নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

রাজধানীর ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করেছে অ্যাপোলো ক্লিনিক। দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী জেএমআই গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড এ সেবা চালু করেছে। মূলত অ্যাপোলো ক্লিনিক হলো ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল চেইন অ্যাপোলার একটি শাখা।
শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাতমসজিদ রোডের ৬৪ নম্বর ভবনে ফিতা ও কেক কেটে ক্লিনিকের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। পরে সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক। এতে বক্তব্য দেন জেএমআই হাসপাতাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের পরিচালক হোয়াই কোয়ান কিম, অ্যাপোলো হেলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল লিমিটেডের হেড অব ফ্র্যাঞ্চাইজি বিজনেস তরুন গুলাটি, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল হক নাবিল, জেএমআই গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. জাবেদ ইকবাল পাঠান এবং জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. তামজীদ আলম।
এ সময় দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসক, জেএমআই গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা অনুষ্ঠানে বলেন, অ্যাপোলো ক্লিনিকের মাধ্যমে রাজধানীবাসী এখন থেকে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ঢাকাতেই পাবেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘অনেকে ভাবেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ বা উন্নতি সম্ভব নয়। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ হবে এমন একটি দেশ, যেখানে আমরা নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারব, ব্যবসা করতে পারব নিশ্চিন্তে, সন্তানদের ফিরিয়ে আনতে পারব গর্বের সঙ্গে। ইনশা আল্লাহ এ দেশ পৃথিবীর এক স্বর্গরাজ্যে রূপ নেবে।’
জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড হলো জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি, যা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে অ্যাপোলো হেলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল লিমিটেড দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল নেটওয়ার্ক অ্যাপোলো হসপিটালস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে অ্যাপোলো হসপিটালস বিশ্বজুড়ে ৭৫টি মালিকানাধীন হাসপাতাল এবং ৩৫০টির বেশি ক্লিনিক পরিচালনা করছে।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে যাত্রা শুরু করেছে অ্যাপোলো ক্লিনিক। দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী জেএমআই গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড এ সেবা চালু করেছে। মূলত অ্যাপোলো ক্লিনিক হলো ভারতের বৃহত্তম হাসপাতাল চেইন অ্যাপোলার একটি শাখা।
শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাতমসজিদ রোডের ৬৪ নম্বর ভবনে ফিতা ও কেক কেটে ক্লিনিকের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। পরে সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেএমআই গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রাজ্জাক। এতে বক্তব্য দেন জেএমআই হাসপাতাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের পরিচালক হোয়াই কোয়ান কিম, অ্যাপোলো হেলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল লিমিটেডের হেড অব ফ্র্যাঞ্চাইজি বিজনেস তরুন গুলাটি, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল হক নাবিল, জেএমআই গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. জাবেদ ইকবাল পাঠান এবং জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডা. তামজীদ আলম।
এ সময় দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসক, জেএমআই গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা অনুষ্ঠানে বলেন, অ্যাপোলো ক্লিনিকের মাধ্যমে রাজধানীবাসী এখন থেকে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা ঢাকাতেই পাবেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
অনুষ্ঠানে ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘অনেকে ভাবেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ বা উন্নতি সম্ভব নয়। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ হবে এমন একটি দেশ, যেখানে আমরা নিরাপদে জীবনযাপন করতে পারব, ব্যবসা করতে পারব নিশ্চিন্তে, সন্তানদের ফিরিয়ে আনতে পারব গর্বের সঙ্গে। ইনশা আল্লাহ এ দেশ পৃথিবীর এক স্বর্গরাজ্যে রূপ নেবে।’
জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড হলো জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি, যা পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে অ্যাপোলো হেলথ অ্যান্ড লাইফস্টাইল লিমিটেড দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় হাসপাতাল নেটওয়ার্ক অ্যাপোলো হসপিটালস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে অ্যাপোলো হসপিটালস বিশ্বজুড়ে ৭৫টি মালিকানাধীন হাসপাতাল এবং ৩৫০টির বেশি ক্লিনিক পরিচালনা করছে।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে