
সুদানের রাজধানী খার্তুমে সেনাবাহিনী এবং একটি শক্তিশালী আধা সামরিক গোষ্ঠী আরএসএফের মধ্যে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং খার্তুম বিমানবন্দরের আশপাশে আজ শনিবার এ ঘটনা ঘটেছে বলে আল-জাজিরা জানিয়েছে।
দক্ষিণ খার্তুমে আধা সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) একটি ঘাঁটি রয়েছে। সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ও বন্দুকযুদ্ধের খবর পাওয়া গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা বলেছে, আরএসএফকে কীভাবে সামরিক বাহিনীতে একীভূত করা যায়, তা নিয়ে মতবিরোধ থেকে কয়েক দিন আগে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সেই উত্তেজনা থেকে আজ থেকে শুরু হলো সংঘর্ষ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সকালের দিকে খার্তুমের বিমানবন্দর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছিল আরএসএফ। পরে সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা দেশের সব ঘাঁটি ও বিমানবন্দর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
সেনাবাহিনী আরও বলেছে, তারা খার্তুমের কৌশলগত জায়গাগুলো দখল করার জন্য শত্রুদের সঙ্গে লড়াই করছে। সুদানের বিমানবাহিনী আরএসএফের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে।
সুদানিজ পিপলস লিবারেশন মুভমেন্টের (উত্তর) নেতা মালিক আগর আল-জাজিরাকে বলেছেন, কয়েক দিন ধরেই সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে মধ্যস্থতার কথাবার্তা চলছিল। এর মধ্যে এই সংঘর্ষ একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা।
মালিক আগর আরও বলেন, কোন পক্ষ থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হলো জানি না। তবে এটি দুঃখজনক।
এদিকে বিবিসি বলেছে, সংঘর্ষের ব্যাপারে দুই পক্ষ থেকেই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। আরএসএফ বলেছে, তারা প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ দখল করেছে। তবে তাদের এ দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। আরএসএফ সেনাসদ্যদের বন্দী করার দাবি করেছে এবং রাজধানীর বাইরে আরও কয়েকটি এলাকা দখলের দাবি করেছে। তবে সেনাবাহিনী তাদের দাবিকে অস্বীকার করেছে।
যুদ্ধ শুরু করার ব্যাপারে সেনাবাহিনীকে অভিযুক্ত করেছে আরএসএফ। তারা বলেছে, সেনাবাহিনী প্রথমে তাদের সদর দপ্তরে হামলা করেছে। অন্যদিকে সুদানের সামরিক বাহিনী বলেছে, আরএসএফ তাদের সেনাসদর দপ্তরে হামলার পর সংঘর্ষ শুরু হয়।

সুদানের রাজধানী খার্তুমে সেনাবাহিনী এবং একটি শক্তিশালী আধা সামরিক গোষ্ঠী আরএসএফের মধ্যে গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। দেশটির সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং খার্তুম বিমানবন্দরের আশপাশে আজ শনিবার এ ঘটনা ঘটেছে বলে আল-জাজিরা জানিয়েছে।
দক্ষিণ খার্তুমে আধা সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) একটি ঘাঁটি রয়েছে। সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ও বন্দুকযুদ্ধের খবর পাওয়া গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা বলেছে, আরএসএফকে কীভাবে সামরিক বাহিনীতে একীভূত করা যায়, তা নিয়ে মতবিরোধ থেকে কয়েক দিন আগে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সেই উত্তেজনা থেকে আজ থেকে শুরু হলো সংঘর্ষ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সকালের দিকে খার্তুমের বিমানবন্দর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছিল আরএসএফ। পরে সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা দেশের সব ঘাঁটি ও বিমানবন্দর নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।
সেনাবাহিনী আরও বলেছে, তারা খার্তুমের কৌশলগত জায়গাগুলো দখল করার জন্য শত্রুদের সঙ্গে লড়াই করছে। সুদানের বিমানবাহিনী আরএসএফের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে।
সুদানিজ পিপলস লিবারেশন মুভমেন্টের (উত্তর) নেতা মালিক আগর আল-জাজিরাকে বলেছেন, কয়েক দিন ধরেই সেনাবাহিনী ও আরএসএফের মধ্যে মধ্যস্থতার কথাবার্তা চলছিল। এর মধ্যে এই সংঘর্ষ একটি আশ্চর্যজনক ঘটনা।
মালিক আগর আরও বলেন, কোন পক্ষ থেকে এই সংঘর্ষ শুরু হলো জানি না। তবে এটি দুঃখজনক।
এদিকে বিবিসি বলেছে, সংঘর্ষের ব্যাপারে দুই পক্ষ থেকেই পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। আরএসএফ বলেছে, তারা প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ দখল করেছে। তবে তাদের এ দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। আরএসএফ সেনাসদ্যদের বন্দী করার দাবি করেছে এবং রাজধানীর বাইরে আরও কয়েকটি এলাকা দখলের দাবি করেছে। তবে সেনাবাহিনী তাদের দাবিকে অস্বীকার করেছে।
যুদ্ধ শুরু করার ব্যাপারে সেনাবাহিনীকে অভিযুক্ত করেছে আরএসএফ। তারা বলেছে, সেনাবাহিনী প্রথমে তাদের সদর দপ্তরে হামলা করেছে। অন্যদিকে সুদানের সামরিক বাহিনী বলেছে, আরএসএফ তাদের সেনাসদর দপ্তরে হামলার পর সংঘর্ষ শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য প্রস্তাবিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে ইচ্ছুক দেশগুলোর কাছে ১ বিলিয়ন ডলার অর্থ জোগানোর শর্ত দিচ্ছেন। এই অর্থের নিয়ন্ত্রণ থাকবে ট্রাম্পের হাতেই। এমনটি জানা গেছে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় ইসরায়েলের চালানো গণহত্যামূলক যুদ্ধ বন্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রথম এই বোর্ডের কথা প্রকাশ করেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এই সংস্থাটি গাজায় ‘শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, আঞ্চলিক সম্পর্ক উন্নয়ন, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ তহবিল সংগ্রহ এবং মূলধন ব্যবস্থাপনা’ তদারকি করবে।
১ ঘণ্টা আগে
গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত নতুন ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এমনটি বলা হয়েছে কমিটির শীর্ষ কর্মকর্তা ড. আলী শাথ প্রকাশিত এক মিশন স্টেটমেন্টে।
৩ ঘণ্টা আগে
হোয়াইট হাউস গাজা শাসনে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পরিষদের সদস্যদের নাম প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে গাজার শাসনের জন্য জাতীয় কমিটি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) সদস্যদের নামও ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে