ডা. মেহ্রান হোসেন

‘অ্যাকুয়াজেনিক আর্টিক্যারিয়া’ নামে একধরনের অ্যালার্জি আছে। এর কারণে বৃষ্টির পানি হাতে-পায়ে লাগলে লাল দানা উঠে চুলকানি শুরু হয়। অনেকক্ষণ চুলকানোর পর ঠিক হয়। গোসল করলে, কাপড় বা থালা-বাটি ধুলেও চুলকানি শুরু হয়। মোটকথা, গায়ে পানি পড়লেই চুলকানি হবে। এ ধরনের চুলকানির সঙ্গে পানির তাপমাত্রার কোনো সম্পর্ক নেই। লাল দানাগুলোর আকার হতে পারে ১ থেকে ৩ মিলিমিটার পর্যন্ত। শরীরের ওপরের অংশে এগুলো বেশি পরিমাণে ওঠে। বিশেষ করে গলায়, ঘাড়ে ও হাতে। এ সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নেহাত কম নয়।
এ ধরনের রোগীরা গোসলের আগে অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। আর হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজলে বাসায় ফিরে অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। শরীরে দানা উঠলে মমেটাসন, হাইড্রোকর্টিসন ক্রিমও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এগুলো মুখে লাগানো যাবে না।
পানির সংস্পর্শে এলে ত্বকে একধরনের প্রতিক্রিয়া থেকে অ্যালার্জি হতে পারে। পারিবারিক ইতিহাসের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। রোগটি ছোঁয়াচেও নয়। যাঁদের ত্বক বেশি সংবেদনশীল, তাঁরাই এতে আক্রান্ত হন।
এখনো ‘অ্যাকুয়াজেনিক আর্টিক্যারিয়া’র স্থায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি বের হয়নি। উপশমের জন্যই চিকিৎসা দেওয়া হয়। পানি এড়িয়ে চলা ছাড়া এর প্রতিরোধ সম্ভব নয়।
পানির সংস্পর্শ এড়াতে যা করতে পারেন
অনেক সময় শীতকালে পানির তাপমাত্রা কম হলেও হাতে লাল লাল দানা ওঠে। সকালে ও রাতে পানি ধরলেই চুলকানি শুরু হয়। এর সঙ্গে ‘অ্যাকুয়াজেনিক আর্টিক্যারিয়া’র সম্পর্ক নেই। এটা একধরনের ঠান্ডাজনিত অ্যালার্জি। এর কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। এটা যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটা ঠিক হয়ে যায়। এ ধরনের অ্যালার্জিতে যতটা সম্ভব শরীর গরম রাখার চেষ্টা করতে হবে।
লেখক: চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ

‘অ্যাকুয়াজেনিক আর্টিক্যারিয়া’ নামে একধরনের অ্যালার্জি আছে। এর কারণে বৃষ্টির পানি হাতে-পায়ে লাগলে লাল দানা উঠে চুলকানি শুরু হয়। অনেকক্ষণ চুলকানোর পর ঠিক হয়। গোসল করলে, কাপড় বা থালা-বাটি ধুলেও চুলকানি শুরু হয়। মোটকথা, গায়ে পানি পড়লেই চুলকানি হবে। এ ধরনের চুলকানির সঙ্গে পানির তাপমাত্রার কোনো সম্পর্ক নেই। লাল দানাগুলোর আকার হতে পারে ১ থেকে ৩ মিলিমিটার পর্যন্ত। শরীরের ওপরের অংশে এগুলো বেশি পরিমাণে ওঠে। বিশেষ করে গলায়, ঘাড়ে ও হাতে। এ সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা নেহাত কম নয়।
এ ধরনের রোগীরা গোসলের আগে অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ খেতে পারেন। আর হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজলে বাসায় ফিরে অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। শরীরে দানা উঠলে মমেটাসন, হাইড্রোকর্টিসন ক্রিমও ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এগুলো মুখে লাগানো যাবে না।
পানির সংস্পর্শে এলে ত্বকে একধরনের প্রতিক্রিয়া থেকে অ্যালার্জি হতে পারে। পারিবারিক ইতিহাসের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। রোগটি ছোঁয়াচেও নয়। যাঁদের ত্বক বেশি সংবেদনশীল, তাঁরাই এতে আক্রান্ত হন।
এখনো ‘অ্যাকুয়াজেনিক আর্টিক্যারিয়া’র স্থায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি বের হয়নি। উপশমের জন্যই চিকিৎসা দেওয়া হয়। পানি এড়িয়ে চলা ছাড়া এর প্রতিরোধ সম্ভব নয়।
পানির সংস্পর্শ এড়াতে যা করতে পারেন
অনেক সময় শীতকালে পানির তাপমাত্রা কম হলেও হাতে লাল লাল দানা ওঠে। সকালে ও রাতে পানি ধরলেই চুলকানি শুরু হয়। এর সঙ্গে ‘অ্যাকুয়াজেনিক আর্টিক্যারিয়া’র সম্পর্ক নেই। এটা একধরনের ঠান্ডাজনিত অ্যালার্জি। এর কোনো স্থায়ী সমাধান নেই। পুরুষের তুলনায় নারীদের মধ্যে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। এটা যেকোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটা ঠিক হয়ে যায়। এ ধরনের অ্যালার্জিতে যতটা সম্ভব শরীর গরম রাখার চেষ্টা করতে হবে।
লেখক: চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ইউএস-বাংলা মেডিকেল কলেজ

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে