শারমিন সেদিন চেম্বারে এসে বলেন, ‘আমি শক্ত জায়গায় বসতে পারি না বা বসলে মেরুদণ্ডের শেষ হাড়ে বেশ ব্যথা হয়। কিছুতেই স্বস্তি পাচ্ছি না।’
শারমিনের মুখে ব্যথার ছাপ স্পষ্ট। বেশ কিছু পরীক্ষার পর তাঁকে রোগ সম্পর্কে জানানো হলো। যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে ‘ককসিডাইনিয়া’, তিনি তাতেই ভুগছেন।
শারমিনের ভাষায়, এ এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা। এ রকম রোগে না ভুগলে এই অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা উপলব্ধি করা যায় না।
ককসিডাইনিয়ার কারণ
বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কারণ অজানা। তবে আঘাত, বিশেষ করে পেছনের দিকে পড়ে গেলে এমনটা হতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরে প্রদাহ থাকলেও হতে পারে।
প্রসবের সময় আঘাত বা দীর্ঘ সময় ধরে প্রসব হলে।
অনেক সময় সার্জারির কারণেও হতে পারে।
আঁকাবাঁকা, শক্ত বা লম্বা ককসিসের কারণেও এমনটা হয়।
এ ছাড়া পেশির সংকোচন, পাইলোনাইডাল সাইনাস, পাইলোনাইডাল সিস্ট, মেনিসকাল সিস্ট, রিপিটেটিভ স্ট্রেইন, যেমন দীর্ঘক্ষণ মোটর বা বাইসাইকেল চালানোর ফলেও এ ব্যথা হতে পারে।
ইনফেকশন, ক্যালসিয়াম ডিপসিশন ও টিউমারও এর কারণ হতে পারে।
লক্ষণ
চিকিৎসা
লেখক: ফিজিওথেরাপি কনসালট্যান্ট অ্যান্ড জেরোন্টলজিস্ট, এক্সট্রা মাইল এইজ কেয়ার, ঢাকা

হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দুই মাসের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেল। রোগটির প্রকোপ ঠেকাতে টিকাদান কর্মসূচি চললেও আক্রান্ত আর মৃত্যুর সংখ্যা কমার কোনো লক্ষণ এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান নয়। এই অবস্থায় হামের প্রাদুর্ভাবকে ‘স্বাস্থ্যের জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা বা মহামারি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিত জরুরি...
৮ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শনাক্ত হয়েছে ২০৫ জনের। একই সময়ে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৫০৩ জনের। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৭৮ জন।
১৫ ঘণ্টা আগে
একসময়ের ‘হামমুক্ত’ জাপানে পুনরায় এই ভাইরাসের থাবা জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এপ্রিলের শেষ নাগাদ ৪৩৬ জন আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কেবল একটি সাধারণ প্রাদুর্ভাব নয়, বরং এটি জাপানের গোষ্ঠীগত রোগ প্রতিরোধক্ষমতার (হার্ড ইমিউনিটি) দুর্বলতাকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।
২১ ঘণ্টা আগে