মাথা ধরা সমস্যা হল স্নায়ু তন্ত্রের সচরাচর সমস্যা। বিশ্বে প্রতি ৭ জনের ১ জন মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন। নারীদের মধ্যে মাইগ্রেনের হার তিনগুণ বেশি। ৫ থেকে ১৫ বছরের ১০ শতাংশ শিশু মাইগ্রেনের ব্যথায় ভুগতে পারে। বাবা বা মায়ের মধ্যে একজনের মাইগ্রেন হলে বাচ্চার হওয়ার আশঙ্কা ৪০ শতাংশ। মা বাবা দুজনেরই থাকলে সন্তানের ঝুঁকি ৯০ শতাংশ। অর্ধেক রোগীর মাথাব্যথা শুরু হয়ে ১২ বছর হওয়ার আগে। সারা বিশ্বে প্রতিদিন মাইগ্রেনের ব্যথায় ভোগেন ২ লাখ মানুষ।
কর্মস্থলে থাকার সময়ও অনেকের মাথাব্যথা শুরু হয়। এ রকম সমস্যায় বারবার ভুগলে মাইগ্রেন রেসকিউ কীট ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মধ্যে আছে বরফের পট্টি, ফেইস মাস্ক, ইয়ার প্লাগ, ওষুধ আর থাকবে জরুরি ফোন নম্বর।
হঠাৎ তীব্র ব্যথা শুরু হলে যা করবেন
⦁ আলো থেকে দূরে থাকতে হবে।
⦁ কম্পিউটারের আলো সহ্য না হলে স্ক্রিনের ওপর অ্যান্টি গ্লেয়ার লাগাতে পারেন।
⦁ গন্ধ নেই এমন জায়গায় চলে যান।
⦁ শব্দের কারণে সমস্যা হলে শব্দ হ্রাসের ডিভাইস ব্যবহার করতে পারেন।
⦁ কিছু সময়ের জন্য নির্জন কক্ষে চলে যান।
প্রতি মাসে অন্তত ১৫ দিন মাইগ্রেনের ব্যথা হলে তা ক্রনিক মাইগ্রেন। বিশ্বের ১ কোটি ৪ লাখ মানুষ ক্রনিক মাইগ্রেনের সমস্যায় ভুগছেন। যারা এ সমস্যায় ভুগছেন তাদের মন মেজাজে পরিবর্তন আর ঘুমের সমস্যাও দেখা দেয়। মাইগ্রেন ঠেকিয়ে রাখতে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-
⦁ উচ্চ শব্দ, উজ্জ্বল আলো, কনসার্ট, রোদ পরিহার করুন
⦁ খাবার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নজর দিন। চকলেট, কৃত্রিম মিষ্টি, চীনা খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও পনির এড়িয়ে চলুন
⦁ হেডেক ডায়েরি রাখুন
⦁ পিরিয়ডের সময় হরমোন পরিবর্তনে নজর রাখুন
⦁ উচ্চ আর্দ্রতা আর দাবদাহের কারণে সমস্যা হতে পারে। আবহাওয়ার দিকে নজর রাখুন।
⦁ সময় মতো খাবার খেতে হবে এবং ঘুমাতে হবে
⦁ স্ট্রেস মোকাবিলা করতে হবে
⦁ নিয়মিত ব্যায়াম আর শিথিলায়ন, ধ্যান, ইয়োগা করতে হবে
দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ, মানসিক ধাক্কা, বিষণ্নতা, মানসিক অবসন্নতার কারণে মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। মানসিক চাপ খুব বেশি হলে বারবার মাইগ্রেন হতে পারে। মাইগ্রেনের বারবার ফিরে আসা ঠেকাতে ও প্রতিরোধে এইমোভিগ, আজভি, এমগালি টি এর মতো ওষুধ এসেছে। মাইগ্রেন বন্ধ করতে বা স্থায়িত্ব কমাতে এসেছে উব্রেল্ভির মতো ওষুধ। তবে সব ওষুধ সবার কাজে দেয় না। তাই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে হবে।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, সাবেক অধ্যক্ষ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ

দেশে এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৪৪ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৪৮ জন মারা গেছে আর হামে মারা গেছে ৯৬ জন।
৪ ঘণ্টা আগে
গবেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বড় প্রাদুর্ভাবের পর ভাইরাসে এমন কোনো জিনগত পরিবর্তন ঘটেছে কি না, যা প্রচলিত টিকার কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে—এমন প্রশ্ন উঠেছিল। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য সেই আশঙ্কাকে সমর্থন করে না। বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি বি৩ জিনোটাইপের, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও শনাক্ত হয়েছে বলে
৪ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৬ জনে দাঁড়াল। এ ছাড়া গত এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৪২৩ জন। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
সন্তান জন্মদানের পর মানসিক চাপ ও ট্রমা, পরিবার সম্পূর্ণ হওয়া কিংবা ভবিষ্যতে সন্তান না নেওয়ার নিজস্ব ইচ্ছার কারণে স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে ‘ভ্যাসেকটমি’ বা পুরুষদের স্থায়ী অস্ত্রোপচারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে।
১২ ঘণ্টা আগে