ডা. আমির হোসেন

যা খাবেন
পানি: ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীর দুর্বল হয়, বমি হয় ও মাথা ঘোরে। পানি শূন্যতা ও লবণের ঘাটতি পূরণের জন্য ওরস্যালাইন খেতে হবে। এ ছাড়া বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত ঘনঘন।
দই: দইয়ে ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা ডায়রিয়া রোধ করতে সাহায্য করে।
কলা: পুষ্টি ফিরিয়ে আনতে কলা অনেক কার্যকর। এটি খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। তাই এটি পেটের ব্যথাও দূর করে।
খিচুড়ি: ডায়রিয়া হলে কম তেলে মসলা ছাড়া ঘরে তৈরি পাতলা খিচুড়ি খেলে পেট ঠান্ডা থাকবে এবং শরীরের শক্তি ফিরে আসবে।
আলু: সামান্য লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে আলু সেদ্ধ করে বা ভর্তা করে খেলে ডায়রিয়ায় উপকার পাওয়া যায়।
ফলের রস: পানির পাশাপাশি কমলা, মালটা, ডাব, ডালিম কিংবা তরমুজের জুস শরীরে পানির মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং মাথা ঘোরানো থেকে মুক্তি দেয়।
যা খাবেন না
দুধ: ডায়রিয়া থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত দুধ বা দুধজাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। দুধ হজমে সমস্যা করে এবং পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে।
চা বা কফি: ক্যাফেইনজাতীয় পানীয় ডায়রিয়া হলে খাওয়া উচিত নয়। চা বা কফির পরিবর্তে আদা–চা খাওয়া যেতে পারে।
ঝাল বা তৈলাক্ত খাবার: ডায়রিয়ার সময় ডুবো তেলে ভাজা বা ঝাল মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। ঝাল বা ভাজা খাবার খেলে পেটে গ্যাস
হতে পারে।
মেনে চলুন
• মলত্যাগে স্যানিটারি ল্যাট্রিন ব্যবহার করুন।
• পায়খানা করার পরে ও খাওয়ার আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।
• খাবার তৈরি করার সময় ও পরিবেশন করার আগে হাত ধুয়ে নিন। খাবার আগে ব্যবহার্য থালা-বাসন, চামচ-বাটি ইত্যাদি ভালো করে ধুয়ে নিন।
• ওরস্যালাইন ঘরে রাখুন।
• বাসি-পচা খাবার, মাছি বসা খাবার এবং বাইরের খোলা খাবার, শরবত বা ফলের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
• রান্না করা খাবার বেশিক্ষণ বাইরে রেখে দিলে তাতে রোগ-জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই খাবার খেয়ে নিন গরম-গরম।
•পরিষ্কার পাত্রে রাখা টিউবওয়েলের নিরাপদ পানি কিংবা ফোটানো পানি ঠান্ডা করে পান করুন।
• পানি ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় ফোটাতে হবে। পানি ঠান্ডা হলে মাটির কলস বা কাচের জার বা বোতলে রাখুন। পানি রাখার জন্য প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার না করাই ভালো।
• ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না।
• পরিমিত খাবার খান।
লেখক: সাবেক অধ্যাপক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

যা খাবেন
পানি: ডায়রিয়ার কারণে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায়। ফলে শরীর দুর্বল হয়, বমি হয় ও মাথা ঘোরে। পানি শূন্যতা ও লবণের ঘাটতি পূরণের জন্য ওরস্যালাইন খেতে হবে। এ ছাড়া বিশুদ্ধ পানি পান করা উচিত ঘনঘন।
দই: দইয়ে ভালো ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা ডায়রিয়া রোধ করতে সাহায্য করে।
কলা: পুষ্টি ফিরিয়ে আনতে কলা অনেক কার্যকর। এটি খুব সহজেই হজম হয়ে যায়। তাই এটি পেটের ব্যথাও দূর করে।
খিচুড়ি: ডায়রিয়া হলে কম তেলে মসলা ছাড়া ঘরে তৈরি পাতলা খিচুড়ি খেলে পেট ঠান্ডা থাকবে এবং শরীরের শক্তি ফিরে আসবে।
আলু: সামান্য লবণ ও গোলমরিচের গুঁড়া দিয়ে আলু সেদ্ধ করে বা ভর্তা করে খেলে ডায়রিয়ায় উপকার পাওয়া যায়।
ফলের রস: পানির পাশাপাশি কমলা, মালটা, ডাব, ডালিম কিংবা তরমুজের জুস শরীরে পানির মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে এবং মাথা ঘোরানো থেকে মুক্তি দেয়।
যা খাবেন না
দুধ: ডায়রিয়া থেকে সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত দুধ বা দুধজাতীয় খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। দুধ হজমে সমস্যা করে এবং পেটে গ্যাস তৈরি করতে পারে।
চা বা কফি: ক্যাফেইনজাতীয় পানীয় ডায়রিয়া হলে খাওয়া উচিত নয়। চা বা কফির পরিবর্তে আদা–চা খাওয়া যেতে পারে।
ঝাল বা তৈলাক্ত খাবার: ডায়রিয়ার সময় ডুবো তেলে ভাজা বা ঝাল মসলাদার খাবার এড়িয়ে চলুন। ঝাল বা ভাজা খাবার খেলে পেটে গ্যাস
হতে পারে।
মেনে চলুন
• মলত্যাগে স্যানিটারি ল্যাট্রিন ব্যবহার করুন।
• পায়খানা করার পরে ও খাওয়ার আগে অবশ্যই সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।
• খাবার তৈরি করার সময় ও পরিবেশন করার আগে হাত ধুয়ে নিন। খাবার আগে ব্যবহার্য থালা-বাসন, চামচ-বাটি ইত্যাদি ভালো করে ধুয়ে নিন।
• ওরস্যালাইন ঘরে রাখুন।
• বাসি-পচা খাবার, মাছি বসা খাবার এবং বাইরের খোলা খাবার, শরবত বা ফলের রস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
• রান্না করা খাবার বেশিক্ষণ বাইরে রেখে দিলে তাতে রোগ-জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই খাবার খেয়ে নিন গরম-গরম।
•পরিষ্কার পাত্রে রাখা টিউবওয়েলের নিরাপদ পানি কিংবা ফোটানো পানি ঠান্ডা করে পান করুন।
• পানি ফুটিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হলে ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় ফোটাতে হবে। পানি ঠান্ডা হলে মাটির কলস বা কাচের জার বা বোতলে রাখুন। পানি রাখার জন্য প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার না করাই ভালো।
• ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাবেন না।
• পরিমিত খাবার খান।
লেখক: সাবেক অধ্যাপক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগে