যেকোনো বয়সের মানুষের জন্য সরিষার তেল উপকারী ভূমিকা পালন করে। কারণ সরিষার তেলে এমন কিছু গুণাগুণ আছে, যা মানুষের শরীর ও ত্বক দুয়ের জন্য ভালো ফল বয়ে আনে। তাই কোন কোন উপায়ে সরিষার তেল ব্যবহার করা যেতে পারে, সেটা জেনে রাখা ভালো।
গবেষণাভিত্তিক জার্নাল পিএলওএস ওয়ানে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, সরিষার তেলে উপস্থিত ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড অক্সিডেটিভ স্ট্রেস ও প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। এটি শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণকে রক্ষা করতে পারে। খাঁটি সরিষার তেল ঠান্ডার উপসর্গ, যেমন—কনজেশন ও কাশি নিরাময় করতে সাহায্য করে। তবু এটি ব্যবহার করার আগে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা ভালো। সরিষার তেল মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ভালো উৎস, যা খারাপ কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা, রক্তচাপ এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। আমেরিকান জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারে নিয়মিত সরিষার তেল ব্যবহার করলে হৃদ্রোগের ঝুঁকি কম হয়।
সরিষার তেলে থাকা ওমেগা ৩ ও ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ত্বক ও চুলের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ ছাড়া ব্রণের মতো সমস্যারও সমাধান করে এটি। শুধু তাই নয়, সরিষার তেল নিয়মিত ব্যবহার করলে মাথার ত্বকে খুশকির সমস্যা কম হয়।

১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩৬৭ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এরপরই আছে সিলেট; সেখানে মারা গেছে ১৩৯ জন। এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯২, চট্টগ্রামে ৬৩, বরিশালে ৪৯, ময়মনসিংহে ৭৪, খুলনায় ৩৩ ও রংপুর বিভাগে ১৪ জন মারা গেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা ১৬ বছর বয়সী ইকবাল। দিনের প্রায় পুরোটায় সময়ই সে কাটায় পুকুরের পানিতে। তার দাবি, পানি থেকে উঠে এলেই শরীরে তীব্র জ্বলুনি হয় তার। বিভিন্ন হাসপাতাল ও চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলেও এর কোনো সমাধান মেলেনি বলেও জানায় সে।
১৩ ঘণ্টা আগে
দেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোয় প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ টন মেডিকেল বর্জ্য জমা হয়। এসব বর্জ্য সাধারণ আবর্জনার মতো নয়। এর বড় একটি অংশ মারাত্মক সংক্রামক ও বিপজ্জনক। সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে এই মেডিকেল বর্জ্য আমাদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য এক নীরব ঘাতক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রাতে হঠাৎ পায়ের মাংসপেশিতে তীব্র টান বা খিঁচুনি। ঘুম থেকে জেগে উঠে অস্বস্তিকর অনুভূতি। এভাবে ঘুম ভেঙে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের রয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। সাধারণত পেশির ক্লান্তি এবং স্নায়ুজনিত নানা অস্বস্তির কারণে এটি ঘটে থাকে বলে মনে করা হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে