পারকিনসনিজম একটি ধারাবাহিক ও দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক অবস্থা, যা মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোন উৎপন্নকারী কোষগুলোর ক্ষতির কারণে সংঘটিত হয়। এই রোগের কারণ এখন পর্যন্ত অজানা থাকলেও গবেষণায় দেখা যায়, পারিপার্শ্বিক এবং জিনগত কিছু বিষয়ের প্রভাবে এই রোগ হতে পারে।
লক্ষণ
রোগ নির্ণয়
চিকিৎসকেরা রোগের ইতিহাস শুনে ও শারীরিক পরীক্ষা করে এ রোগ নির্ণয় করেন, আলাদা কোনো পরীক্ষা নেই। তাই এসব লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্র চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।
চিকিৎসা
পারকিনসনিজম রোগের চিকিৎসা মূলত তিন রকম হতে পারে—পরামর্শ, ওষুধ ও ব্যায়াম। নিরাময় অযোগ্য এই রোগের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সারা জীবন ওষুধ খেতে হয়। ওষুধের কার্যকারিতা কমে গেলে জটিলতা হ্রাস ও জীবনমান উন্নত করার জন্য ডিপ ব্রেইন স্টিমুলেশনের (ডিবিএস) সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
জীবনযাত্রা
পারকিনসনিজম ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার
সময়ের সঙ্গে পারকিনসনিজমে আক্রান্ত রোগীর অনেকেরই ক্রমেই স্বাভাবিক কাজ করার শক্তিটুকুও হারিয়ে ফেলেন। পোশাক পরিবর্তন থেকে বাথরুমে যাওয়া—সবকিছুর জন্যই অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন তাঁরা। পারকিনসনিজমের শেষ পর্যায়ে লক্ষণগুলো আর চিকিৎসায় ভালো সাড়া দেয় না। এ অবস্থায় দৈনন্দিন জীবনযাপন ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে প্যালিয়েটিভ কেয়ার। যেমন:
লেখক: সহকারী অধ্যাপক প্যালিয়েটিভ মেডিসিন বিভাগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

প্রচণ্ড এই গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত। আবার গরমের কারণে অনেকে পেটের সমস্যার সম্মুখীন হয়। গ্রীষ্মের দাবদাহে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং পরিপাকতন্ত্রের কার্যকারিতা ধীর হয়ে আসে। এর ফলে পেট ভারী লাগা, বদহজম, অ্যাসিডিটি এবং পেট ফাঁপার মতো বিভিন্ন অস্বস্তি দেখা দেয়। এই সময়ে শরীর ভেতর থেকে শীতল ও সতেজ...
১৪ মিনিট আগে
কোরবানির ঈদে সবাই একটু বেশি রিচ ফুড ও মাংস খেয়ে ফেলেন। এই খাওয়াদাওয়ার পর অনেকের শরীর ক্লান্ত ও ভারী লাগে। দেখা দেয় হজমের সমস্যা। এ কারণে ঈদের পর শরীর আবার সতেজ করতে এবং ভেতরের অঙ্গগুলো বিশ্রাম দিতে ডিটক্স করার কথা ভাবেন অনেকে। পুষ্টিবিজ্ঞান বলছে, শরীর ডিটক্স করতে বাজার থেকে কেনা বিশেষ পানীয়...
১ ঘণ্টা আগে
হাম প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকা কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর চলে গেছে দুই মাস সময়। কিন্তু এখনো সংক্রমণ বা মৃত্যু আশানুরূপ হারে কমেনি। হাসপাতালে আসা রোগীর সংখ্যাও স্থিতিশীল হয়নি।
৭ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৫১৯ জন। নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৯১ জনের। এ নিয়ে মোট ৬১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে