ডা. দেলোয়ার হোসেন

প্রচণ্ড গরমে শিশুরা হাঁপিয়ে ওঠে। বর্ষায় তারা কিছুটা স্বস্তি পায়। বর্ষাকালে আবহাওয়ার পরিবর্তন, টানা বৃষ্টি ইত্যাদির কারণে শিশুদের অসুখ-বিসুখ বেড়ে যায়। এ সময় শিশুরা হাঁচি, কাশি, জ্বর, ঠান্ডা, বদহজম ও পেটব্যথায় ভোগে। শিশুরা তাদের উপসর্গের কথা মুখে বলতে পারে না। তাই বাবা-মাকে শিশুদের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
জ্বর: সারা বছর শিশুদের জ্বর হলেও বর্ষায় ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। জ্বর হলে সর্দি-কাশি, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা, হাত-পা ম্যাজম্যাজ করা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। এ সময় জ্বর হলে তিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। বর্ষাকালে শিশুদের টাইফয়েডও হতে পারে। মূলত ব্যাকটেরিয়াযুক্ত পানি পান করলে এই রোগ হয়ে থাকে।
পানিবাহিত রোগ: বর্ষাকালে শিশুদের বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগ, যেমন: ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা ইত্যাদি হতে পারে। বড়দেরও এ সমস্যা হতে পারে।
ডেঙ্গু: বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ডেঙ্গু হলে জ্বর, চামড়ায় র্যাশ, সারা শরীরে ব্যথা হয়ে থাকে।
পেটে কৃমি: বর্ষাকালে শিশুদের পেটে কৃমির সমস্যা বেড়ে যায়। সাধারণত মায়েরা অপরিষ্কার হাতে রান্না করলে, নখ না কাটলে শিশুদের কৃমি হয়ে থাকে। শিশুদের হাতের নখ বড় থাকলেও তাদের পেটের অসুখ হয়ে থাকে।
জন্ডিস: দূষিত পানি পানের কারণে বর্ষায় শিশুদের জন্ডিস হয়। জন্ডিস হলে শিশুর শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যায়। প্রস্রাবের রং হলদেটে হয়। জন্ডিস হলে শিশু খেতে চায় না। শিশুর শরীর দুর্বল হয়ে যায়।
ম্যালেরিয়া: বৃষ্টির দিনে বা বর্ষাকালে বাড়ির আশপাশে, ফুলের টব ও বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকে। এই জমে থাকা পানি থেকে এডিস ও স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার জন্ম হয়। স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া হয়ে থাকে।
চিকুনগুনিয়া: মশার কামড়ে চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ হয়ে থাকে। এ রোগ হলে হঠাৎ জ্বর আসে, হাড়ে ব্যথা হয়। চিকুনগুনিয়া হলে তীব্র জ্বর আসে। শরীরে র্যাশ দেখা দেয়।
অসুখ থেকে বাঁচতে করণীয়
বর্ষাকালে মশার উপদ্রব বাড়ে, এ সময় বাড়ির চারপাশ, ফুলের টব, বাড়িঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া থেকে বাঁচতে শিশুর ঘরে মশারি টানিয়ে রাখতে হবে। দিনের বেলায়ও শিশুকে মশারির মধ্যে রাখতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচাতে শিশুকে ফুলহাতা পোশাক পরাতে হবে। পানিবাহিত রোগ থেকে শিশুকে বাঁচাতে বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে। তাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাইরের খোলা খাবার শিশুকে খাওয়ানো যাবে না। পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।
লেখক: পরিচালক
ঢাকা ইম্পিরিয়াল হাসপাতাল

প্রচণ্ড গরমে শিশুরা হাঁপিয়ে ওঠে। বর্ষায় তারা কিছুটা স্বস্তি পায়। বর্ষাকালে আবহাওয়ার পরিবর্তন, টানা বৃষ্টি ইত্যাদির কারণে শিশুদের অসুখ-বিসুখ বেড়ে যায়। এ সময় শিশুরা হাঁচি, কাশি, জ্বর, ঠান্ডা, বদহজম ও পেটব্যথায় ভোগে। শিশুরা তাদের উপসর্গের কথা মুখে বলতে পারে না। তাই বাবা-মাকে শিশুদের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
জ্বর: সারা বছর শিশুদের জ্বর হলেও বর্ষায় ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ বাড়ে। জ্বর হলে সর্দি-কাশি, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা, হাত-পা ম্যাজম্যাজ করা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। এ সময় জ্বর হলে তিন থেকে সাত দিন পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। বর্ষাকালে শিশুদের টাইফয়েডও হতে পারে। মূলত ব্যাকটেরিয়াযুক্ত পানি পান করলে এই রোগ হয়ে থাকে।
পানিবাহিত রোগ: বর্ষাকালে শিশুদের বিভিন্ন ধরনের পানিবাহিত রোগ, যেমন: ডায়রিয়া, আমাশয়, কলেরা ইত্যাদি হতে পারে। বড়দেরও এ সমস্যা হতে পারে।
ডেঙ্গু: বর্ষাকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। ডেঙ্গু হলে জ্বর, চামড়ায় র্যাশ, সারা শরীরে ব্যথা হয়ে থাকে।
পেটে কৃমি: বর্ষাকালে শিশুদের পেটে কৃমির সমস্যা বেড়ে যায়। সাধারণত মায়েরা অপরিষ্কার হাতে রান্না করলে, নখ না কাটলে শিশুদের কৃমি হয়ে থাকে। শিশুদের হাতের নখ বড় থাকলেও তাদের পেটের অসুখ হয়ে থাকে।
জন্ডিস: দূষিত পানি পানের কারণে বর্ষায় শিশুদের জন্ডিস হয়। জন্ডিস হলে শিশুর শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে যায়। প্রস্রাবের রং হলদেটে হয়। জন্ডিস হলে শিশু খেতে চায় না। শিশুর শরীর দুর্বল হয়ে যায়।
ম্যালেরিয়া: বৃষ্টির দিনে বা বর্ষাকালে বাড়ির আশপাশে, ফুলের টব ও বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে থাকে। এই জমে থাকা পানি থেকে এডিস ও স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার জন্ম হয়। স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া হয়ে থাকে।
চিকুনগুনিয়া: মশার কামড়ে চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ হয়ে থাকে। এ রোগ হলে হঠাৎ জ্বর আসে, হাড়ে ব্যথা হয়। চিকুনগুনিয়া হলে তীব্র জ্বর আসে। শরীরে র্যাশ দেখা দেয়।
অসুখ থেকে বাঁচতে করণীয়
বর্ষাকালে মশার উপদ্রব বাড়ে, এ সময় বাড়ির চারপাশ, ফুলের টব, বাড়িঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, ম্যালেরিয়া থেকে বাঁচতে শিশুর ঘরে মশারি টানিয়ে রাখতে হবে। দিনের বেলায়ও শিশুকে মশারির মধ্যে রাখতে হবে। মশার কামড় থেকে বাঁচাতে শিশুকে ফুলহাতা পোশাক পরাতে হবে। পানিবাহিত রোগ থেকে শিশুকে বাঁচাতে বিশুদ্ধ পানি পান করাতে হবে। তাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাইরের খোলা খাবার শিশুকে খাওয়ানো যাবে না। পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।
লেখক: পরিচালক
ঢাকা ইম্পিরিয়াল হাসপাতাল

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
২ দিন আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
৩ দিন আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
৩ দিন আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
৩ দিন আগে