
ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি বিভাগ, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল মাথাব্যথা দ্রুত নিরাময়ের জন্য বিভিন্ন বেদনানাশক ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। এসব বেদনানাশক ওষুধের সঙ্গে অবশ্যই পেপটিক আলসারনিরোধী ওষুধ খেতে হবে। এ ধরনের ওষুধ অতিরিক্ত খেলেও মাথাব্যথা হতে পারে। তাই খুব প্রয়োজন ছাড়া বেদনানাশক ওষুধ খাবেন না।
প্রোফাইলেকটিক চিকিৎসা
বারবার মাথাব্যথা যেন না হয় এবং ব্যথার তীব্রতা যেন কম থাকে, সে জন্য দীর্ঘমেয়াদি যেসব ওষুধ খেতে হয়, তা-ই প্রোফাইলেকটিক চিকিৎসা। ওষুধের পাশাপাশি কিছু অভ্যাসও পরিবর্তন করতে হবে। অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান, চা-কফি পান, অনিয়মিত ও অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাওয়া, রোদ বা অতিরিক্ত উষ্ণ আবহাওয়া, অতিরিক্ত শারীরিক, মানসিক পরিশ্রম, ক্ষুধার্ত থাকা এবং যেকোনো ধরনের মানসিক চাপ মাথাব্যথার কারণ। তাই এসব অভ্যাস পরিবর্তন বা সমাধান করলে মাথাব্যথা অনেকাংশে কমে যাবে।
সেকেন্ডারি হেডেক
সেকেন্ডারি হেডেকের চিকিৎসার জন্য সাধারণত যে কারণে মাথাব্যথা হচ্ছে, সে কারণের চিকিৎসা করাতে হবে। এ জন্য একজন নিউরোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে সে অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে।


দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ও এক শিশুর হামে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সবশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল রোববার...
১ ঘণ্টা আগে
হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সারা দেশে শুরু হওয়া টিকাদান কর্মসূচিতে জনবল ও চিকিৎসাসামগ্রী দিচ্ছে ব্র্যাক। এই টিকাদান কর্মসূচিতে ব্র্যাকের পক্ষ থেকে ১৫ লাখ সিরিঞ্জ সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের ৩৬টি জেলায় ব্র্যাকের ২৪ হাজারের বেশি স্বাস্থ্যসেবিকা শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসতে সহায়তা করবেন।
২ ঘণ্টা আগে
হামের কারণে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করতে হবে, এমন পরিস্থিতি নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এখন যে অবস্থা, সেটাকে মহামারি বলা যাবে না। হামে প্রথম শিশু মৃত্যুর পর পরই সরকার আইসিইউর ব্যবস্থা করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আজ সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে বিশেষ জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি। এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের তৃতীয় ধাপে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
১০ ঘণ্টা আগে