আলমগীর আলম

বয়স বাড়ার সঙ্গে জীবনের সঙ্গী হয় বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা। পুরুষের প্রোস্টেট সমস্যা তেমনই একটি। এ সমস্যার রয়েছে প্রাকৃতিক সমাধান।
আমাদের প্রাচীন চিকিৎসাপদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ পেঁয়াজ। প্রোস্টেট সমস্যার সমাধানে এটি সাহায্য করতে পারে।
প্রোস্টেট সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এর সাধারণ কারণগুলো হলো—
বয়স বাড়া: বয়স বাড়ার সঙ্গে প্রোস্টেটগ্রন্থি স্বাভাবিকভাবে বড় হতে থাকে, যাকে বলা হয় প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়া। এই বৃদ্ধি মূত্রনালিতে চাপ সৃষ্টি করে এবং প্রস্রাবের সমস্যা তৈরি করে।
সংক্রমণ: ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের সংক্রমণ প্রোস্টেটে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, যাকে প্রোস্টাটাইটিস বলা হয়।
প্রোস্টেট ক্যানসার: প্রোস্টেটের কোষগুলো অস্বাভাবিক বাড়লে প্রোস্টেট ক্যানসার হতে পারে।
জীবনযাত্রার কারণ: অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন এবং শারীরিক পরিশ্রম না করার ফলে প্রোস্টেট সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
অন্যান্য কারণ: কিছু ওষুধ, স্নায়বিক সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যাও প্রোস্টেট সমস্যার কারণ হতে পারে।
সাধারণ লক্ষণ
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যের কারণে পেঁয়াজের সুনাম রয়েছে। এতে কোর্সেটিন থাকে। এ উপাদান শক্তিশালী ফ্ল্যাভোনয়েড হিসেবে পরিচিত, যা প্রদাহ কমাতে এবং ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে। পেঁয়াজের এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা মূত্রনালি ও প্রোস্টেটের শক্তি বাড়ায়। ফলে এটি পুরুষের স্বাস্থ্যের জন্য চমৎকার পথ্য হিসেবে কাজ করে।
পেঁয়াজের টনিক বানানো যায় খুব সহজে।
উপকরণ
একটি মাঝারি আকারের দেশি পেঁয়াজ এবং ১ লিটার পানি।
যেভাবে বানাবেন
পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে বড় টুকরা করে নিন। কাটা পেঁয়াজ পানিতে হালকা আঁচে জ্বাল দিন। তারপর তাপ কমিয়ে ১০ মিনিটের জন্য সেদ্ধ হতে দিন, যাতে পেঁয়াজের পুষ্টি পানিতে মিশতে পারে। সেদ্ধ করার পর ছেঁকে পানি আলাদা করে পানযোগ্য তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন।
সেবনের নিয়ম শোষণ ও কার্যকারিতা সর্বাধিক মাত্রায়
রাখার জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানি পান করুন। ১ লিটার পানি থেকে প্রতিদিন এক কাপ পান করবেন, বাকি পানি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফ্রিজে রেখে দিন। পানি পান করার সময় একটু গরম করে নিন।
নিয়মিত এই পানি পানের ফলে মূত্রাশয় ও প্রোস্টেট ভালো থাকবে। এটি মূত্রাশয়ের ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সাহায্য করবে।
যাঁরা নিয়মিত ইউরোম্যাক্সজাতীয় ওষুধ সেবন করেন, তাঁরা পেঁয়াজের এই পানি খাওয়ার পরও কয়েক দিন সেসব ওষুধ খাবেন। তারপর ধীরে ধীরে ছাড়তে পারেন কি না, সে বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
মনে রাখা জরুরি, সবার শারীরিক অবস্থা এক রকম নয়। প্রাকৃতিক নিয়মগুলো শরীরে সহনীয় হতে সময় নিতে পারে। শরীরকে সে সময় দিতে হবে।
লেখক: খাদ্যপথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ, প্রধান নির্বাহী, প্রাকৃতিক নিরাময় কেন্দ্র

