আজকের পত্রিকা ডেস্ক

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুই শিশু ও এক কিশোরসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় ২৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৭, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩১, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩২, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৮, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন রয়েছে।
চলতি বছরের এযাবৎ ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এর মধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে ৪ ও ৭ বছরের দুই শিশু। মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন ২৬ বছর বয়সী এক তরুণী। আর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর।
চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৮ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ ও ৪০ দশমিক আট শতাংশ নারী রয়েছেন।
২৪ ঘণ্টায় ২২৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরের এযাবৎ ২৬ হাজার ৭৮১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। আর বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৩০৭ জন চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ৪৪০ জন চিকিৎসাধীন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ওই বছর ১ হাজার ৭০৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়।
এ ছাড়া গত বছর ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২ জন, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ জন, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুই শিশু ও এক কিশোরসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় ২৪৭ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫৭, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩১, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩২, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৮, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) তিনজন রয়েছে।
চলতি বছরের এযাবৎ ডেঙ্গুতে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। এর মধ্যে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে ৪ ও ৭ বছরের দুই শিশু। মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন ২৬ বছর বয়সী এক তরুণী। আর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর।
চলতি বছরের ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ২৮ হাজার ২০২ জন। এর মধ্যে ৫৯ দশমিক ২ শতাংশ পুরুষ ও ৪০ দশমিক আট শতাংশ নারী রয়েছেন।
২৪ ঘণ্টায় ২২৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। চলতি বছরের এযাবৎ ২৬ হাজার ৭৮১ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। আর বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৩০৭ জন চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় ৪৪০ জন চিকিৎসাধীন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ২০২৩ সালে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। ওই বছর ১ হাজার ৭০৫ জন রোগীর মৃত্যু হয়।
এ ছাড়া গত বছর ১ লাখ ১ হাজার ২১১ জন, ২০২২ সালে ৬২ হাজার ৩৮২ জন, ২০২১ সালে ২৮ হাজার ৪২৯ জন, ২০২০ সালে ১ হাজার ৪০৫ জন এবং ২০১৯ সালে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে