চোখে আঘাত বলতে অক্ষিগোলক ও তার পাশের জায়গার আঘাতকে বোঝায়। চোখে বিভিন্ন কারণে আঘাত লাগতে পারে। এ কারণে দৃষ্টিশক্তি চিরতরে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
আঘাতের কারণ
» হঠাৎ খোঁচা লাগা
» চোখে ধুলাবালি বা রাসায়নিক বস্তু ঢুকে যাওয়া
» খেলাধুলা ও দুর্ঘটনা
» এয়ারগান, পেলেট গান এবং পেন্ট বলের আঘাত
» আতশবাজি বা ধোঁয়া
প্রতিকার
» চোখে ধুলাবালি পড়লে
» স্যালাইন দ্রবণ বা পরিষ্কার পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলুন।
» চোখের পাতার নিচে আটকে থাকা কণাগুলো ব্রাশ করার জন্য নিজের চোখের পাতার ওপর ওপরের চোখের পাতাটি টানুন। সব কণা অপসারণ হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের সহায়তা নিন।
যা করবেন না
» চোখ ঘষবেন না। এতে চোখের মণির ক্ষতি হতে পারে।
» চোখে কিছু পড়লে
» সম্ভব হলে চোখ ঢেকে রাখুন।
» দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
যা করবেন না
» চোখ ঘষবেন না।
» চোখে ব্যান্ডেজ করা থেকে বিরত থাকুন।
চোখে রাসায়নিক ঢুকে গেলে
» পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করুন।
» সম্ভব হলে রাসায়নিক বস্তুটি শনাক্ত করুন।
» অবিলম্বে চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
ভোঁতা আঘাতের জন্য
» হালকা করে ঠান্ডা কম্প্রেশন প্রয়োগ করুন।
» চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
যা করবেন না
» চোখে চাপ দেবেন না।
বিপদ চিহ্ন
যা হলে চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে
» দৃষ্টি ঝাপসা লাগলে
» চোখে প্রচণ্ড ব্যথা হলে
» চোখ অনেক ফুলে গেলে
» হঠাৎ সবকিছু দুটো করে দেখা শুরু করলে
» কোনো ক্ষত নজরে এলে বা রক্তক্ষরণ হলে।
লেখক: কনসালট্যান্ট (চক্ষু), দীন মোহাম্মদ আই হসপিটাল, সোবহানবাগ, ঢাকা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময় হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু নেই। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮০ জনে।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে সংক্রামক রোগ হাম ও এই রোগের উপসর্গে গত দেড় মাসে পৌনে তিন শ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের প্রায় শতভাগই শিশু। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। টিকাদানে ঘাটতিসহ বিভিন্ন কারণে চলতি বছর দেশে হাম খুব দ্রুত এবং বড় আকারে ছড়িয়ে পড়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৮৪ জনের। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২৭ জনে।
১ দিন আগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী মাসের ৫ তারিখে সারা দেশে ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা ছিল। আমি সেটা ১৪ দিন এগিয়ে এনেছি। আমরা যখন হামের টিকা হাতে পেয়েছি, নির্ধারিত সময়ের জন্য আর অপেক্ষা করিনি। আমরা ২০ এপ্রিল থেকে কাজ শুরু করে দিয়েছি।’
১ দিন আগে