ফিচার ডেস্ক

হাঁটা যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য সহজ ও কার্যকর ব্যায়াম। গবেষণা বলছে, মাত্র ২ মিনিট হাঁটলেও উপকার পাওয়া যায়। তবে হাঁটার সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর সুফলও বাড়ে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে হৃদ্যন্ত্রের সুস্থতা, এমনকি অবসাদ দূর করতেও ভূমিকা রাখে এই অভ্যাস। জেনে নিন কতক্ষণ হাঁটলে কী উপকার পাওয়া যায়।
রোজ ২-৫ মিনিট হাঁটলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ওজন কমে
স্পোর্টস মেডিসিন জার্নালের ৭টি গবেষণার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খাওয়ার পর ২-৫ মিনিট হাঁটলে রক্তের গ্লুকোজ লেভেল ধীরে বাড়ে বা কমে, যা ইনসুলিনকে স্থিতিশীল রাখে। বিশেষজ্ঞ ডা. রেবেকা রবিনসনের মতে, খাওয়ার পর হাঁটলে পেশি সক্রিয় হয়ে গ্লুকোজ শক্তি হিসেবে ব্যবহার করে, ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে। এতে চর্বি জমার ঝুঁকিও হ্রাস পায়। আর ভারী কার্বোহাইড্রেট বা মিষ্টি খাওয়ার পর অন্তত ৫ মিনিট হাঁটুন। এতে পেটের চর্বি ও প্রদাহ কমবে।
১০ মিনিট হাঁটার উপকারিতা রক্তচাপ কমায়
জার্নাল অব হিউম্যান হাইপারটেনশনে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, দিনে তিনবার ১০ মিনিট করে হাঁটলে সিস্টোলিক রক্তচাপ উল্লেখযোগ্য হারে কমে।
মুড বুস্টার
সাইকোলজি অব স্পোর্ট অ্যান্ড এক্সারসাইজ গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ১০ মিনিট হাঁটলে মানসিক চাপ কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
ব্রিটিশ জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দিনে ১১ মিনিট দ্রুত হাঁটলে হৃদ্রোগ, স্ট্রোক ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।
৩০ মিনিট হাঁটার উপকারিতা অবসাদ কমে
মানসিকভাবে সতেজ থাকতেও হাঁটার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। দিনের যেকোনো সময় প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটলে বিষণ্নতা দূর হয় ও এন্ডরফিন হরমোন নিঃসরণ বাড়ে। এর ফলে মানসিক সতেজতা বাড়ে।
হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে
নিয়মিত হাঁটলে ওজন বা চর্বি কমার উপকারের কথা প্রায় সবার জানা। শুধু তা-ই নয়, সপ্তাহে অন্তত ৩ বার ৩০ মিনিট করে হাঁটলে হাড়ের ক্ষয় রোধ হয় এবং ঘনত্ব বাড়ে।
৪০ মিনিট হাঁটার উপকারিতা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষণায় দেখা গেছে, ৬০ বছরের বেশি বয়সের ব্যক্তিরা সপ্তাহে তিনবার ৪০ মিনিট করে হাঁটলে মস্তিষ্কের ‘হোয়াইট ম্যাটার’ উন্নত হয়, যা স্মৃতি সংরক্ষণে সাহায্য করে।

হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষা
২০১৮ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, হৃদ্রোগে ঝুঁকিপূর্ণ নারীরা যদি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ৪০ মিনিট করে হাঁটেন, তাহলে হার্ট ফেইলিউর বা হৃৎপিণ্ড বিকলের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
৬০ মিনিট হাঁটলে মিলবে যেসব সুফল ঘুমের উন্নতি
প্রতিদিন এক ঘণ্টা হাঁটার অভ্যাস শরীর ও মন দুটির জন্যই উপকারী। একটি গবেষণা অনুযায়ী, মেনোপজ-পরবর্তী নারীরা দিনে এক ঘণ্টা হাঁটার চর্চা করার পর তাঁদের ঘুমের গভীরতা ও স্থায়িত্ব উভয়ই বেড়েছে। যাঁরা অনিদ্রা বা রাত জাগার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য এই অভ্যাস হতে পারে প্রাকৃতিক সমাধান।
ডিপ্রেশনের ঝুঁকি ২৬ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস
প্রতিদিন ৬০ মিনিট হেঁটে চললে ডিপ্রেশন বা হতাশায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৬ শতাংশ পর্যন্ত কমে। গবেষকেরা বলছেন, হালকা বা মাঝারি মাত্রার শরীরচর্চা, যেমন হাঁটা মস্তিষ্কে সেরোটোনিন ও এন্ডরফিন নামক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা মন ভালো রাখে।
স্ট্রেস কমায়
প্রাকৃতিক পরিবেশে হাঁটার এবং কংক্রিটের শহরে হাঁটার পার্থক্য রয়েছে। যত বেশি সবুজ প্রকৃতির মাঝে হাঁটবেন, তত বেশি স্ট্রেস কমবে।
সূত্র: উইমেনস হেলথ

