ডা. গৈরিকা রায় গোস্বামী

ভিটামিন ও মিনারেল খাদ্যের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি সাধারণত শরীরের ভেতরে তৈরি হয় না, খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ করা যায়। দেহের পরিপূর্ণ বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ও মিনারেলের গুরুত্ব অপরিসীম।
কার্যক্ষমতাভেদে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল শরীরের বিভিন্ন কাজ ও ঘাটতি পূরণ করে থাকে। আমাদের খাদ্যতালিকায় দুই প্রকারের ভিটামিন পাওয়া যায়। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন সি জলে দ্রাব্য ভিটামিন। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং ভিটামিন কে স্নেহ দ্রাব্য ভিটামিন। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় মিনারেলের মধ্যে আছে ক্যালসিয়াম, ক্লোরাইড, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, সালফার। তা ছাড়া কিছু ট্রেস ইলিমেন্ট নামে পরিচিত মিনারেল আছে, যেগুলো শরীরের ভেতর পাওয়া যায়। যেমন আয়রন, জিংক, আয়োডিন, কপার, সেলেনিয়াম। বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেলের কাজ:
ভিটামিন এ
দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় ভিটামিন এ অপরিহার্য। এ ছাড়া শারীরিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে এটি সহযোগিতা করে থাকে। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ভিটামিন।
উৎস: বিভিন্ন ধরনের রঙিন শাকসবজি, যেমন গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, টমেটো, লাউ, ফুলকপিতে এটি পাওয়া যায়। এর প্রাণিজ উৎসের মধ্যে আছে দুধ, ডিমের কুসুম, কলিজা ইত্যাদি।
ভিটামিন ডি
দেহের অস্থি ও দাঁতের গঠনে এটি অত্যাবশ্যকীয়। এ ছাড়া এটি রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে থাকে।
উৎস: সূর্যের আলো ভিটামিন ডির প্রধান উৎস। খাদ্যের মধ্যে আছে মাছের তেল, রেড মিট, কলিজা ও ডিমের কুসুম।
ভিটামিন ই
এটি অন্যতম অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ভিটামিন। দেহে উৎপাদিত ক্ষতিকর পদার্থকে নিঃসরণে ও রোগ প্রতিরোধে এটি কাজ করে।
উৎস: সবুজ শাকসবজি, বীজ, বাদাম, ভেজিটেবল অয়েল এটির প্রধান উৎস।
ভিটামিন কে
রক্তক্ষরণ প্রতিরোধ ও অস্থি গঠনে এটি সাহায্য করে।
উৎস: সবুজ শাকসবজি, ফল, ভেজিটেবল অয়েল, ডাল শস্যে এটি পাওয়া যায়।
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
আমাদের দেহে আট প্রকারের ভিটামিন বি রয়েছে। এদের একসঙ্গে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বলা হয়। এরা মূলত খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদন ও শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
উৎস: বিভিন্ন ধরনের শস্য, বীজ, ডাল, সবজি, মাছ, রেড ও হোয়াইট মিট, ডিম ও দুধ থেকে তৈরি খাবারে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পাওয়া যায়।
ভিটামিন সি
দেহের ক্ষত পূরণ, দাঁত ও অস্থি গঠনে এটি কাজ করে। এটিও একটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ভিটামিন। দেহকে ক্ষতিকর পদার্থ থেকে রক্ষা করতে ও তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
উৎস: টকজাতীয় ফল—কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি, পেয়ারা, টমেটো, বিভিন্ন সবজি ও আলু থেকে এটি পাওয়া যায়।
দেহের প্রধান মিনারেলগুলো, যেমন সোডিয়াম, ক্লোরাইড, পটাশিয়াম দেহের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম সুস্থ ও দৃঢ় অস্থি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ। আয়রন দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহে সহায়তা করে। ফ্লোরাইড দাঁত ও অস্থি গঠনে সাহায্য করে। জিংক রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
লেখক: প্রভাষক, বিক্রমপুর ভূঁইয়া মেডিকেল কলেজ।

