ত্বক উজ্জ্বল করার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের ক্রিম ব্যবহার করে থাকি। এসব ক্রিমে স্টেরয়েডসহ বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান থাকতে পারে, যেগুলোর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে চোখের রেটিনা। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, চোখের এই রোগকে বলে সেন্ট্রাল সেরাস রেটিনোপ্যাথি বা সিএসআর।
সেন্ট্রাল সেরাস রেটিনোপ্যাথি হলে রেটিনার পেছনে তরল জমা হয় এবং তা দৃষ্টিকে প্রভাবিত করে। রেটিনা হলো চোখের পেছনে একটি পাতলা সংবেদনশীল পর্দা, যা আমাদের দেখতে সাহায্য করে। তরল জমা হওয়ার ফলে রেটিনা আংশিক বিচ্ছিন্ন হতে পারে। এটি সাধারণত এক বা উভয় চোখকে প্রভাবিত করে বা করতে পারে। নারীদের তুলনায় অল্পবয়সী কিংবা মধ্যবয়সী পুরুষদের এটি বেশি হয়।
লক্ষণ
এই রোগে প্রথমে যে লক্ষণটি দেখা যায় তা হলো, আক্রান্ত চোখে ঝাপসা দেখা। অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে আছে:
কারণ
অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তাকে সিএসআরের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হয়। মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা মানুষের শরীরে কর্টিসল নামের হরমোন নিঃসরণ করে, যা চোখের প্রদাহ তৈরি করতে পারে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে রেটিনা। অন্যান্য ঝুঁকির কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে,
চিকিৎসা
সেন্ট্রাল সেরাস রেটিনোপ্যাথি শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে নিজেই ঠিক হয়ে যায়। যদি কয়েক মাসের মধ্যে তরল নিজ থেকে কমে না যায়, তাহলে চিকিৎসা নিতে হবে।
প্রতিরোধ
পরামর্শ: চক্ষুবিশেষজ্ঞ ও সার্জন, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, শেরেবাংলা নগর, ঢাকা এবং কনসালট্যান্ট (চক্ষু), দীন মোহাম্মদ আই হসপিটাল, সোবহানবাগ, ঢাকা।

সম্প্রতি হৃদ্যন্ত্রের জটিলতা নিয়ে ময়মনসিংহের একটি মাধ্যমিক পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন চল্লিশোর্ধ্ব আজহার আলী (ছদ্মনাম)। চিকিৎসকের সুপারিশে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে ভর্তি থাকার চার দিনের মধ্যে তিন দিনই আজহারকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
একটি ছোট ক্ষত বা আঁচড়। যাঁদের পোষা প্রাণী আছে, তাঁদের জন্য এটা কোনো অতিসাধারণ একটি বিষয়। কিন্তু এই নিত্য নৈমিত্তিক বিষয়টিও কত ভয়াবহ পরিণতি দিতে পারে তাঁর উদাহরণ যুক্তরাজ্যের ৫২ বছর বয়সী মনজিৎ সাংহা। পোষা কুকুরের লালা বা আঁচড় থেকে সেপসিসে আক্রান্ত হয়ে চার হাত-পা খুইয়েছেন এই নারী।
২ দিন আগে
চিকিৎসা সেবাকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে মানুষকে আর চিকিৎসার জন্য ডাক্তারের পেছনে ঘুরতে হবে না, বরং ডাক্তাররাই মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেবেন।
৫ দিন আগে
স্বাধীনতার পর পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। মাতৃ ও শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, বেড়েছে গড় আয়ু। তবে অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্যের উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থাপনায় রয়েছে সীমাবদ্ধতা।
৮ দিন আগে