
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন চট্টগ্রামে এবং একজন ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিল। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১২৮ জনে।
আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৭২২ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৯৬ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
একই সময়ে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় আরও ৬০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে গত ১০ এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে মোট ২১ হাজার ৮০৮ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১ হাজার ২৬ জন। আর নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০২ জন।
হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এ বিভাগে এখন পর্যন্ত ৪৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপর সিলেট বিভাগে ১৭৯ জন, রাজশাহীতে ৯৩, চট্টগ্রামে ৮৮, ময়মনসিংহে ৮০, বরিশালে ৬০, খুলনায় ৪৪ এবং রংপুরে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৮৮ হাজার ৩৬০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮২ হাজার ৩৩৫ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৫ হাজার ৭৫৪ জন।
২ ঘণ্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন ঢাকায় ও একজন রংপুরে চিকিৎসাধীন ছিল। তবে এ সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে চলতি বছরে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১২৫ জনে।
১ দিন আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৮৬ হাজার ৪৫৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮০ হাজার ৩৪৭ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৫ হাজার ৮৪৯ জন।
১ দিন আগে
বাজারে প্রচলিত প্রায় সব ধরনের বিড়ালের খাবারে সিসা, পারদ, আর্সেনিক ও ক্যাডমিয়ামের মতো অত্যন্ত ক্ষতিকর ভারী ধাতু, আগাছানাশক এবং প্লাস্টিক প্রস্তুতকরণে ব্যবহৃত রাসায়নিক পাওয়া গেছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা পণ্য পরীক্ষাকারী অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘ক্লিন লেবেল প্রজেক্ট’-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এই...
১ দিন আগে