বাঙালির এখন আম-কাঁঠাল খাওয়ার সময়। আম ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন হলেও কাঁঠাল ভালো না বাসার মানুষ আপনার আশপাশে অনেক। কেমন একটা দ্বন্দ্ব আছে কাঁঠাল নামের এই ফল ঘিরে। সবকিছুরই ভালো-মন্দ থাকে। ফল হিসেবে কাঁঠালেরও তেমনি গুণ আছে। প্রথমে একটু দোষের কথা বলা যাক।
ল্যাটেক্স বা পরাগ থেকে অ্যালার্জি যাঁদের, তাঁদের কাঁঠাল খাওয়া এড়িয়ে চলা ভালো। কাঁঠালে থাকা পটাশিয়াম কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। পরাগের সঙ্গে যুক্ত প্রতিক্রিয়াশীল উদ্ভিদ প্রোটিন অ্যালার্জেন বেট ভি১-এর কারণে কাঁঠাল খেলে অনেক সময় মুখে অ্যালার্জি হতে পারে। তবে অ্যানাফিল্যাক্সিস নামের এই মারাত্মক অ্যালার্জি বেশ বিরল। এ তথ্যগুলো আলাদা আলাদা চিকিৎসক প্যানেলের মতামত। ফলে কাঁঠাল খাওয়ার পর কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি হলে চিকিৎসকের সহায়তা নিতে ভুলবেন না।
প্রতিদিন কতটুকু কাঁঠাল খাবেন
নারীদের জন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ২৫ গ্রাম এবং পুরুষদের ৩৮ গ্রাম কাঁঠাল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে এক দিনে ১০০ গ্রামের বেশি কাঁঠাল খাওয়া উচিত নয়। ১০০ গ্রাম কাঁঠাল দুই ভাগে ভাগ করে দুই বেলায় খাওয়া ভালো। অন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতার জন্য সকালের নাশতায় এটি আদর্শ খাবার হতে পারে।
কাঁঠালে কী থাকে
১ কাপ কাঁঠালে প্রায় ১৫৫ ক্যালরি থাকে। দৈনিক ১ কাপ কাঁঠাল খেলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ভিটামিন এ, সি, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ পাওয়া যায়। এ ছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে আমিষ, শর্করা ও ভিটামিন থাকে। এগুলো মানুষের স্বাস্থ্য গঠনের জন্য উপকারী। এ ছাড়া কাঁঠালে চর্বি অনেক কম থাকে।
কাঁঠাল খাওয়ায় সতর্কতা
সূত্র: ডেইলি লাইভ

দেশে হাম এবং হামের মতো উপসর্গ নিয়ে শিশুরোগীদের হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ভর্তি হওয়া শিশুদের মধ্যে অনেককে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকতে হচ্ছে। যারা আগে থেকে দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভুগছে, মূলত তাদেরই হাসপাতালবাস দীর্ঘ হচ্ছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, আগে থেকে স্বাস্থ্যগত জটিলতায় ভোগা শিশুদের...
১৮ ঘণ্টা আগে
আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, নতুন করে হাম শনাক্ত হয়েছে ২২৪ শিশুর। এছাড়া উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে ১২৩৬ শিশুর।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া হাম প্রাদুর্ভাবের কারণে জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে এটিই সম্ভবত সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঢেউ, যেখানে ১০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে—যাদের বেশির ভাগই শিশু।
১ দিন আগে
বিংশ শতাব্দীর শেষে (১৯৯৯ সাল পর্যন্ত) বাংলাদেশে জীবাণুঘটিত সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে। অন্যদিকে একবিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে ডায়াবেটিস, কিডনি ও হৃদ্রোগের মতো অসংক্রামক রোগের প্রকোপ দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। বর্তমানে দেশে অসুস্থতায় মৃত্যুর দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ঘটে অসংক্রামক ও দীর্ঘ
২ দিন আগে