আজকের পত্রিকা ডেস্ক

আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুনে ফের নির্বাচন করছেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট পল বিয়া। ৪২ বছর ধরে ক্ষমতায় তিনি। বর্তমানে বয়স ৯২ বছর। চলতি বছরের ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গতকাল রোববার এক্স হ্যান্ডলে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন পল।
পোস্টটিতে পল বিয়া বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছি। আমরা যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, সে পরিপ্রেক্ষিতে আপনাদের সেবা দেওয়ার জন্য আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
১৯৮২ সালে প্রেসিডেন্ট আহমাদু আহিজো পদত্যাগের পর থেকে টানা ৪২ বছর ক্ষমতায় রয়েছেন পল বিয়া। বর্তমান মেয়াদ শেষে তিনি প্রায় একশ বছর বয়সে পৌঁছাবেন। স্বাস্থ্যগত কারণে প্রায়শই গুজবের কেন্দ্রে থাকেন। গত বছর টানা ৪২ দিন জনসমক্ষে আসেননি। ওই সময় ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। সরকার তাঁর সুস্থতা দাবি করলেও স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো আলোচনাকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
চলতি বছর নির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যামেরুনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন, ৯২ বছর বয়সে শারীরিক ও মানসিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার মতো অবস্থায় তিনি আদৌ আছেন কি না। যদিও শাসক দল ক্যামেরুন পিপলস ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (সিপিডিএম)-এর নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর প্রার্থিতার পক্ষে প্রচার চালিয়ে আসছেন।
পল বিয়ার দীর্ঘ শাসনামল নিয়ে সমালোচনার অন্ত নেই। বিরোধী দল ও কিছু নাগরিক সংগঠনের মতে, তাঁর শাসনে ক্যামেরুনে গণতন্ত্রের চর্চা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ২০০৮ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ এবং প্রার্থিতার বয়স সীমা তুলে দেন তিনি, ফলে তাঁর সামনে পুনঃপুন নির্বাচনে লড়ার পথ খুলে যায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি ৭১ দশমিক ২৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন, যদিও বিরোধীরা ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছিল।
বিয়ার প্রার্থিতার ঘোষণার মধ্যেই নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন একাধিক বিরোধী নেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৮ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করা মরিস কামতো (ক্যামেরুন রেনেসাঁ মুভমেন্ট), জোশুয়া ওসিহ (সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট), আইনজীবী আকেরে মুনা এবং ক্যাবরাল লিবি (ক্যামেরুন পার্টি ফর ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন)। তাঁরা সবাই বিয়ার দীর্ঘ শাসনকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছেন।
ক্যামেরুন বহু সংকটে জর্জরিত। দেশের ইংরেজিভাষী অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ও উত্তরে জঙ্গিগোষ্ঠী বোকো হারামের তৎপরতার কারণে স্থায়ী নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। অর্থনীতিতেও রয়েছে মন্দাভাব।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, বয়সজনিত কারণে হঠাৎ যদি বিয়া দায়িত্ব পালনে অক্ষম হয়ে পড়েন বা তাঁর মৃত্যু ঘটে, তবে দেশটিতে ভয়াবহ নেতৃত্ব সংকট তৈরি হতে পারে। স্বাধীনতার পর থেকে মাত্র দু’জন রাষ্ট্রপ্রধান পেয়েছে ক্যামেরুন। এমন একটি দেশে উত্তরসূরি নির্ধারণকে ঘিরে বিশৃঙ্খলা নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের।

আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুনে ফের নির্বাচন করছেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট পল বিয়া। ৪২ বছর ধরে ক্ষমতায় তিনি। বর্তমানে বয়স ৯২ বছর। চলতি বছরের ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গতকাল রোববার এক্স হ্যান্ডলে দেওয়া এক পোস্টে এ ঘোষণা দেন পল।
পোস্টটিতে পল বিয়া বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছি। আমরা যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, সে পরিপ্রেক্ষিতে আপনাদের সেবা দেওয়ার জন্য আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
১৯৮২ সালে প্রেসিডেন্ট আহমাদু আহিজো পদত্যাগের পর থেকে টানা ৪২ বছর ক্ষমতায় রয়েছেন পল বিয়া। বর্তমান মেয়াদ শেষে তিনি প্রায় একশ বছর বয়সে পৌঁছাবেন। স্বাস্থ্যগত কারণে প্রায়শই গুজবের কেন্দ্রে থাকেন। গত বছর টানা ৪২ দিন জনসমক্ষে আসেননি। ওই সময় ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়। সরকার তাঁর সুস্থতা দাবি করলেও স্বাস্থ্য নিয়ে কোনো আলোচনাকে ‘জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়’ আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
চলতি বছর নির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যামেরুনে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছেন, ৯২ বছর বয়সে শারীরিক ও মানসিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার মতো অবস্থায় তিনি আদৌ আছেন কি না। যদিও শাসক দল ক্যামেরুন পিপলস ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (সিপিডিএম)-এর নেতারা দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর প্রার্থিতার পক্ষে প্রচার চালিয়ে আসছেন।
পল বিয়ার দীর্ঘ শাসনামল নিয়ে সমালোচনার অন্ত নেই। বিরোধী দল ও কিছু নাগরিক সংগঠনের মতে, তাঁর শাসনে ক্যামেরুনে গণতন্ত্রের চর্চা এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ২০০৮ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ এবং প্রার্থিতার বয়স সীমা তুলে দেন তিনি, ফলে তাঁর সামনে পুনঃপুন নির্বাচনে লড়ার পথ খুলে যায়। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি ৭১ দশমিক ২৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হন, যদিও বিরোধীরা ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলেছিল।
বিয়ার প্রার্থিতার ঘোষণার মধ্যেই নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন একাধিক বিরোধী নেতা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৮ সালের নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করা মরিস কামতো (ক্যামেরুন রেনেসাঁ মুভমেন্ট), জোশুয়া ওসিহ (সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট), আইনজীবী আকেরে মুনা এবং ক্যাবরাল লিবি (ক্যামেরুন পার্টি ফর ন্যাশনাল রিকনসিলিয়েশন)। তাঁরা সবাই বিয়ার দীর্ঘ শাসনকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছেন।
ক্যামেরুন বহু সংকটে জর্জরিত। দেশের ইংরেজিভাষী অঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন ও উত্তরে জঙ্গিগোষ্ঠী বোকো হারামের তৎপরতার কারণে স্থায়ী নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। অর্থনীতিতেও রয়েছে মন্দাভাব।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, বয়সজনিত কারণে হঠাৎ যদি বিয়া দায়িত্ব পালনে অক্ষম হয়ে পড়েন বা তাঁর মৃত্যু ঘটে, তবে দেশটিতে ভয়াবহ নেতৃত্ব সংকট তৈরি হতে পারে। স্বাধীনতার পর থেকে মাত্র দু’জন রাষ্ট্রপ্রধান পেয়েছে ক্যামেরুন। এমন একটি দেশে উত্তরসূরি নির্ধারণকে ঘিরে বিশৃঙ্খলা নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা অনেকের।

ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিতে শুরু করে, তাহলে ‘অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা’ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন হামলার আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইরান।
৪ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেনের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ জানিয়েছেন, দেশটির সেনাবাহিনীতে প্রায় দুই লাখ সেনা অনুমতি ছাড়াই নিজ নিজ অবস্থান ত্যাগ করেছেন। পাশাপাশি সামরিক আইন এড়ানোর অভিযোগে প্রায় ২০ লাখ ইউক্রেনীয় নাগরিক বর্তমানে ‘ওয়ান্টেড’ হিসেবে তালিকাভুক্ত।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের মার্কিন ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করতে যাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থা এমআইটি সম্প্রতি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) এ বিষয়ে সতর্ক করেছে। ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় কুর্দি যোদ্ধাদের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের খবরও পাওয়া গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে