
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার একটি গ্রামে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কয়েকজন জওয়ানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক গৃহবধূ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর এবং নারীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে বিএসএফের বিরুদ্ধে। গত রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগকারী জানিয়েছেন।
হিলি থানার অন্তর্গত একটি গ্রামের বাসিন্দা ওই নারী তাঁর স্বামী, সন্তান এবং পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে বসবাস করেন। তিনি থানায় করা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, এলাকায় মোতায়েন ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের বিএসএফ জওয়ানরা লাঠি দিয়ে তাঁদের বেধড়ক মারধর করে এবং তিনি ও তাঁর মেয়ের সঙ্গে অশালীন আচরণ করে।
অভিযোগকারী গৃহবধূ বলেন, ‘আমরা রাজ্য সরকারের বাংলা আবাস যোজনা থেকে পাকা বাড়ি নির্মাণের জন্য টাকা পেয়েছি। গতকাল দুপুরে (রোববার) যখন নির্মাণকাজ চলছিল, তখন কয়েকজন বিএসএফ জওয়ান এসে বলে যে, আমরা বাড়ি তৈরি করতে পারব না, কারণ এটি সীমান্তের খুব কাছে।’
গৃহবধূ জানান, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া তাঁদের প্লট থেকে প্রায় ৩০ মিটার দূরে।
ওই নারীর স্বামী ও পরিবারের অন্য সদস্যরা জওয়ানদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, সরকারি সাহায্যের দ্বিতীয় কিস্তি পাওয়ার জন্য তাঁদের নির্মাণকাজ শেষ করা প্রয়োজন। কিন্তু জওয়ানরা তাঁদের কোনো কথা শোনেননি এবং কাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন বলে জানান ভুক্তভোগী।
কান্নারত অবস্থায় ওই ভুক্তভোগী বলেন, ‘পরে রাতে যখন আমরা খাবার খাচ্ছিলাম, তখন একদল বিএসএফ জওয়ান আমাদের বাড়িতে জোর করে ঢোকে। তারা আমাদের নির্বিচারে লাঠি দিয়ে মারতে শুরু করে। এমনকি আমার মেয়ে এবং আমাকেও ছাড়েনি। জওয়ানরা আমাদের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয় এবং নির্মাণকাজ চালিয়ে গেলে ভয়ংকর পরিণতি হবে বলে হুমকি দেয়।’
ঘটনার পর পরিবারটি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যকে জানায়। তাদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। এরপর ওই নারী হিলি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।
এ ঘটনায় গ্রামবাসীও ক্ষুব্ধ। তাঁরা জানান, বিএসএফ জওয়ানরা দাবি করেছেন, বাড়িটি নির্মাণ করা হলে সীমান্তের দৃশ্যমানতা কমে যাবে। গ্রামবাসী বলছেন, এটা অযৌক্তিক। এক গ্রামবাসী বলেন, ‘তারা (বিএসএফ) তো কাঁটাতারের পাশ দিয়ে টহল দেয়, আর বাড়িটা তৈরি হচ্ছে অন্তত ৩০ মিটার ভেতরে। আমরা বুঝতে পারছি না, কেন তারা কাজ বন্ধ করার জন্য এত জোর দিচ্ছে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ করা উচিত, কারণ আমাদের অনেকের কাছেই পাকা বাড়ি তৈরির জন্য সরকারি অর্থ এসেছে।’
হিলি থানার পুলিশ কর্মকর্তারা অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমরা ঘটনার তদন্ত করছি।’
এ বিষয়ে ৬১ নম্বর ব্যাটালিয়নের বিএসএফ কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া। সীমান্তে মোতায়েন থাকা কর্তব্যরত জওয়ানরাও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত শনিবার ইরানে বিনা উসকানিতে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালায়। এমনকি ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনের দিকেও অ্যান্টিশিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়েছিল।
১৬ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্রে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনাই ছিল না ইরানের। তেহরান আগে যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণের পরিকল্পনা করেছিল—গোয়েন্দা তথ্যে এমন কোনো লক্ষণই ছিল না। মার্কিন কংগ্রেসকে এমনটিই জানিয়েছে পেন্টাগন।
২৪ মিনিট আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মাত্রা ও সময় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তারা উপসাগরীয় মিত্রদের সতর্ক করেছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ না নিতে যা তেহরান বা তাদের মিত্র গোষ্ঠীর পাল্টা প্রতিক্রিয়া উসকে দিতে পারে এবং অঞ্চলকে আরও বড় সংঘাতে ঠেলে দিতে পারে।
৪৪ মিনিট আগে
যুদ্ধকে ইরানিরা খুব একটা ভয় পায় না, যতটা পায় আত্মসমর্পণকে। এই ধারণার প্রমাণ মেলে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত সরকার কখনোই হুমকির কাছে মাথা নত করেনি। এমনকি সর্বশেষ যুদ্ধের আগেও ইরানিরা তাদের ন্যায্য অবস্থান থেকে সরে এসে যুদ্ধ ঠেকানোর চেষ্টা করেনি।
১ ঘণ্টা আগে