
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে মাদক, দেশীয় অস্ত্র ও নগদ অর্থসহ ছয়জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দিবাগত গভীর রাতে পরিচালিত এ অভিযানে ১০ হাজারের বেশি ইয়াবা, গাঁজা, হেরোইন, সামুরাই ছুরি এবং মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অভিযানের বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গতকাল দিবাগত রাত ১টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত মোহাম্মদপুর আর্মি ক্যাম্পের সদস্যরা আদাবর থানার সুনিবিড় হাউজিং এলাকা এবং মোহাম্মদপুর থানার জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করেন।
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে আদাবরের সুনিবিড় হাউজিং এলাকায় অভিযান চালিয়ে মহাবুব (৩৮), সুমন (৩৮), রাসেল (২৯), মোমিন (৩১), সাইদুল (২৭) ও মুকুল (৩৫) নামের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৩০টি ইয়াবা, ৩৯টি সিমকার্ড এবং দুটি বড় ধারালো সামুরাই ছুরি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা নিয়মিত মাদক কারবারি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভোর ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় দ্বিতীয় দফা অভিযান চালায় সেনাবাহিনী। সেনাসদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বাসার ছাদ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ১০ হাজারটি ইয়াবা, ৭৮০ পুরিয়া ও ৬০০ গ্রাম গাঁজা, ২৩০ পুরিয়া হেরোইন, এক বোতল বিদেশি মদ, একটি ওজন মাপার মেশিন, মাদক বিক্রির নগদ ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা এবং পাঁচটি সিসিটিভি ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়।
সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে সেনাবাহিনীর এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

পরিমিত ঘুমাচ্ছেন, খাবারেরও নেই সমস্যা তবুও যেন ক্লান্তি পিছু ছাড়ে না। বসা থেকে উঠতেই মাথা চক্কর দেওয়ার অনুভূতি হয়। কিছুটা সিঁড়ি বেয়ে উঠলে বা পরিশ্রমের কাজ করলে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয়ে যায়। পরিচিত লাগছে এসব সমস্যা? যদি এসব সমস্যায় ভুগে থাকেন তাহলে ভাবনারই বিষয় বলা যায়।
১ দিন আগে
বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
৫ দিন আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
৫ দিন আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৫ দিন আগে