
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে দেশে আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে দেশজুড়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৬১ জনে।
আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে হাম পরিস্থিতির এই তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৭৭ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ১১১ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি ৯৬৬ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে সিলেটে তিন ও ময়মনসিংহে একজন মারা গেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে মোট ৫৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে আরও ৯৩ জন।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশজুড়ে ৮৮ হাজার ৮৯৫ জনের মধ্যে হামের বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৬৩৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে উপসর্গ নিয়ে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭৩ হাজার ২৭৭ জন রোগী। অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে ৬৯ হাজার ৬৮৮ জন।

দেশে এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৪৪ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৪৮ জন মারা গেছে আর হামে মারা গেছে ৯৬ জন।
১৯ ঘণ্টা আগে
গবেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বড় প্রাদুর্ভাবের পর ভাইরাসে এমন কোনো জিনগত পরিবর্তন ঘটেছে কি না, যা প্রচলিত টিকার কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে—এমন প্রশ্ন উঠেছিল। তবে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য সেই আশঙ্কাকে সমর্থন করে না। বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি বি৩ জিনোটাইপের, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও শনাক্ত হয়েছে বলে
২০ ঘণ্টা আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৬ জনে দাঁড়াল। এ ছাড়া গত এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৪২৩ জন। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২১ ঘণ্টা আগে
সন্তান জন্মদানের পর মানসিক চাপ ও ট্রমা, পরিবার সম্পূর্ণ হওয়া কিংবা ভবিষ্যতে সন্তান না নেওয়ার নিজস্ব ইচ্ছার কারণে স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি হিসেবে ‘ভ্যাসেকটমি’ বা পুরুষদের স্থায়ী অস্ত্রোপচারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে।
১ দিন আগে