ডা. এম ইয়াছিন আলী

উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে কিছু পরিস্থিতিতে এটি বিপজ্জনক হতে পারে। সেসব পরিস্থিতিতে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
রক্তচাপ অত্যন্ত বেশি হলে
যদি রোগীর রক্তচাপ খুব বেশি হয়, তাহলে ব্যায়াম করা যাবে না। এ অবস্থায় প্রথমে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
অনিয়মিত ওষুধ গ্রহণ
যদি রোগী উচ্চ রক্তচাপের জন্য নির্ধারিত ওষুধ নিয়মিতভাবে না খেয়ে থাকে বা নতুন কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সমস্যা অনুভব করে, তাহলে ব্যায়াম থেকে বিরত থাকতে হবে।
ব্যায়ামজনিত তীব্র শারীরিক অসুস্থতা
যদি ব্যায়াম করার সময় বুকের ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অত্যধিক মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়, তবে অবিলম্বে ব্যায়াম বন্ধ করা উচিত। এ সময় দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।
অবস্থাগত পরিবর্তন
রোগীর নতুন কোনো রোগ শনাক্ত হওয়া, হার্টের সমস্যা বৃদ্ধি পাওয়া বা বড় অপারেশন হওয়ার মতো শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হলে ব্যায়াম করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
গর্ভাবস্থা ও অন্যান্য জটিলতা
গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ থাকলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এ ছাড়া অন্যান্য জটিলতা, যেমন হৃদ্রোগ, কিডনির সমস্যা ইত্যাদি থাকলে ব্যায়াম করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সাধারণত উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীরা নিয়মিত হালকা থেকে মধ্যম মানের ব্যায়াম, যেমন হাঁটা, সাইকেল চালানো, হালকা জগিং ইত্যাদি করতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ও নির্দেশনা মেনে চলা উচিত।
পরামর্শ দিয়েছেন: ডা. এম ইয়াছিন আলী,চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা

উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে কিছু পরিস্থিতিতে এটি বিপজ্জনক হতে পারে। সেসব পরিস্থিতিতে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
রক্তচাপ অত্যন্ত বেশি হলে
যদি রোগীর রক্তচাপ খুব বেশি হয়, তাহলে ব্যায়াম করা যাবে না। এ অবস্থায় প্রথমে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।
অনিয়মিত ওষুধ গ্রহণ
যদি রোগী উচ্চ রক্তচাপের জন্য নির্ধারিত ওষুধ নিয়মিতভাবে না খেয়ে থাকে বা নতুন কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সমস্যা অনুভব করে, তাহলে ব্যায়াম থেকে বিরত থাকতে হবে।
ব্যায়ামজনিত তীব্র শারীরিক অসুস্থতা
যদি ব্যায়াম করার সময় বুকের ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অত্যধিক মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়, তবে অবিলম্বে ব্যায়াম বন্ধ করা উচিত। এ সময় দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে।
অবস্থাগত পরিবর্তন
রোগীর নতুন কোনো রোগ শনাক্ত হওয়া, হার্টের সমস্যা বৃদ্ধি পাওয়া বা বড় অপারেশন হওয়ার মতো শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন হলে ব্যায়াম করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
গর্ভাবস্থা ও অন্যান্য জটিলতা
গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ থাকলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। এ ছাড়া অন্যান্য জটিলতা, যেমন হৃদ্রোগ, কিডনির সমস্যা ইত্যাদি থাকলে ব্যায়াম করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সাধারণত উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীরা নিয়মিত হালকা থেকে মধ্যম মানের ব্যায়াম, যেমন হাঁটা, সাইকেল চালানো, হালকা জগিং ইত্যাদি করতে পারেন। তবে এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ ও নির্দেশনা মেনে চলা উচিত।
পরামর্শ দিয়েছেন: ডা. এম ইয়াছিন আলী,চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
২ দিন আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৫ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৬ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৬ দিন আগে