
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ছয় শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ও দুই শিশুর হামে মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত।
সরকারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৪ শিশুর। তাদের মধ্যে ঢাকায় সর্বোচ্চ ২০টি, বরিশালে ৫টি, চট্টগ্রামে ৪টি, রাজশাহীতে ৩টি এবং ময়মনসিংহে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের লক্ষণ নিয়ে সারা দেশে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭২ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯২ জনের। একই সময়ে হামের লক্ষণ নিয়ে ১ হাজার ১৯১ জন রোগী হাসপাতালে এসেছে, যাদের মধ্যে ৮১১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই সময়ে সবচেয়ে বেশি ৩৫৮ জন ভর্তি হয়েছে ঢাকার হাসপাতালগুলোয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আসা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৩৫২ জনে। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১৩ হাজার ১২৯ জন। একই সময়ে ৩ হাজার ৬৫ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে একটি শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি দুই শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৬৬ শিশু, আর হাম শনাক্ত হয়েছে ৭৬ জনের।
১ দিন আগে
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আজ ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডা. শংকর কে দেখতে গিয়ে এ কথা জানান।
২ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে এক শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বাকি আট শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে। একই সময় হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৯৮ শিশু, আর হাম শনাক্ত হয়েছে ১৭৬ জনের।
২ দিন আগে
আট বছর বয়সী মোহাম্মদ আমিনের মৃত্যুর দৃশ্যটি তার মা সুঘরার স্মৃতিতে আজও দগদগে। প্রচণ্ড জ্বরে যখন আমিনের শরীর পুড়ছিল, সে বৃষ্টির মধ্যে গিয়ে শুয়ে থাকতে চাইত। ‘ফুটন্ত তেলে ফেলে দেওয়া মাছের মতো’ যন্ত্রণায় ছটফট করত। মৃত্যুর ঠিক আগমুহূর্তে ধরা পড়ে, আমিন এইচআইভি পজিটিভ।
২ দিন আগে