চোখের পাতার রোগের মধ্যে ব্লেফারাইটিস মোটামুটি পরিচিত নাম। ব্লেফারাইটিস চোখের একধরনের সংক্রমণ, যার কারণে চোখের পাতা অত্যধিক ফুলে যায়। পাপড়ির গোড়ায় থাকা তেল গ্রন্থিগুলো যখন কোনো কারণে বন্ধ হয়ে যায়, তখন চোখের পাতার প্রদাহ বেড়ে যায়। এ অবস্থাটিই ব্লেফারাইটিস। চোখের পাতার প্রদাহ দুই ধরনের হয়ে থাকে, যেমন অ্যান্টেরিওর ও পোস্টেরিওর। অ্যান্টেরিওর প্রদাহ চোখের পাতার বাইরের দিকে হয় এবং পোস্টেরিওর প্রদাহ হয় চোখের ভেতরের কোনায়।
রোগের কারণ
ব্লেফারাইটিসের কারণ হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো কিছুকে দায়ী করা সম্ভব নয়। তবে—
রোগের লক্ষণ
চিকিৎসা করা না হলে ব্লেফারাইটিস জটিল আকার ধারণ করতে পারে। পরীক্ষার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ফাঙ্গাসের সংক্রমণ শনাক্ত করা যায়। ছোটখাটো বা কম উপসর্গের ক্ষেত্রে ঘরোয়া কিছু উপায় অনুসরণ করে উপসর্গের মাত্রা কমানো যায়।
ঘন ঘন চোখ পরিষ্কার করা
ব্লেফারাইটিসের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির সারা দিনে নিয়মিত বিরতিতে চোখ পরিষ্কার করতে হয়, যেন চোখের পাতায় স্তর না জমে। ভালো হয় গরম পানিতে তোয়ালে ভিজিয়ে চোখের পাতা মুছে ফেলা গেলে। এর ফলে আস্তর ও তেল জমতে পারবে না। গরম ভেজা তোয়ালে চোখের পাতার ওপর ২০ মিনিট হালকাভাবে চেপে ধরে রাখলে চোখের পাতার ভেতরের অংশও পরিষ্কার হবে। এ ছাড়া চোখ ও মুখ কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুলে চুলকানি ও জ্বলুনি কমে।
বেবি শ্যাম্পু
১ কাপ গরম পানিতে ২ থেকে ৩ ফোঁটা বেবি শ্যাম্পু মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণে একটি কটন বল ডুবিয়ে সেটি দিয়ে উভয় চোখের পাতায় ঘুষুন ১৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে। তারপর ঠান্ডা পানি দিয়ে ভালো করে চোখ ধুয়ে নিন।
আলুর প্যাক
আলু পরিষ্কার করে ধুয়ে নিয়ে পাতলা টুকরো করে চোখের পাতার ওপর দিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। দিনে দুই থেকে তিনবার এ প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করলে কয়েক দিনের মধ্যেই ব্লেফারাইটিসের প্রাদুর্ভাব কমে যাবে।
টি-ট্রি অয়েল
১ টেবিল চামচ নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের মধ্যে ২ থেকে ৩ ফোঁটা টি-ট্রি অয়েল মিশিয়ে একটি কটন বল ডুবিয়ে নিন। চোখ বন্ধ করে তুলার বলটি চোখের পাতায় লাগান এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত। ৫ থেকে ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে রাখুন। সমস্যা দূর হওয়া পর্যন্ত দিনে দুইবার এটি ব্যবহার করুন।
লেখক: সাবেক প্রশিক্ষক, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণকেন্দ্র, কনসালট্যান্ট, আঞ্জুমান ভিশন কেয়ার, চট্টগ্রাম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামে মারা গেছে তিন শিশু এবং উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও চার শিশু।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মূল্যায়ন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া, টিকার ঘাটতি এবং মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান হারের ওপর ভিত্তি করে সংস্থাটি গতকাল বৃহস্পতিবার...
৭ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান হাম প্রাদুর্ভাবকে শিশুদের জন্য একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে উল্লেখ করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন (এমজেএফ)। সংস্থাটি বলেছে, এ পরিস্থিতি শিশুদের স্বাস্থ্য ও জীবনের অধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হানছে এবং তাৎক্ষণিক, সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ।
১ দিন আগে
দেশে হামের রোগী বাড়তে থাকায় সরকারি হাসপাতালগুলোকে রোগী ফেরত না দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শয্যা সংকটের কারণ দেখিয়ে কোনো রোগীকে অন্যত্র পাঠানো যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে