
যারা ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন—একটি পিল সেবন করলে তাঁদের সাফল্যের সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায় বলে দাবি করেছেন চিকিৎসকেরা। সাইটিসিন নামের এই পিল নিকোটিনের আসক্তি দূর করে। ল্যাবারনাম বীজ থেকে পাওয়া এই ওষুধটি ধূমপানের আসক্তি কাটিয়ে উঠতে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আজ সোমবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক দশক ধরেই মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে সাইটিসিন পিলটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এবার এই পিলটি যুক্তরাজ্যও অনুমোদন দিয়েছে।
এক পর্যালোচনায় আর্জেন্টাইন গবেষকেরা সাইটিসিন পিলকে ধূমপান ছাড়ার জন্য অন্যান্য থেরাপি যেমন—ছলৌষধ (প্লাসিবোস), ভেরেনিক্লাইন এবং নিকোটিন প্রতিস্থাপনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
১২টি নিয়ন্ত্রিত ট্রায়ালের বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, সাইটিসিন পিলগুলো ধূমপান বন্ধে ছলৌষধের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি কার্যকর। পাশাপাশি কিছু ট্রায়ালে নিকোটিন প্রতিস্থাপন থেরাপির তুলনায় বেশি সুবিধা পাওয়া সহ ধূমপান বন্ধের বিজ্ঞানসম্মত উপায় ভ্যারেনিক্লাইনের সমান কার্যকারিতার প্রমাণ দিয়েছে সাইটিসিন।
গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া ওমর ডি সান্তি গার্ডিয়ানকে বলেছেন, ‘ধূমপান বন্ধ করার জন্য বিশ্বজুড়ে একটি সস্তা ও কার্যকর উপাদান সাইটিসিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসাবে বিবেচনা করা হয় ধূমপানকে। সাইটিসিন সেই সমস্যা থেকে উত্তরণের একটি উপায় হতে পারে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাজ্যে ধূমপানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেলেও এটি এখনো প্রতিরোধযোগ্য অসুস্থতা এবং মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসাবে রয়ে গেছে। আশা করা হচ্ছে, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে নতুন ওষুধ সাইটিসিন যোগ হলে দেশটিতে ধূমপানের হার আরও হ্রাস পাবে।
চলতি মাসের শেষদিকে যুক্তরাজ্যের বাজারে পাওয়া যাবে সাইটিসিন পিল। তবে এর খরচের বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং হতে পারে অনেকের জন্য। ২৫ দিনের একটি কোর্সের জন্য অন্তত ১১৫ পাউন্ড খরচ করতে হবে ধূমপায়ীদের। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই কোর্সের খরচ প্রায় ১৬ হাজারেরও বেশি টাকা।

যারা ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন—একটি পিল সেবন করলে তাঁদের সাফল্যের সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেড়ে যায় বলে দাবি করেছেন চিকিৎসকেরা। সাইটিসিন নামের এই পিল নিকোটিনের আসক্তি দূর করে। ল্যাবারনাম বীজ থেকে পাওয়া এই ওষুধটি ধূমপানের আসক্তি কাটিয়ে উঠতে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আজ সোমবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েক দশক ধরেই মধ্য ও পূর্ব ইউরোপে সাইটিসিন পিলটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এবার এই পিলটি যুক্তরাজ্যও অনুমোদন দিয়েছে।
এক পর্যালোচনায় আর্জেন্টাইন গবেষকেরা সাইটিসিন পিলকে ধূমপান ছাড়ার জন্য অন্যান্য থেরাপি যেমন—ছলৌষধ (প্লাসিবোস), ভেরেনিক্লাইন এবং নিকোটিন প্রতিস্থাপনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।
১২টি নিয়ন্ত্রিত ট্রায়ালের বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা দেখেছেন, সাইটিসিন পিলগুলো ধূমপান বন্ধে ছলৌষধের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি কার্যকর। পাশাপাশি কিছু ট্রায়ালে নিকোটিন প্রতিস্থাপন থেরাপির তুলনায় বেশি সুবিধা পাওয়া সহ ধূমপান বন্ধের বিজ্ঞানসম্মত উপায় ভ্যারেনিক্লাইনের সমান কার্যকারিতার প্রমাণ দিয়েছে সাইটিসিন।
গবেষণার নেতৃত্ব দেওয়া ওমর ডি সান্তি গার্ডিয়ানকে বলেছেন, ‘ধূমপান বন্ধ করার জন্য বিশ্বজুড়ে একটি সস্তা ও কার্যকর উপাদান সাইটিসিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসাবে বিবেচনা করা হয় ধূমপানকে। সাইটিসিন সেই সমস্যা থেকে উত্তরণের একটি উপায় হতে পারে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাজ্যে ধূমপানের হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেলেও এটি এখনো প্রতিরোধযোগ্য অসুস্থতা এবং মৃত্যুর প্রধান কারণ হিসাবে রয়ে গেছে। আশা করা হচ্ছে, চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রে নতুন ওষুধ সাইটিসিন যোগ হলে দেশটিতে ধূমপানের হার আরও হ্রাস পাবে।
চলতি মাসের শেষদিকে যুক্তরাজ্যের বাজারে পাওয়া যাবে সাইটিসিন পিল। তবে এর খরচের বিষয়টি চ্যালেঞ্জিং হতে পারে অনেকের জন্য। ২৫ দিনের একটি কোর্সের জন্য অন্তত ১১৫ পাউন্ড খরচ করতে হবে ধূমপায়ীদের। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই কোর্সের খরচ প্রায় ১৬ হাজারেরও বেশি টাকা।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে