অধ্যাপক ডা. এ কে এম মূসা

বিশ্বের ৫০০ মিলিয়ন সংক্রমণ এবং ১ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যুর কারণ মশা। অথচ মশা একটি সাধারণ পতঙ্গ। ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু জ্বর, হলুদ জ্বর, চিকুনগুনিয়া এবং অন্যান্য রোগ হয় মশার কামড়ে। বর্ষায় মশার কামড়ে হওয়া তিন রোগ:
ম্যালেরিয়া
ম্যালেরিয়া হলো প্লাজমোডিয়াম পরজীবী-সৃষ্ট একটি তীব্র জ্বরের অসুখ। এই পরজীবীগুলো সংক্রমিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হয়। এই মশাগুলো রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে বেশি সক্রিয় থাকে।
প্রাথমিক লক্ষণ
সাধারণত জ্বর, মাথাব্যথা এবং ঠান্ডা লাগা হিসেবে প্রকাশ পায় এর প্রাথমিক লক্ষণ। ১০ থেকে ১৫ দিন পরে জ্বরের সংক্রমণ বোঝা যায়। ফ্যালসিপেরাম ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা করা না হলে এটি ২৪ ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা তৈরি করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। শিশু-কিশোর, গর্ভবতী, এইডস রোগী এবং সেই সঙ্গে কম রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন মানুষেরা উচ্চ ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এ ছাড়া অভিবাসী শ্রমিক, ভ্রাম্যমাণ মানুষ ও ভ্রমণকারীদের ম্যালেরিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
ডেঙ্গু
ডেঙ্গু জ্বর ‘ব্যাকবোন ফিভার’ নামে পরিচিত। এটিও স্ত্রী মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশাগুলো জিকা, হলুদ জ্বর ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসও ছড়াতে পারে। ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ধরন আছে: এ, বি ও সি। এই শ্রেণির রোগীরা স্বাভাবিক থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী এই শ্রেণির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বিশ্রাম নেওয়াই যথেষ্ট। বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর যদি পেটব্যথা, বমি, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, জন্মগত সমস্যা, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকে এবং রোগী যদি অন্তঃসত্ত্বা হন, তাহলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো। সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। এতে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে।
চিকুনগুনিয়া
চিকুনগুনিয়া হলো চিকুনগুনিয়া ভাইরাস-সৃষ্ট সংক্রামক রোগ। এডিস অ্যালবোপিকটাস ও এডিস ইজিপ্টাই ভাইরাসের কামড়ে মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ প্রায়ই সংক্রমণের এক সপ্তাহ পরে দেখা দেয়। এ রোগ হলে হঠাৎ করে শুরু হয় এবং সঙ্গে জয়েন্টের ফোলা ও ব্যথা থাকে। জয়েন্টে ব্যথা কয়েক দিন থেকে সপ্তাহ, মাস বা এমনকি বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ডেঙ্গুর সঙ্গে তুলনা করলে চিকুনগুনিয়ায় শারীরিক ব্যথা বেশি তীব্র হয়। পেশিব্যথা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে শরীরে ফুসকুড়ি হতে পারে।
সংক্রমণের লক্ষণ
এসব রোগের মশা কাউকে সংক্রমিত করলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছোটখাটো লক্ষণ দেখা দেয়। হালকা জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি এবং ফুসকুড়ি সাধারণ লক্ষণ। কিন্তু রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব মস্তিষ্কের টিস্যু বা মস্তিষ্কের আশপাশের ঝিল্লি এবং মেরুদণ্ডের কর্ড বা মেনিনজাইটিস ক্ষতিগ্রস্ত করলে এটি গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে। গুরুতর অসুস্থতায় যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় সেগুলো হলো, দ্রুত জ্বর বাড়া, মাথাব্যথা, মল বা প্রস্রাবে রক্ত যাওয়া, পেশির খিঁচুনি, হৃদ্রোগের আক্রমণ, বমি বমি ভাব।
চিকিৎসা
মশার মাধ্যমে ছড়ানো বেশির ভাগ রোগের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ম্যালেরিয়া ওষুধের মাধ্যমে সহজেই নিরাময়যোগ্য। কিন্তু ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ওষুধ নেই। কারণ, এগুলো ভাইরাল রোগ। জটিলতা দেখা দিলে সহায়ক থেরাপি এবং অঙ্গ-নির্দিষ্ট থেরাপির প্রয়োজন। শরীরের ব্যথা, জ্বর, ফুসকুড়ি এবং অন্যান্য উপসর্গের চিকিৎসার জন্য ওষুধ ব্যবহার করা হয়। পরিস্থিতি খারাপ হলে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।
মশার প্রতিকার
মশারি, কয়েল, অ্যারোসল, লিকুইড ভ্যাপোরাইজার এবং অন্যান্য পণ্যের মাধ্যমে মশা থেকে দূরে থাকতে হবে। এ ছাড়া মশা তাড়ানোর জন্য লোশন, রোল-অন এবং ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।
পানি জমার স্থান
মশা প্রজননের জায়গা হিসেবে স্বচ্ছ জমা পানি পছন্দ করে। খোলা পাত্রের পরিবর্তে বন্ধ ঢাকনাযুক্ত পাত্রে পানি সংরক্ষণ করুন। পানি সংরক্ষণের জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। এতে মশার বংশ বৃদ্ধি পাবে না।
পরিচ্ছন্ন পরিবেশ
বাসাবাড়ির চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখুন। নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা ফেলুন। ঘর পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত রাখুন। ছাদ, মেঝে ও আসবাব নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করুন।
মশার নেট
ঘরে আলো ও বায়ু চলাচলের জন্য জানালা ও ভেন্টিলেটরে মশার নেট ব্যবহার করুন। তাতে বাইরের মশা ভেতরে আসতে পারবে না।
বাইরে যাওয়া
সন্ধ্যা ও ভোরে মশা বেশি কামড়ায়। তাই এ সময় বাইরে গেলে সতর্ক থাকুন, যেন মশা না কামড়ায়।
ভ্রমণে সুরক্ষা
মশার কামড় এড়াতে হাত-পা ঢাকা জামাকাপড় পরুন। রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করুন।
অধ্যাপক ডা. এ কে এম মূসা, মেডিসিন বিভাগ, আলোক হেলথ কেয়ার লিমিটেড, মিরপুর-১০, ঢাকা

বিশ্বের ৫০০ মিলিয়ন সংক্রমণ এবং ১ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যুর কারণ মশা। অথচ মশা একটি সাধারণ পতঙ্গ। ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু জ্বর, হলুদ জ্বর, চিকুনগুনিয়া এবং অন্যান্য রোগ হয় মশার কামড়ে। বর্ষায় মশার কামড়ে হওয়া তিন রোগ:
ম্যালেরিয়া
ম্যালেরিয়া হলো প্লাজমোডিয়াম পরজীবী-সৃষ্ট একটি তীব্র জ্বরের অসুখ। এই পরজীবীগুলো সংক্রমিত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হয়। এই মশাগুলো রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে বেশি সক্রিয় থাকে।
প্রাথমিক লক্ষণ
সাধারণত জ্বর, মাথাব্যথা এবং ঠান্ডা লাগা হিসেবে প্রকাশ পায় এর প্রাথমিক লক্ষণ। ১০ থেকে ১৫ দিন পরে জ্বরের সংক্রমণ বোঝা যায়। ফ্যালসিপেরাম ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা করা না হলে এটি ২৪ ঘণ্টার কম সময়ের মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা তৈরি করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে পারে। শিশু-কিশোর, গর্ভবতী, এইডস রোগী এবং সেই সঙ্গে কম রোগ প্রতিরোধক্ষমতাসম্পন্ন মানুষেরা উচ্চ ম্যালেরিয়ার ঝুঁকিতে থাকে। এ ছাড়া অভিবাসী শ্রমিক, ভ্রাম্যমাণ মানুষ ও ভ্রমণকারীদের ম্যালেরিয়া হওয়ার ঝুঁকি বেশি।
ডেঙ্গু
ডেঙ্গু জ্বর ‘ব্যাকবোন ফিভার’ নামে পরিচিত। এটিও স্ত্রী মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এই মশাগুলো জিকা, হলুদ জ্বর ও চিকুনগুনিয়া ভাইরাসও ছড়াতে পারে। ডেঙ্গু জ্বরের তিনটি ধরন আছে: এ, বি ও সি। এই শ্রেণির রোগীরা স্বাভাবিক থাকে। তাদের শুধু জ্বর থাকে। অধিকাংশ ডেঙ্গু রোগী এই শ্রেণির। তাদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বিশ্রাম নেওয়াই যথেষ্ট। বি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর যদি পেটব্যথা, বমি, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, জন্মগত সমস্যা, কিডনি বা লিভারের সমস্যা থাকে এবং রোগী যদি অন্তঃসত্ত্বা হন, তাহলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াই ভালো। সি ক্যাটাগরির ডেঙ্গু জ্বর সবচেয়ে খারাপ। এতে লিভার, কিডনি, মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। কিছু ক্ষেত্রে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্র বা আইসিইউর প্রয়োজন হতে পারে।
চিকুনগুনিয়া
চিকুনগুনিয়া হলো চিকুনগুনিয়া ভাইরাস-সৃষ্ট সংক্রামক রোগ। এডিস অ্যালবোপিকটাস ও এডিস ইজিপ্টাই ভাইরাসের কামড়ে মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। চিকুনগুনিয়ার লক্ষণ প্রায়ই সংক্রমণের এক সপ্তাহ পরে দেখা দেয়। এ রোগ হলে হঠাৎ করে শুরু হয় এবং সঙ্গে জয়েন্টের ফোলা ও ব্যথা থাকে। জয়েন্টে ব্যথা কয়েক দিন থেকে সপ্তাহ, মাস বা এমনকি বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ডেঙ্গুর সঙ্গে তুলনা করলে চিকুনগুনিয়ায় শারীরিক ব্যথা বেশি তীব্র হয়। পেশিব্যথা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি এবং কিছু ক্ষেত্রে শরীরে ফুসকুড়ি হতে পারে।
সংক্রমণের লক্ষণ
এসব রোগের মশা কাউকে সংক্রমিত করলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ছোটখাটো লক্ষণ দেখা দেয়। হালকা জ্বর, মাথাব্যথা, শরীরব্যথা, বমি বমি ভাব, বমি এবং ফুসকুড়ি সাধারণ লক্ষণ। কিন্তু রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব মস্তিষ্কের টিস্যু বা মস্তিষ্কের আশপাশের ঝিল্লি এবং মেরুদণ্ডের কর্ড বা মেনিনজাইটিস ক্ষতিগ্রস্ত করলে এটি গুরুতর অসুস্থতার কারণ হতে পারে। গুরুতর অসুস্থতায় যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় সেগুলো হলো, দ্রুত জ্বর বাড়া, মাথাব্যথা, মল বা প্রস্রাবে রক্ত যাওয়া, পেশির খিঁচুনি, হৃদ্রোগের আক্রমণ, বমি বমি ভাব।
চিকিৎসা
মশার মাধ্যমে ছড়ানো বেশির ভাগ রোগের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ম্যালেরিয়া ওষুধের মাধ্যমে সহজেই নিরাময়যোগ্য। কিন্তু ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়ার বিরুদ্ধে কোনো ওষুধ নেই। কারণ, এগুলো ভাইরাল রোগ। জটিলতা দেখা দিলে সহায়ক থেরাপি এবং অঙ্গ-নির্দিষ্ট থেরাপির প্রয়োজন। শরীরের ব্যথা, জ্বর, ফুসকুড়ি এবং অন্যান্য উপসর্গের চিকিৎসার জন্য ওষুধ ব্যবহার করা হয়। পরিস্থিতি খারাপ হলে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।
মশার প্রতিকার
মশারি, কয়েল, অ্যারোসল, লিকুইড ভ্যাপোরাইজার এবং অন্যান্য পণ্যের মাধ্যমে মশা থেকে দূরে থাকতে হবে। এ ছাড়া মশা তাড়ানোর জন্য লোশন, রোল-অন এবং ক্রিম ব্যবহার করা যেতে পারে।
পানি জমার স্থান
মশা প্রজননের জায়গা হিসেবে স্বচ্ছ জমা পানি পছন্দ করে। খোলা পাত্রের পরিবর্তে বন্ধ ঢাকনাযুক্ত পাত্রে পানি সংরক্ষণ করুন। পানি সংরক্ষণের জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন। এতে মশার বংশ বৃদ্ধি পাবে না।
পরিচ্ছন্ন পরিবেশ
বাসাবাড়ির চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখুন। নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা ফেলুন। ঘর পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত রাখুন। ছাদ, মেঝে ও আসবাব নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করুন।
মশার নেট
ঘরে আলো ও বায়ু চলাচলের জন্য জানালা ও ভেন্টিলেটরে মশার নেট ব্যবহার করুন। তাতে বাইরের মশা ভেতরে আসতে পারবে না।
বাইরে যাওয়া
সন্ধ্যা ও ভোরে মশা বেশি কামড়ায়। তাই এ সময় বাইরে গেলে সতর্ক থাকুন, যেন মশা না কামড়ায়।
ভ্রমণে সুরক্ষা
মশার কামড় এড়াতে হাত-পা ঢাকা জামাকাপড় পরুন। রাতে ঘুমানোর সময় মশারি ব্যবহার করুন।
অধ্যাপক ডা. এ কে এম মূসা, মেডিসিন বিভাগ, আলোক হেলথ কেয়ার লিমিটেড, মিরপুর-১০, ঢাকা

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
১১ ঘণ্টা আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
১৫ ঘণ্টা আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
১৯ ঘণ্টা আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
২০ ঘণ্টা আগে