নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজন চিকিৎসাধীন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৩৯৫ জন ডেঙ্গু রোগী সারা দেশের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
ডেঙ্গু বিষয়ক হালনাগাদকৃত তথ্যে আজ সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২২ হাজার ৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আর মারা গেছে ৮৬ জন। গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজন রোগী বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁরা দুজনই পুরুষ।
সর্বশেষ ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ৮৪ জন, রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ৬৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬১ জন, খুলনা বিভাগে ৫৬ জন, বরিশাল বিভাগে ৫৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে ৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১ হাজার ২৩৫ জন রোগী।
সরকারের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর জানুয়ারিতে থেকে আজ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীর সবচেয়ে মৃত্যু হয়েছে জুলাই মাসে। ওই মাসে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে তিনজন, এপ্রিলে সাতজন, মে মাসে তিনজন এবং জুনে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মার্চ মাসে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। আর আগস্টের প্রথম চার দিনে মারা গেছেন ৩ জন।
অন্যদিকে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে গত মাসে। মাসটিতে ১০ হাজার ৬৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪ জন, মার্চে ৩৩৬ জন, এপ্রিলে ৭০১ জন, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন এবং জুনে ভর্তি হয়েছেন ৫ হাজার ৯৫১ জন রোগী। আর আগস্টের প্রথম চার দিনে হাসপাতালে এসেছেন ১ হাজার ৮৫ ডেঙ্গু রোগী।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজন চিকিৎসাধীন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আরও ৩৯৫ জন ডেঙ্গু রোগী সারা দেশের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
ডেঙ্গু বিষয়ক হালনাগাদকৃত তথ্যে আজ সোমবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে ২২ হাজার ৬৫ জনে দাঁড়িয়েছে। আর মারা গেছে ৮৬ জন। গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজন রোগী বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁরা দুজনই পুরুষ।
সর্বশেষ ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ৮৪ জন, রাজধানীর বাইরে ঢাকা বিভাগে ৬৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৬১ জন, খুলনা বিভাগে ৫৬ জন, বরিশাল বিভাগে ৫৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে ৯ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ১ হাজার ২৩৫ জন রোগী।
সরকারের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর জানুয়ারিতে থেকে আজ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগীর সবচেয়ে মৃত্যু হয়েছে জুলাই মাসে। ওই মাসে ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া জানুয়ারিতে ১০ জন, ফেব্রুয়ারিতে তিনজন, এপ্রিলে সাতজন, মে মাসে তিনজন এবং জুনে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মার্চ মাসে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। আর আগস্টের প্রথম চার দিনে মারা গেছেন ৩ জন।
অন্যদিকে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে গত মাসে। মাসটিতে ১০ হাজার ৬৮৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। জানুয়ারিতে ১ হাজার ১৬১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩৭৪ জন, মার্চে ৩৩৬ জন, এপ্রিলে ৭০১ জন, মে মাসে ১ হাজার ৭৭৩ জন এবং জুনে ভর্তি হয়েছেন ৫ হাজার ৯৫১ জন রোগী। আর আগস্টের প্রথম চার দিনে হাসপাতালে এসেছেন ১ হাজার ৮৫ ডেঙ্গু রোগী।

ঘাড়ের পেছনে বা বগলের নিচে ত্বক কুঁচকে কালো হয়ে যাওয়া মানেই সেটি সব সময় অপরিচ্ছন্নতার লক্ষণ নয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় এটি অনেক সময় ‘অ্যাকান্থোসিস নিগ্রিকান্স’ হতে পারে। সাধারণভাবে এটি ক্ষতিকর না হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য বিপাকীয় সমস্যার
১৭ ঘণ্টা আগে
দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
৪ দিন আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
৫ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
৫ দিন আগে