প্রশ্ন: আমার ছেলের বয়স ১৯ বছর। আমরা বাবা-মা লম্বা হলেও ছেলে সেই তুলনায় লম্বা হয়নি। এ জন্য ওকে অনেক বুলির মুখোমুখি হতে হয় সব জায়গাতেই। ও মানসিকভাবে অনেক বেশি বিপর্যস্ত। আমরা অনেকভাবেই চেষ্টা করেছি, কিন্তু ওর উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব হয়নি। কেউ কেউ বলছে, এটা হরমোনের কারণে হচ্ছে। এখন যদি আমি হরমোনের চিকিৎসা করাই, তাহলে কি তার কিছুটা লম্বা হওয়া সম্ভব? নাকি এর সাইড ইফেক্ট হতে পারে? আদিল রহমান, চট্টগ্রাম
উত্তর: হরমোনের ঘাটতির কারণে সন্তান খাটো হতে পারে; যেমন, গ্রোথ হরমোন কিংবা থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি। আবার বংশগত, খাবারদাবার ও ভিটামিন ডি-র ঘাটতির কারণেও সেটা হতে পারে। এ ছাড়া ছোটবেলা থেকে হওয়া বিভিন্ন ক্রনিক রোগও উচ্চতা কম হওয়ার কারণ। হরমোনের ঘাটতি আছে কি না, তা আগে পরীক্ষার মাধ্যমে নির্ণয় করতে হবে। গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি থাকলে, গ্রোথ প্লেট বন্ধ হয়ে গেলে এ ধরনের সমস্যা হয়। সে ক্ষেত্রে গ্রোথ হরমোন দিলেও আর কাজ হয় না। গ্রোথ প্লেট সাধারণত ১৬ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় বা জোড়া লেগে যায়। আপনার সন্তানের বয়স যেহেতু ১৯, তাই যথাযথ পরীক্ষা করে দেখতে হবে। পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যাবে তার গ্রোথ হরমোনের ঘাটতি আছে কি না অথবা তা জোড়া লেগে গেছে কি না। এ জন্য একজন হরমোন বিশেষজ্ঞ বা থাইরোলজিস্টের পরামর্শ নিন।
প্রশ্ন: ২৫ বছর বয়সে আমার ডায়াবেটিস ধরা পড়ে। এখন আমার বয়স ৪১ বছর। আমার একটা টিউমার অপারেশন করাতে হবে। কিন্তু ডায়াবেটিসের কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। আমি চাচ্ছি স্বাভাবিক নিয়মে এটা কমিয়ে ফেলতে। এটা কি কোনোভাবে সম্ভব? মানে প্রতিদিনের ওষুধের পাশাপাশি আমার এমন কী করা উচিত, যার মাধ্যমে আমি ডায়াবেটিসটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারব? আমি ইনসুলিন নিচ্ছি ১০ বছর যাবৎ। এ ছাড়া আমার লো প্রেশারের সমস্যাও আছে। আল আমিন, ঢাকা
উত্তর: অপারেশনের আগে ইনসুলিন দিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা ভালো। এর দুটি ভালো দিক আছে। একটি হলো, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকলে অপারেশনের জটিলতা কম হয়। ইনসুলিন দ্রুত কাটা শুকাতে কাজ করে। খাওয়ার ওষুধগুলো অপারেশনের সময় কিছুটা জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে ইনসুলিন দিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা। তারপর অপারেশন করানো। অপারেশনের পর ইনসুলিন বন্ধ
করে দেওয়া যাবে। একবার ইনসুলিন শুরু করে তা আর বন্ধ করা যাবে না, এটা ভুল ধারণা। মুখের ওষুধ, খাবারে নিয়ন্ত্রণ, হাঁটাচলা ও ব্যায়াম করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তবে এগুলো সময়সাপেক্ষ এবং অপারেশনের সময় কিছু ঝুঁকি থাকে।
পরামর্শ দিয়েছেন, ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম, হরমোন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ , ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ

দেশে হামের প্রকোপ এখনো আশানুরূপভাবে স্থিতিশীল হয়নি। সংখ্যা ওঠানামা করলেও মৃত্যুর মিছিলও থেমে নেই। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মে মাসের শুরুর কয়েক দিনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সবকটি সূচক সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছে। এর ভিত্তিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের সামগ্রিক চিত্র এখনো উদ্বেগজনক।
৬ ঘণ্টা আগে
ঈদের আমেজে নানা পদের মুখরোচক খাবার খাওয়া হবে। সঙ্গে হঠাৎ গরম এবং হঠাৎ ঠান্ডা আবহাওয়া। এই কারণে অনেকের রক্তচাপ কিংবা ব্লাড প্রেশার হুট করে বেড়ে যেতে পারে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত হাম এবং হামের বিভিন্ন উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫১২ শিশু। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নতুন করে আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারির ক্ষত পুরোপুরি শুকানোর আগে এক ইবোলার সংক্রামক ব্যাধি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আবার সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। সাধারণ কোনো জ্বর বা ইনফ্লুয়েঞ্জা নয়, এটি চরম সংক্রামক ও প্রাণঘাতী হেমোরেজিক ফিভার কিংবা রক্তক্ষরণকারী জ্বর। একজন অণুজীববিজ্ঞানী হিসেবে সাম্প্রতিক পরিস্থিত....
১৯ ঘণ্টা আগে