ভিটামিন ও মিনারেল খাদ্যের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। এটি সাধারণত শরীরের ভেতরে তৈরি হয় না, খাদ্যের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলের চাহিদা পূরণ করা যায়। দেহের পরিপূর্ণ বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ও মিনারেলের গুরুত্ব অপরিসীম।
কার্যক্ষমতাভেদে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল শরীরের বিভিন্ন কাজ ও ঘাটতি পূরণ করে থাকে। আমাদের খাদ্যতালিকায় দুই প্রকারের ভিটামিন পাওয়া যায়। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ও ভিটামিন সি জলে দ্রাব্য ভিটামিন। ভিটামিন এ, ডি, ই এবং ভিটামিন কে স্নেহ দ্রাব্য ভিটামিন। এ ছাড়া প্রয়োজনীয় মিনারেলের মধ্যে আছে ক্যালসিয়াম, ক্লোরাইড, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, সোডিয়াম, সালফার। তা ছাড়া কিছু ট্রেস ইলিমেন্ট নামে পরিচিত মিনারেল আছে, যেগুলো শরীরের ভেতর পাওয়া যায়। যেমন আয়রন, জিংক, আয়োডিন, কপার, সেলেনিয়াম। বিভিন্ন ভিটামিন ও মিনারেলের কাজ:
ভিটামিন এ
দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় ভিটামিন এ অপরিহার্য। এ ছাড়া শারীরিক বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধে এটি সহযোগিতা করে থাকে। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ভিটামিন।
উৎস: বিভিন্ন ধরনের রঙিন শাকসবজি, যেমন গাজর, পালংশাক, মিষ্টি আলু, টমেটো, লাউ, ফুলকপিতে এটি পাওয়া যায়। এর প্রাণিজ উৎসের মধ্যে আছে দুধ, ডিমের কুসুম, কলিজা ইত্যাদি।
ভিটামিন ডি
দেহের অস্থি ও দাঁতের গঠনে এটি অত্যাবশ্যকীয়। এ ছাড়া এটি রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে থাকে।
উৎস: সূর্যের আলো ভিটামিন ডির প্রধান উৎস। খাদ্যের মধ্যে আছে মাছের তেল, রেড মিট, কলিজা ও ডিমের কুসুম।
ভিটামিন ই
এটি অন্যতম অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ভিটামিন। দেহে উৎপাদিত ক্ষতিকর পদার্থকে নিঃসরণে ও রোগ প্রতিরোধে এটি কাজ করে।
উৎস: সবুজ শাকসবজি, বীজ, বাদাম, ভেজিটেবল অয়েল এটির প্রধান উৎস।
ভিটামিন কে
রক্তক্ষরণ প্রতিরোধ ও অস্থি গঠনে এটি সাহায্য করে।
উৎস: সবুজ শাকসবজি, ফল, ভেজিটেবল অয়েল, ডাল শস্যে এটি পাওয়া যায়।
ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
আমাদের দেহে আট প্রকারের ভিটামিন বি রয়েছে। এদের একসঙ্গে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বলা হয়। এরা মূলত খাদ্য থেকে শক্তি উৎপাদন ও শারীরিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
উৎস: বিভিন্ন ধরনের শস্য, বীজ, ডাল, সবজি, মাছ, রেড ও হোয়াইট মিট, ডিম ও দুধ থেকে তৈরি খাবারে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স পাওয়া যায়।
ভিটামিন সি
দেহের ক্ষত পূরণ, দাঁত ও অস্থি গঠনে এটি কাজ করে। এটিও একটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ভিটামিন। দেহকে ক্ষতিকর পদার্থ থেকে রক্ষা করতে ও তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
উৎস: টকজাতীয় ফল—কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি, পেয়ারা, টমেটো, বিভিন্ন সবজি ও আলু থেকে এটি পাওয়া যায়।
দেহের প্রধান মিনারেলগুলো, যেমন সোডিয়াম, ক্লোরাইড, পটাশিয়াম দেহের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেশিয়াম সুস্থ ও দৃঢ় অস্থি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ। আয়রন দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহে সহায়তা করে। ফ্লোরাইড দাঁত ও অস্থি গঠনে সাহায্য করে। জিংক রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
লেখক: প্রভাষক, বিক্রমপুর ভূঁইয়া মেডিকেল কলেজ।

নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
আমরা আমাদের জীবনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সময় ঘুমিয়ে কাটাই। অথচ আমরা কীভাবে ঘুমাচ্ছি, তার ওপর আমাদের মেরুদণ্ডের স্বাস্থ্য, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং ঘুমের মান গভীরভাবে নির্ভরশীল।
৪ ঘণ্টা আগে
কখনো কি আয়নার দিকে তাকিয়ে মনে হয়েছে, বয়সের তুলনায় ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ছে বেশি? আমেরিকান একাডেমি অব ডার্মাটোলজির তথ্যমতে, ২৫ থেকে ৬৫ বছর বয়সী প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ ব্রণ, দাগ, শুষ্কতা, নিষ্প্রভতা ও অকাল বার্ধক্যের মতো ত্বকের সমস্যায় ভোগেন।
৫ ঘণ্টা আগে