
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জনই নিয়মিত রক্তে সুগার লেভেল বা শর্করা পরীক্ষা করেন। তবে প্রায় ৪০ শতাংশই তাঁদের এইচবিএ১সি মান কী, তা মনে রাখতে পারেন না বা এ সম্পর্কে জানেন না।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বা ইনসুলিন প্রতিরোধের ঝুঁকি কমাতে ঠিক কতক্ষণ ঘুমানো উচিত, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন গবেষকেরা। শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে গেলে বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থেকে টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি তৈরি হয়।

ইনসুলিনের ঘাটতি বা সেটি কাজ করতে না পারলে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে ডায়াবেটিস দেখা দেয়। দীর্ঘদিন রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে কিডনি, চোখ, স্নায়ু ও হৃদ্যন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম ও ওষুধের পাশাপাশি কিছু ভেষজ

বিশ্বে প্রথমবারের মতো টাইপ-১ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত একজন পুরুষ রোগী নিজের শরীরে স্বাভাবিকভাবে ইনসুলিন উৎপাদনে সক্ষম হয়েছেন। জিন এডিট (জিন সম্পাদন) করা কোষ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এই সফলতা এসেছে। এমন জিন প্রতিস্থাপনের পর সাধারণত যেসব রোগীকে সারা জীবন রোগ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রোধে ওষুধ সেবন করতে হয়,