যা খাবেন
পানি: ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীর দুর্বল হয়, বমি হয় ও মাথা ঘোরে। পানি শূন্যতা ও লবণের ঘাটতি পূরণের জন্য ওরস্যালাইন খেতে হবে। এ ছাড়া বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত ঘনঘন।
দই: দইয়ে ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা ডায়রিয়া রোধ করতে সাহায্য করে।
কলা: পুষ্টি ফিরিয়ে আনতে কলা অনেক কার্যকর। এটি খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। তাই এটি পেটের ব্যথাও দূর করে।
খিচুড়ি: ডায়রিয়া হলে কম তেলে মসলা ছাড়া ঘরে তৈরি পাতলা খিচুড়ি খেলে পেট ঠান্ডা থাকবে এবং শরীরের শক্তি ফিরে আসবে।
আলু: সামান্য লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে আলু সেদ্ধ করে বা ভর্তা করে খেলে ডায়রিয়ায় উপকার পাওয়া যায়।
ফলের রস: পানির পাশাপাশি কমলা, মালটা, ডাব, ডালিম কিংবা তরমুজের জুস শরীরে পানির মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং মাথা ঘোরানো থেকে মুক্তি দেয়।
যা খাবেন না
দুধ: ডায়রিয়া থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত দুধ বা দুধজাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। দুধ হজমে সমস্যা করে এবং পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে।
চা বা কফি: ক্যাফেইনজাতীয় পানীয় ডায়রিয়া হলে খাওয়া উচিত নয়। চা বা কফির পরিবর্তে আদা–চা খাওয়া যেতে পারে।
ঝাল বা তৈলাক্ত খাবার: ডায়রিয়ার সময় ডুবো তেলে ভাজা বা ঝাল মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। ঝাল বা ভাজা খাবার খেলে পেটে গ্যাস
হতে পারে।
মেনে চলুন
• মলত্যাগে স্যানিটারি ল্যাট্রিন ব্যবহার করুন।
• পায়খানা করার পরে ও খাওয়ার আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।
• খাবার তৈরি করার সময় ও পরিবেশন করার আগে হাত ধুয়ে নিন। খাবার আগে ব্যবহার্য থালা-বাসন, চামচ-বাটি ইত্যাদি ভালো করে ধুয়ে নিন।
• ওরস্যালাইন ঘরে রাখুন।
• বাসি-পচা খাবার, মাছি বসা খাবার এবং বাইরের খোলা খাবার, শরবত বা ফলের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
• রান্না করা খাবার বেশিক্ষণ বাইরে রেখে দিলে তাতে রোগ-জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই খাবার খেয়ে নিন গরম-গরম।
•পরিষ্কার পাত্রে রাখা টিউবওয়েলের নিরাপদ পানি কিংবা ফোটানো পানি ঠান্ডা করে পান করুন।
• পানি ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় ফোটাতে হবে। পানি ঠান্ডা হলে মাটির কলস বা কাচের জার বা বোতলে রাখুন। পানি রাখার জন্য প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার না করাই ভালো।
• ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না।
• পরিমিত খাবার খান।
লেখক: সাবেক অধ্যাপক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। গত ৫০ দিনে (১৫ মার্চ থেকে) হাম ও উপসর্গে ৩১১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
২ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে। অন্যদিকে হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫৯ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৩১১।
৩ ঘণ্টা আগে
আটলান্টিক মহাসাগরে ‘এমভি হোন্ডিয়াস’ নামে একটি প্রমোদতরিতে হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি বলছে, এখন পর্যন্ত একজনের শরীরে হান্টাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং আরও পাঁচজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
৯ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে। অন্যদিকে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৪ জনে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯৪।
১ দিন আগে