হাঁটা যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য সহজ ও কার্যকর ব্যায়াম। গবেষণা বলছে, মাত্র ২ মিনিট হাঁটলেও উপকার পাওয়া যায়। তবে হাঁটার সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর সুফলও বাড়ে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে হৃদ্যন্ত্রের সুস্থতা, এমনকি অবসাদ দূর করতেও ভূমিকা রাখে এই অভ্যাস। জেনে নিন কতক্ষণ হাঁটলে কী উপকার পাওয়া যায়।
রোজ ২-৫ মিনিট হাঁটলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ওজন কমে
স্পোর্টস মেডিসিন জার্নালের ৭টি গবেষণার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, খাওয়ার পর ২-৫ মিনিট হাঁটলে রক্তের গ্লুকোজ লেভেল ধীরে বাড়ে বা কমে, যা ইনসুলিনকে স্থিতিশীল রাখে। বিশেষজ্ঞ ডা. রেবেকা রবিনসনের মতে, খাওয়ার পর হাঁটলে পেশি সক্রিয় হয়ে গ্লুকোজ শক্তি হিসেবে ব্যবহার করে, ফলে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে। এতে চর্বি জমার ঝুঁকিও হ্রাস পায়। আর ভারী কার্বোহাইড্রেট বা মিষ্টি খাওয়ার পর অন্তত ৫ মিনিট হাঁটুন। এতে পেটের চর্বি ও প্রদাহ কমবে।
১০ মিনিট হাঁটার উপকারিতা রক্তচাপ কমায়
জার্নাল অব হিউম্যান হাইপারটেনশনে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, দিনে তিনবার ১০ মিনিট করে হাঁটলে সিস্টোলিক রক্তচাপ উল্লেখযোগ্য হারে কমে।
মুড বুস্টার
সাইকোলজি অব স্পোর্ট অ্যান্ড এক্সারসাইজ গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ১০ মিনিট হাঁটলে মানসিক চাপ কমে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ে।
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
ব্রিটিশ জার্নাল অব স্পোর্টস মেডিসিনের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দিনে ১১ মিনিট দ্রুত হাঁটলে হৃদ্রোগ, স্ট্রোক ও ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।
৩০ মিনিট হাঁটার উপকারিতা অবসাদ কমে
মানসিকভাবে সতেজ থাকতেও হাঁটার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। দিনের যেকোনো সময় প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটলে বিষণ্নতা দূর হয় ও এন্ডরফিন হরমোন নিঃসরণ বাড়ে। এর ফলে মানসিক সতেজতা বাড়ে।
হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে
নিয়মিত হাঁটলে ওজন বা চর্বি কমার উপকারের কথা প্রায় সবার জানা। শুধু তা-ই নয়, সপ্তাহে অন্তত ৩ বার ৩০ মিনিট করে হাঁটলে হাড়ের ক্ষয় রোধ হয় এবং ঘনত্ব বাড়ে।
৪০ মিনিট হাঁটার উপকারিতা স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষণায় দেখা গেছে, ৬০ বছরের বেশি বয়সের ব্যক্তিরা সপ্তাহে তিনবার ৪০ মিনিট করে হাঁটলে মস্তিষ্কের ‘হোয়াইট ম্যাটার’ উন্নত হয়, যা স্মৃতি সংরক্ষণে সাহায্য করে।

হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষা
২০১৮ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, হৃদ্রোগে ঝুঁকিপূর্ণ নারীরা যদি সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার ৪০ মিনিট করে হাঁটেন, তাহলে হার্ট ফেইলিউর বা হৃৎপিণ্ড বিকলের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
৬০ মিনিট হাঁটলে মিলবে যেসব সুফল ঘুমের উন্নতি
প্রতিদিন এক ঘণ্টা হাঁটার অভ্যাস শরীর ও মন দুটির জন্যই উপকারী। একটি গবেষণা অনুযায়ী, মেনোপজ-পরবর্তী নারীরা দিনে এক ঘণ্টা হাঁটার চর্চা করার পর তাঁদের ঘুমের গভীরতা ও স্থায়িত্ব উভয়ই বেড়েছে। যাঁরা অনিদ্রা বা রাত জাগার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য এই অভ্যাস হতে পারে প্রাকৃতিক সমাধান।
ডিপ্রেশনের ঝুঁকি ২৬ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস
প্রতিদিন ৬০ মিনিট হেঁটে চললে ডিপ্রেশন বা হতাশায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা ২৬ শতাংশ পর্যন্ত কমে। গবেষকেরা বলছেন, হালকা বা মাঝারি মাত্রার শরীরচর্চা, যেমন হাঁটা মস্তিষ্কে সেরোটোনিন ও এন্ডরফিন নামক হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে, যা মন ভালো রাখে।
স্ট্রেস কমায়
প্রাকৃতিক পরিবেশে হাঁটার এবং কংক্রিটের শহরে হাঁটার পার্থক্য রয়েছে। যত বেশি সবুজ প্রকৃতির মাঝে হাঁটবেন, তত বেশি স্ট্রেস কমবে।
সূত্র: উইমেনস হেলথ

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
২ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
২ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
২ দিন আগে