বয়স বাড়ার সঙ্গে জীবনের সঙ্গী হয় বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা। পুরুষের প্রোস্টেট সমস্যা তেমনই একটি। এ সমস্যার রয়েছে প্রাকৃতিক সমাধান।
আমাদের প্রাচীন চিকিৎসাপদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ পেঁয়াজ। প্রোস্টেট সমস্যার সমাধানে এটি সাহায্য করতে পারে।
প্রোস্টেট সমস্যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এর সাধারণ কারণগুলো হলো—
বয়স বাড়া: বয়স বাড়ার সঙ্গে প্রোস্টেটগ্রন্থি স্বাভাবিকভাবে বড় হতে থাকে, যাকে বলা হয় প্রোস্ট্যাটিক হাইপারপ্লাসিয়া। এই বৃদ্ধি মূত্রনালিতে চাপ সৃষ্টি করে এবং প্রস্রাবের সমস্যা তৈরি করে।
সংক্রমণ: ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের সংক্রমণ প্রোস্টেটে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে, যাকে প্রোস্টাটাইটিস বলা হয়।
প্রোস্টেট ক্যানসার: প্রোস্টেটের কোষগুলো অস্বাভাবিক বাড়লে প্রোস্টেট ক্যানসার হতে পারে।
জীবনযাত্রার কারণ: অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবন এবং শারীরিক পরিশ্রম না করার ফলে প্রোস্টেট সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
অন্যান্য কারণ: কিছু ওষুধ, স্নায়বিক সমস্যা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যগত সমস্যাও প্রোস্টেট সমস্যার কারণ হতে পারে।
সাধারণ লক্ষণ
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্যের কারণে পেঁয়াজের সুনাম রয়েছে। এতে কোর্সেটিন থাকে। এ উপাদান শক্তিশালী ফ্ল্যাভোনয়েড হিসেবে পরিচিত, যা প্রদাহ কমাতে এবং ফ্রি র্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে। পেঁয়াজের এমন বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা মূত্রনালি ও প্রোস্টেটের শক্তি বাড়ায়। ফলে এটি পুরুষের স্বাস্থ্যের জন্য চমৎকার পথ্য হিসেবে কাজ করে।
পেঁয়াজের টনিক বানানো যায় খুব সহজে।
উপকরণ
একটি মাঝারি আকারের দেশি পেঁয়াজ এবং ১ লিটার পানি।
যেভাবে বানাবেন
পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে বড় টুকরা করে নিন। কাটা পেঁয়াজ পানিতে হালকা আঁচে জ্বাল দিন। তারপর তাপ কমিয়ে ১০ মিনিটের জন্য সেদ্ধ হতে দিন, যাতে পেঁয়াজের পুষ্টি পানিতে মিশতে পারে। সেদ্ধ করার পর ছেঁকে পানি আলাদা করে পানযোগ্য তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন।
সেবনের নিয়ম শোষণ ও কার্যকারিতা সর্বাধিক মাত্রায়
রাখার জন্য প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানি পান করুন। ১ লিটার পানি থেকে প্রতিদিন এক কাপ পান করবেন, বাকি পানি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফ্রিজে রেখে দিন। পানি পান করার সময় একটু গরম করে নিন।
নিয়মিত এই পানি পানের ফলে মূত্রাশয় ও প্রোস্টেট ভালো থাকবে। এটি মূত্রাশয়ের ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সামগ্রিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সাহায্য করবে।
যাঁরা নিয়মিত ইউরোম্যাক্সজাতীয় ওষুধ সেবন করেন, তাঁরা পেঁয়াজের এই পানি খাওয়ার পরও কয়েক দিন সেসব ওষুধ খাবেন। তারপর ধীরে ধীরে ছাড়তে পারেন কি না, সে বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
মনে রাখা জরুরি, সবার শারীরিক অবস্থা এক রকম নয়। প্রাকৃতিক নিয়মগুলো শরীরে সহনীয় হতে সময় নিতে পারে। শরীরকে সে সময় দিতে হবে।
লেখক: খাদ্যপথ্য ও আকুপ্রেশার বিশেষজ্ঞ, প্রধান নির্বাহী, প্রাকৃতিক নিরাময় কেন্দ্র

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে