ভিটামিন ও মিনারেল খাদ্যের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি সাধারণত শরীরের ভেতরে তৈরি হয় না, খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ করা যায়। দেহের পরিপূর্ণ বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ও মিনারেলের গুরুত্ব অপরিসীম।
কার্যক্ষমতাভেদে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল শরীরের বিভিন্ন কাজ ও ঘাটতি পূরণ করে থাকে। আমাদের খাদ্যতালিকায় দুই প্রকারের ভিটামিন পাওয়া যায়। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন সি জলে দ্রাব্য ভিটামিন। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং ভিটামিন কে স্নেহ দ্রাব্য ভিটামিন। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় মিনারেলের মধ্যে আছে ক্যালসিয়াম, ক্লোরাইড, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, সালফার। তা ছাড়া কিছু ট্রেস ইলিমেন্ট নামে পরিচিত মিনারেল আছে, যেগুলো শরীরের ভেতর পাওয়া যায়। যেমন আয়রন, জিংক, আয়োডিন, কপার, সেলেনিয়াম। বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেলের কাজ:
ভিটামিন এ
দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় ভিটামিন এ অপরিহার্য। এ ছাড়া শারীরিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে এটি সহযোগিতা করে থাকে। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ভিটামিন।
উৎস: বিভিন্ন ধরনের রঙিন শাকসবজি, যেমন গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, টমেটো, লাউ, ফুলকপিতে এটি পাওয়া যায়। এর প্রাণিজ উৎসের মধ্যে আছে দুধ, ডিমের কুসুম, কলিজা ইত্যাদি।
ভিটামিন ডি
দেহের অস্থি ও দাঁতের গঠনে এটি অত্যাবশ্যকীয়। এ ছাড়া এটি রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে থাকে।
উৎস: সূর্যের আলো ভিটামিন ডির প্রধান উৎস। খাদ্যের মধ্যে আছে মাছের তেল, রেড মিট, কলিজা ও ডিমের কুসুম।
ভিটামিন ই
এটি অন্যতম অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ভিটামিন। দেহে উৎপাদিত ক্ষতিকর পদার্থকে নিঃসরণে ও রোগ প্রতিরোধে এটি কাজ করে।
উৎস: সবুজ শাকসবজি, বীজ, বাদাম, ভেজিটেবল অয়েল এটির প্রধান উৎস।
ভিটামিন কে
রক্তক্ষরণ প্রতিরোধ ও অস্থি গঠনে এটি সাহায্য করে।
উৎস: সবুজ শাকসবজি, ফল, ভেজিটেবল অয়েল, ডাল শস্যে এটি পাওয়া যায়।
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
আমাদের দেহে আট প্রকারের ভিটামিন বি রয়েছে। এদের একসঙ্গে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বলা হয়। এরা মূলত খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদন ও শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
উৎস: বিভিন্ন ধরনের শস্য, বীজ, ডাল, সবজি, মাছ, রেড ও হোয়াইট মিট, ডিম ও দুধ থেকে তৈরি খাবারে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পাওয়া যায়।
ভিটামিন সি
দেহের ক্ষত পূরণ, দাঁত ও অস্থি গঠনে এটি কাজ করে। এটিও একটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ভিটামিন। দেহকে ক্ষতিকর পদার্থ থেকে রক্ষা করতে ও তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
উৎস: টকজাতীয় ফল—কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি, পেয়ারা, টমেটো, বিভিন্ন সবজি ও আলু থেকে এটি পাওয়া যায়।
দেহের প্রধান মিনারেলগুলো, যেমন সোডিয়াম, ক্লোরাইড, পটাশিয়াম দেহের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম সুস্থ ও দৃঢ় অস্থি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ। আয়রন দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহে সহায়তা করে। ফ্লোরাইড দাঁত ও অস্থি গঠনে সাহায্য করে। জিংক রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
লেখক: প্রভাষক, বিক্রমপুর ভূঁইয়া মেডিকেল কলেজ।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৬৪ জনে। বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকা ও সিলেটে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
১৯ ঘণ্টা আগে
দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩০৭ জন হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ২ হাজার ১৬৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। চলতি বছরে হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে চলতি বছর হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৬২ জনে।
২ দিন আগে
দেশে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ জনে দাঁড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজনের মৃত্যু ও ২ হাজার ১৯৩ জনের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯৯ হাজার ২৭৫ জন।
২ দিন আগে