশ সদস্যদের কেউ চেয়ারে এবং কেউ মাটিতে বসে আছেন।
এদিকে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো বলেন, আশা করছি সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়ার আগেই বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হবে। এছাড়া তিনি রেড ক্রসকে চিকিৎসা সহযোগিতা দেওয়ার আহ্বান জানান।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগই গ্রামীণ ও আদিবাসী জনগণ। তাঁরা এমারেল্ড এনার্জি কোম্পানির কাছে সান ভিসেন্টে ডেল কাগুয়ান এলাকায় নতুন সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে কোম্পানি সাড়া দিচ্ছে না। এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের পক্ষ থেকে এমারেল্ড এনার্জি-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
টুইটারে এক বার্তায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে কলম্বিয়ার পুলিশ। কলম্বিয়ার পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম রিকার্ডো মনরয়।
টুইট বার্তায় বলা হয়, ‘অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে আমরা এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন রিকার্ডো মনরয়।’
স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ওই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। আর বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বন্দুকের গুলিতে।
দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় ককেতা প্রদেশে বিক্ষোভ চলাকালে এক পুলিশ নিহত ও ৭৯ পুলিশ কর্মকর্তাকে জিম্মি করার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সড়ক নির্মাণ ও মেরামতের দাবিতে তেল কোম্পানি এমারেল্ড এনার্জি-এর কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভকারীরা। পরে তা সহিংসতায় রূপ নেয়। বিক্ষোভ চলাকালে এক বেসামরিক ব্যক্তিও নিহত হন। এছাড়া তেল কোম্পানির ৯ শ্রমিককেও জিম্মি করা হয়।
এ ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, জিম্মি পুলিশ সদস্যদের একটি ঘরে বন্দী করে রাখা হয়েছে। জিম্মি পুলিশ সদস্যদের কেউ চেয়ারে এবং কেউ মাটিতে বসে আছেন।
এদিকে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো বলেন, আশা করছি সহিংসতা আরও ছড়িয়ে পড়ার আগেই বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হবে। এছাড়া তিনি রেড ক্রসকে চিকিৎসা সহযোগিতা দেওয়ার আহ্বান জানান।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভকারীদের বেশির ভাগই গ্রামীণ ও আদিবাসী জনগণ। তাঁরা এমারেল্ড এনার্জি কোম্পানির কাছে সান ভিসেন্টে ডেল কাগুয়ান এলাকায় নতুন সড়ক অবকাঠামো নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে কোম্পানি সাড়া দিচ্ছে না। এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের পক্ষ থেকে এমারেল্ড এনার্জি-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
টুইটারে এক বার্তায় নিহত পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে কলম্বিয়ার পুলিশ। কলম্বিয়ার পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ওই পুলিশ কর্মকর্তার নাম রিকার্ডো মনরয়।
টুইট বার্তায় বলা হয়, ‘অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে আমরা এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। কর্তব্য পালন করতে গিয়ে নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন রিকার্ডো মনরয়।’
স্থানীয় সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ওই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। আর বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বন্দুকের গুলিতে।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে চলতি জানুয়ারি মাসের মধ্যেই ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে ঐতিহাসিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরিত হতে পারে। আজ সোমবার গুজরাটের আহমেদাবাদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ এই সম্ভাবনার কথা জানিয়ে...
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইন্টারনেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকলেও মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ও ছবি বাইরে আসতে শুরু করেছে।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানের ফরেনসিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরি সেন্টারের একটি ভিডিওতে বিপুলসংখ্যক মরদেহ দেখা যাওয়ার দাবি ঘিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে সামাজিক মাধ্যমে ওই কেন্দ্র থেকে ধারণ করা অন্তত ছয়টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) সোমবার (১২ জানুয়ারি) গাম্বিয়া অভিযোগ করেছে, মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু মুসলিম রোহিঙ্গাদের ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে এবং তাদের জীবনকে এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে রূপ দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে