
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক নারী রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাত পৌনে ২টা থেকে ভোর সারে ৪টা পর্যন্ত জরুরি বিভাগের গেটে তালা মেরে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেন চিকিৎসকেরা।
জানা গেছে, গতকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) মধ্যরাতে ঢামেক হাসপাতালের নতুন ভবনের সপ্তম তলার ৭০২ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাজমা বেগম (৩০) নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়। এর পরপরই ওই রোগীর স্বজনেরা ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে হট্টগোল শুরু করেন।
অভিযোগ রয়েছে, এ সময় পুরান ঢাকার লালবাগ ও কামরাঙ্গীরচরসহ আশপাশের এলাকা থেকে আসা ২০-৩০ জন বহিরাগত ব্যক্তি ওয়ার্ডে ঢুকে কর্তব্যরত এক চিকিৎসককে মারধর করেন। এ সময় চিকিৎসককে রক্ষা করতে গিয়ে হাসপাতালের আরও দুজন কর্মীও হামলার শিকার হন।
ঢাকা মেডিকেলের নতুন ভবনের ৭০২ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ার্ড মাস্টার মো. রিয়াজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এক নারী রোগীর মৃত্যুর সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে তাঁর স্বজনদের সঙ্গে বহিরাগত ব্যক্তিরাও ওয়ার্ডে জড়ো হয়ে সহিংসতা শুরু করেন। চিকিৎসকদের ওপর হামলার খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ও ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের বিতাড়িত করেন। পাশাপাশি হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁরা জরুরি বিভাগের সব গেট বন্ধ করে দেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হাসপাতালে সেনাবাহিনী, র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত হন। ভোর থেকে আবার চিকিৎসাসেবা চালু হয়।
এ বিষয়ে হাসপাতালের এক চিকিৎসক বলেন, রোগী মারা গেলে স্বজনদের মধ্যে আবেগ কাজ করতেই পারে। তারা লিখিত অভিযোগ করতে পারেন। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই চিকিৎসকের ওপর হাত তোলা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ছাড়া এই ঘটনা কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। এই ধরনের ঘটনা আগেও ঢাকা মেডিকেলে ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
এদিকে শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম জানান, চিকিৎসক মারধরের ঘটনায় চার থেকে পাঁচজনকে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পরিমিত ঘুমাচ্ছেন, খাবারেরও নেই সমস্যা তবুও যেন ক্লান্তি পিছু ছাড়ে না। বসা থেকে উঠতেই মাথা চক্কর দেওয়ার অনুভূতি হয়। কিছুটা সিঁড়ি বেয়ে উঠলে বা পরিশ্রমের কাজ করলে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়ে যায়। পরিচিত লাগছে এসব সমস্যা? যদি এসব সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে ভাবনারই বিষয় বলা যায়।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
৫ দিন আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
৫ দিন আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৫ দিন আগে