জন্মদিনের কেকে মোমবাতির সংখ্যা যেমন বাড়ে, চোখের নানা জটিলতার ঝুঁকিও তেমনি বাড়ে। বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দৃষ্টিশক্তি কমা অস্বাভাবিক নয়। তবে হুট করে দৃষ্টিশক্তি কমা চোখের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এ জন্য চোখের প্রতি যত্নশীল হতে হবে।
কিছু নিয়ম মেনে চললে বার্ধক্যজনিত সমস্যা থেকে চোখকে রক্ষা করা যায়। প্রযুক্তিবিষয়ক পোর্টাল সিনেট এক প্রতিবেদনে নিয়মগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেছে।
আপনার চোখের ঝুঁকির মাত্রা জানুন
চোখের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কোন জিনিসগুলি খারাপ প্রভাব ফেলে তা প্রথমেই শনাক্ত করতে হবে। আপনাকে যদি সারা দিন কম্পিউটার বা মোবাইল স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকতে হয়, তাহলে চোখের ক্লান্তি ও চাপের সঙ্গে আপনি এর মধ্যেই পরিচিত। স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে ধাকতে চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়। এর জন্য নীল রশ্মি প্রতিরোধী একজোড়া চশমা বেছে নিতে হবে। পাশাপাশি অন্তত প্রতি ২০ মিনিটে একবার চোখের বিরতে দিতে হবে।
আবার বাইরে কাজ করলেও সূর্যরশ্মিও চোখের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে কাজের সময় উপযুক্ত প্রতিরক্ষামূলক চশমা পরা নিশ্চিত করতে হবে। চোখে কোনো আঘাত পেলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
বংশে কারও চোখের সমস্যা থাকলে তা আপনারও হতে পারে। চোখের ৩৫০টিরও বেশি রোগ আছে, যা বংশগত। আপনি আপনার জিনের পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে এ বিষয়ে আগে থেকে জানা থাকলে চোখের প্রতিরোধমূলক যত্ন নেওয়া সম্ভব।
নিয়মিত চোখের পরীক্ষা
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত চোখের পরীক্ষা চালিয়ে যেতে হবে। পরিবারে চোখের সমস্যা থাকুক আর না থাকুক, নিয়মিত চোখের পরীক্ষা গুরুতর রোগের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের একাডেমি অব অফথালমোলজির (চক্ষুবিদ্যা) তথ্য অনুযায়ী, ৬৫ বছর বয়সীদের প্রতিবছর বা প্রতি দুই বছরে একবার চোখের পরীক্ষা করতে হবে। বয়স সম্পর্কিত চোখের সমস্যা যেমন—ছানি, ডায়াবেটিক, রেটিনোপ্যাথি, গ্লুকোমা ও ম্যাকুলার ডিজেনারেশন প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করতে পারেন চক্ষু বিশেষজ্ঞ।
সঠিক চশমা পরা
সূর্যের ইউভি (আল্ট্রাভায়োলেট) বা অতিবেগুনি রশ্মি চোখ ও দৃষ্টিশক্তির জন্য ক্ষতিকর। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ বলছে, অতিরিক্ত ইউভি রশ্মির সংস্পর্শে এলে চোখের ছানি ও ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। ক্যাপ বা সানগ্লাস পরে ৯৯ শতাংশ ইউভি রশ্মি ঠেকানো যায়। দৃষ্টিশক্তি আগের মতো নাও থাকতে পারে, তাই নতুন চশমা বা লেন্স বানাতে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে গিয়ে চোখ পরীক্ষা করানো উচিত।
শরীরের যত্ন নিন
বাহ্যিক পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ও চোখের ওপর প্রভাব ফেলে। সুষম খাদ্যাভ্যাস চোখের স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে। কাঠবাদাম, ব্রকলি, গাজর, ডিম, কিউই, সবুজ শাকসবজি, স্যামন মাছ, সূর্যমুখী বীজ ইত্যাদি খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে। সঠিক খাদ্য দেহে রক্তের শর্করা ও ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে, যা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়। ডায়াবেটিস সম্পর্কিত অন্ধত্ব ৯০ শতাংশ প্রতিরোধযোগ্য।
চোখের দৃষ্টি ভালো রাখতে ধূমপান বন্ধ করতে হবে। অন্যান্য রোগের কারণের মতো চোখের সমস্যার জন্যও ধূমপান দায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) মতে, ধূমপায়ীদের বার্ধক্যজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন (দৃষ্টি ঝাপসা করার রোগ) হওয়ার সম্ভাবনা অধূমপায়ীদের চেয়ে দুই-তিন গুণ বেশি।

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) ইবোলার প্রাদুর্ভাব ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাণঘাতী রূপ নিতে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানোম গেব্রেয়েসুস। মহাপরিচালক জানান, ২০২৬ সালে এই প্রাদুর্ভাব যে গতিতে আছে সেভাবে চলতে থাকলে ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের...
১ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্তে একজন ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (১২ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
১৯ ঘণ্টা আগে
বারবার গর্ভপাতের ক্ষেত্রে এখন পুরুষের শুক্রাণুর স্বাস্থ্যও গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন চিকিৎসকেরা। নতুন গবেষণায় শুক্রাণুর ডিএনএ ক্ষতি, আইভিএফের সাফল্য এবং ভ্রূণের প্রাথমিক বিকাশের মধ্যে সম্পর্কের ইঙ্গিত মিলেছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী সায়েন্টিফিক আমেরিকান।
২০ ঘণ্টা আগে
২০২২ সালে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার (সার্ক) আট সদস্য দেশে নথিভুক্ত আনুমানিক শৈশবকালীন ক্যানসারের ঘটনার প্রায় ১০ টির মধ্যে সাতটিই ভারতে। অর্থাৎ, প্রায় ৬৯ শতাংশ ক্যানসার আক্রান্ত শিশুই ভারতের। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে দ্যা ল্যানসেট রিজিওনাল হেলথ-সাউথইস্ট এশিয়া জার্নালে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম
১ দিন আগে