সাইনাসের যন্ত্রণায় অনেকেই কাবু হয়ে যান। ঠান্ডা সহ্য করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে সাইনাসের রোগীদের ক্ষেত্রে। নাক, চোখ ও মাথাব্যথার জন্য সাইনাসে আক্রান্ত রোগীদের কষ্ট পেতে হয়।সাইনোসাইটিস দুই প্রকার—তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী।
দীর্ঘস্থায়ী সাইনোসাইটিসের জন্য অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হয়। তবে তীব্র সাইনোসাইটিসের ক্ষেত্রে ঘরোয়া কিছু উপায় মানলে মুহূর্তে তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
সাইনাস সংক্রমণ ডাস্ট অ্যালার্জি, বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বা ধোঁয়ার কারণে হতে পারে। সাইনাস সংক্রমণ হলে মাথাব্যথা, কান, দাঁত, জ্বর, ফোলাভাব, গলাব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়।
সংক্রমণ প্রতিরোধ
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি-জাতীয় খাবার খেলে সংক্রমণের বিরুদ্ধে একটি প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব।এ ছাড়া কিছু ঘরোয়া উপায়ের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক মুক্তি যাওয়া
যায়। যেমন:
জটিলতা
সাইনোসাইটিসের যথাযথ চিকিৎসা না করালে অনেক সময় জটিলতা দেখা দিতে পারে। যেমন:
সাইনোসাইটিসের সমস্যা দেখা গেলে যত দ্রুত সম্ভব একজন নাক, কান, গলারোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
লেখক: রেসিডেন্ট চিকিৎসক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দুই মাসের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেল। রোগটির প্রকোপ ঠেকাতে টিকাদান কর্মসূচি চললেও আক্রান্ত আর মৃত্যুর সংখ্যা কমার কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়। এই অবস্থায় হামের প্রাদুর্ভাবকে ‘স্বাস্থ্যের জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা বা মহামারি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত জরুরি...
৯ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ২০৫ জনের। একই সময়ে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৫০৩ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৭৮ জন।
১৬ ঘণ্টা আগে
একসময়ের ‘হামমুক্ত’ জাপানে পুনরায় এই ভাইরাসের থাবা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এপ্রিলের শেষ নাগাদ ৪৩৬ জন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কেবল একটি সাধারণ প্রাদুর্ভাব নয়, বরং এটি জাপানের গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধক্ষমতার (হার্ড ইমিউনিটি) দুর্বলতাকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।
১ দিন আগে