
আপনি যখনই কোক পান করার জন্য হাত বাড়ান, তখনই আপনার জীবনের ১২ মিনিট হারিয়ে যেতে পারে—এমনটাই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
শুক্রবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ডেইলি মেইল জানিয়েছে, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলো আমাদের জীবন থেকে কতটা সময় কেড়ে নেয়, মূলত সেই বিষয়টি নিয়েই পরীক্ষা করেছিলেন গবেষকেরা।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার, যেগুলোতে কৃত্রিম রঙ, স্বাদ, প্রিজারভেটিভ এবং এমালসিফায়ারসের মতো উপাদান থাকে, সেগুলো পরিমিত না খেলে বিপজ্জনক হতে পারে।
এর মধ্যে জনপ্রিয় কিছু খাবার মানুষের জীবন থেকে মূল্যবান মিনিট কেড়ে নিতে পারে। যেমন—একটি হট ডগ আপনার জীবন থেকে ৩৬ মিনিট কমিয়ে দিতে পারে। একটি কোকের সঙ্গে এটি খেলে আরও ১২ মিনিট হারিয়ে যাবে। ব্রেকফাস্ট স্যান্ডউইচ এবং ডিম খাওয়া জীবন থেকে ১৩ মিনিট কমাতে পারে। চিজ বার্গার কমাতে পারে ৯ মিনিট।
তবে গবেষণায় শুধু নেতিবাচক তথ্যই উঠে আসেনি। কিছু খাবার আপনার জীবনকাল বাড়াতেও পারে। যেমন—নির্দিষ্ট ধরনের মাছ আপনার জীবনকাল ৩২ মিনিট পর্যন্ত বাড়াতে পারে। এমনকি পূর্বের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চেডার ও ব্রির মতো পনির খেলে জীবনের প্রত্যাশিত সময় বাড়তে পারে এবং লিভার ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।
ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের মতে, উচ্চ পরিমাণে অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া কার্ডিওভাসকুলার রোগজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি ৫০ শতাংশ বাড়ায়। উদ্বেগের মতো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ায় ৪৮ থেকে ৫৩ শতাংশ। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় ১২ শতাংশ।
এ ছাড়াও এটি মৃত্যুর ঝুঁকি ২১ শতাংশ, স্থূলতার ঝুঁকি ৪০ থেকে ৬৬ শতাংশ, হৃদ্রোগের ঝুঁকি, ঘুমের সমস্যা, এবং বিষণ্নতার ঝুঁকি ২২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়।
বিজ্ঞানীরা মত দিয়েছেন, অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিমিতভাবে খাওয়া ঠিক আছে। তবে চিকিৎসকেরা ফল, স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট এবং শাক-সবজির মতো খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি।

আপনি যখনই কোক পান করার জন্য হাত বাড়ান, তখনই আপনার জীবনের ১২ মিনিট হারিয়ে যেতে পারে—এমনটাই দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা।
শুক্রবার যুক্তরাজ্য-ভিত্তিক ডেইলি মেইল জানিয়েছে, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণায় এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলো আমাদের জীবন থেকে কতটা সময় কেড়ে নেয়, মূলত সেই বিষয়টি নিয়েই পরীক্ষা করেছিলেন গবেষকেরা।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার, যেগুলোতে কৃত্রিম রঙ, স্বাদ, প্রিজারভেটিভ এবং এমালসিফায়ারসের মতো উপাদান থাকে, সেগুলো পরিমিত না খেলে বিপজ্জনক হতে পারে।
এর মধ্যে জনপ্রিয় কিছু খাবার মানুষের জীবন থেকে মূল্যবান মিনিট কেড়ে নিতে পারে। যেমন—একটি হট ডগ আপনার জীবন থেকে ৩৬ মিনিট কমিয়ে দিতে পারে। একটি কোকের সঙ্গে এটি খেলে আরও ১২ মিনিট হারিয়ে যাবে। ব্রেকফাস্ট স্যান্ডউইচ এবং ডিম খাওয়া জীবন থেকে ১৩ মিনিট কমাতে পারে। চিজ বার্গার কমাতে পারে ৯ মিনিট।
তবে গবেষণায় শুধু নেতিবাচক তথ্যই উঠে আসেনি। কিছু খাবার আপনার জীবনকাল বাড়াতেও পারে। যেমন—নির্দিষ্ট ধরনের মাছ আপনার জীবনকাল ৩২ মিনিট পর্যন্ত বাড়াতে পারে। এমনকি পূর্বের এক গবেষণায় দেখা গেছে, চেডার ও ব্রির মতো পনির খেলে জীবনের প্রত্যাশিত সময় বাড়তে পারে এবং লিভার ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।
ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালের মতে, উচ্চ পরিমাণে অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া কার্ডিওভাসকুলার রোগজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি ৫০ শতাংশ বাড়ায়। উদ্বেগের মতো মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা বাড়ায় ৪৮ থেকে ৫৩ শতাংশ। টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় ১২ শতাংশ।
এ ছাড়াও এটি মৃত্যুর ঝুঁকি ২১ শতাংশ, স্থূলতার ঝুঁকি ৪০ থেকে ৬৬ শতাংশ, হৃদ্রোগের ঝুঁকি, ঘুমের সমস্যা, এবং বিষণ্নতার ঝুঁকি ২২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়।
বিজ্ঞানীরা মত দিয়েছেন, অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিমিতভাবে খাওয়া ঠিক আছে। তবে চিকিৎসকেরা ফল, স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট এবং শাক-সবজির মতো খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি।

দেশে তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত চলছে। কিছু অঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এই অবস্থায় সারা দেশে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বেড়েছে। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত দুই মাসে প্রায় ১ লাখ বিভিন্ন বয়সের মানুষ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
সুষম খাবারের অন্যতম উপাদান হচ্ছে চর্বি বা ফ্যাট। চর্বিযুক্ত খাবার মানেই খারাপ, বিষয়টি তেমন নয়। তবে সেই চর্বি বাছাই করা শিখতে হবে এবং জানতে হবে, কোন চর্বি ভালো আর কোনটি খারাপ। যেমন মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড—এই ক্যাটাগরির চর্বি ভালো কিংবা গুড ফ্যাট।
২ দিন আগে
নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন পরিকল্পনা এবং নিজের যত্ন নেওয়ার নতুন অঙ্গীকার। শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মতো চোখের যত্নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক জীবনে মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ও টিভির অতিরিক্ত ব্যবহারের কারণে চোখের ওপর চাপ বাড়ছে।
২ দিন আগে
নতুন বছরের শুরুতে আমাদের সবার মধ্যে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের এক বাড়তি উদ্দীপনা কাজ করে। জিমগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়ে, নতুন সব ওয়ার্কআউট প্ল্যান তৈরি হয়। তবে ফিটনেসের মূল চাবিকাঠি কঠোর পরিশ্রম নয়, বরং ধারাবাহিকতা।
২ দিন আগে