
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন নৌবাহিনীকে নিজেদের বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে—এমন দাবি কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী ভারতের কোনো বন্দর ব্যবহার করছে না এবং এই সংক্রান্ত খবরগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রতিরক্ষা সচিবের উপদেষ্টা ডগলাস ম্যাকগ্রেগর অতি-ডানপন্থী সংবাদমাধ্যম ওয়ান আমেরিকা নিউজ নেটওয়ার্কে দাবি করেছিলেন, ইরান সংঘাতের মধ্যে মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলো সম্ভবত ভারতের বন্দর ব্যবহার করছে।
এই দাবির প্রতিবাদে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ওএএন চ্যানেলে ভারতীয় বন্দর ব্যবহারের যে দাবি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভুয়া এবং মিথ্যা। আমরা এই ধরনের ভিত্তিহীন ও মনগড়া মন্তব্য থেকে আপনাদের সাবধান করছি।
ভারত মহাসাগরে শ্রীলঙ্কার উপকূলে একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজে মার্কিন সাবমেরিনের হামলার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে। ভারত আয়োজিত একটি সামরিক মহড়া শেষে ফেরার পথে ইরানি জাহাজটি আক্রান্ত হয়। এই প্রেক্ষাপটেই মার্কিন নৌবাহিনী ভারতের লজিস্টিক সুবিধা পাচ্ছে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা গুঞ্জন তৈরি হয়। ভারত সরকার সেই গুঞ্জন থামাতেই এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল।

কলকাতার এক চিরাচরিত সকাল। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচার চালাতে বাড়ি বাড়ি ঘুরছেন নেতা-কর্মীরা। তেমনই প্রচারে দেখা গেল ব্যারাকপুরের বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচীকে। পরনে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি আর লাল ধুতি।
৪ ঘণ্টা আগে
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা নির্ধারিত শিডিউল অনুসারেই হবে; এমনটি জানিয়েছে পাকিস্তান সরকারের একটি সূত্র। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচক দলের অগ্রবর্তী সদস্যরা ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন। সৌদি আরবের সংবাদমাধ্যম আল অ্যারাবিয়া ও আল হাদাসের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের নিজেদের ঘরছাড়া করতে ইসরায়েলি সেনা ও বসতি স্থাপনকারীরা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, যৌন নিপীড়ন ও হয়রানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এমনটাই বলছেন মানবাধিকার ও আইনি বিশেষজ্ঞরা। ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুরা এসব বিষয়ে নানা ধরনের নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
জাপান প্রতিরক্ষা নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। এতদিন সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তর প্রাণঘাতী নয় এমন পাঁচটি শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ ছিল। সেই বিধিনিষেধ এখন তুলে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির পথ খুলে গেল। এতে জাপানের প্রতিরক্ষা শিল্প বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যেতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে