ফিচার ডেস্ক

চোখে চুলকানি, লাল ভাব অথবা জ্বালাপোড়া—এসব উপসর্গ অ্যালার্জির সাধারণ লক্ষণ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু অনেকে হয়তো জানেন না, অ্যালার্জির কারণে চোখে শুষ্কতা কিংবা ‘ড্রাই আই’ও দেখা দিতে পারে। এমনকি অ্যালার্জির চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধও চোখের স্বাভাবিক পানি উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে। এতে সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
চোখ কেন শুষ্ক হয়
চোখের শুষ্কতা সাধারণত তখনই হয়, যখন চোখে পর্যাপ্ত পানি তৈরি হয় না। এ ধরনের সমস্যার পেছনে থাকতে পারে ধুলাবালি, ধোঁয়া, ফুলের রেণু, পারফিউম, পোষা প্রাণীর লোমসহ বিভিন্ন উপাদান। যাঁরা দীর্ঘ সময় কম্পিউটার অথবা মোবাইল স্ক্রিনে কাজ করেন কিংবা নিয়মিত কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন, তাঁদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া কিছু ওষুধ; যেমন অ্যান্টিহিস্টামিন, উদ্বেগ কমানোর ওষুধ, বিটা-ব্লকার বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ, চোখের অশ্রুগ্রন্থিকে প্রভাবিত করে চোখ শুকিয়ে ফেলতে পারে।
চোখের অ্যালার্জি এবং এর ধরন
চোখের অ্যালার্জি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এগুলো মধ্যে সাধারণ হলো মৌসুমি বা বারোমাসি অ্যালার্জিক কনজাংকটিভাইটিস। এ ধরনের অ্যালার্জিতে চোখে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, পানি পড়া এবং লালচে ভাব দেখা দেয়। যাঁদের ধুলা বা পোষা প্রাণীর লোমে অ্যালার্জি রয়েছে, তাঁদের মধ্যে অনেক সময় এ ধরনের উপসর্গ বেশি দেখা যায়।
আরেক ধরনের অ্যালার্জি হলো ভারনাল ও অ্যাটোপিক কেরাটোকনজাংকটিভাইটিস। এটি মূলত পুরুষদের মধ্যে দেখা যায়; বিশেষ করে যাঁদের হাঁপানি রয়েছে। এ ধরনের অ্যালার্জি বছরের যেকোনো সময় হতে পারে এবং চোখে আলো সহ্য না হওয়া, ঘন ময়লা জমা এবং চোখে কিছু ঢুকে থাকার অনুভূতি তৈরি করে।
কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে দেখা যায় কন্টাক্ট অ্যালার্জিক কনজাংকটিভাইটিস ও জায়ান্ট প্যাপিলারি কনজাংকটিভাইটিস। এসব ক্ষেত্রে চোখে অস্বস্তি, মিউকাসজাতীয় স্রাব এবং লেন্স পরলে ব্যথা অথবা জ্বালা অনুভব হয়।
প্রতিকার ও করণীয়
চোখের শুষ্কতা কমাতে সবার আগে অ্যালার্জির উপাদান থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। এ জন্য ঘরবাড়ি, বিছানার চাদর এবং বালিশের কভার নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, ঘরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে রাখা, পোষা প্রাণী ছোঁয়ার
পর হাত ধুয়ে ফেলা এবং বাইরে গেলে সানগ্লাস ব্যবহার করা যেতে পারে।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে আই ড্রপ, অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ কিংবা চোখের ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। তবে অ্যান্টিহিস্টামিন কিছু ক্ষেত্রে শুষ্কতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ কখন প্রয়োজন
যদি চোখের শুষ্কতা দীর্ঘদিন স্থায়ী হয় অথবা ঘরোয়া প্রতিকার কোনো কাজ না করে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। চক্ষুবিশেষজ্ঞ আপনার চোখের বাইরের গঠন, পানির উৎপাদনের পরিমাণ এবং গুণাগুণ পরীক্ষা করে সমস্যার উৎস চিহ্নিত করবেন। প্রয়োজন হলে অ্যালার্জি পরীক্ষাও করা হতে পারে।
চোখ আমাদের অমূল্য অঙ্গ। অ্যালার্জির কারণে চোখে শুষ্কতা দেখা দিলে তা শুধু অস্বস্তিকরই নয়, দীর্ঘ মেয়াদে চোখের ক্ষতির কারণও হতে পারে। তাই সচেতনতা, সময়মতো চিকিৎসা এবং নিজের প্রতি যত্নই হতে পারে চোখের সুস্থতার মূল চাবিকাঠি।
সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

চোখে চুলকানি, লাল ভাব অথবা জ্বালাপোড়া—এসব উপসর্গ অ্যালার্জির সাধারণ লক্ষণ হিসেবে পরিচিত। কিন্তু অনেকে হয়তো জানেন না, অ্যালার্জির কারণে চোখে শুষ্কতা কিংবা ‘ড্রাই আই’ও দেখা দিতে পারে। এমনকি অ্যালার্জির চিকিৎসায় ব্যবহৃত কিছু ওষুধও চোখের স্বাভাবিক পানি উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে। এতে সমস্যা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।
চোখ কেন শুষ্ক হয়
চোখের শুষ্কতা সাধারণত তখনই হয়, যখন চোখে পর্যাপ্ত পানি তৈরি হয় না। এ ধরনের সমস্যার পেছনে থাকতে পারে ধুলাবালি, ধোঁয়া, ফুলের রেণু, পারফিউম, পোষা প্রাণীর লোমসহ বিভিন্ন উপাদান। যাঁরা দীর্ঘ সময় কম্পিউটার অথবা মোবাইল স্ক্রিনে কাজ করেন কিংবা নিয়মিত কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন, তাঁদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া কিছু ওষুধ; যেমন অ্যান্টিহিস্টামিন, উদ্বেগ কমানোর ওষুধ, বিটা-ব্লকার বা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ, চোখের অশ্রুগ্রন্থিকে প্রভাবিত করে চোখ শুকিয়ে ফেলতে পারে।
চোখের অ্যালার্জি এবং এর ধরন
চোখের অ্যালার্জি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এগুলো মধ্যে সাধারণ হলো মৌসুমি বা বারোমাসি অ্যালার্জিক কনজাংকটিভাইটিস। এ ধরনের অ্যালার্জিতে চোখে চুলকানি, জ্বালাপোড়া, পানি পড়া এবং লালচে ভাব দেখা দেয়। যাঁদের ধুলা বা পোষা প্রাণীর লোমে অ্যালার্জি রয়েছে, তাঁদের মধ্যে অনেক সময় এ ধরনের উপসর্গ বেশি দেখা যায়।
আরেক ধরনের অ্যালার্জি হলো ভারনাল ও অ্যাটোপিক কেরাটোকনজাংকটিভাইটিস। এটি মূলত পুরুষদের মধ্যে দেখা যায়; বিশেষ করে যাঁদের হাঁপানি রয়েছে। এ ধরনের অ্যালার্জি বছরের যেকোনো সময় হতে পারে এবং চোখে আলো সহ্য না হওয়া, ঘন ময়লা জমা এবং চোখে কিছু ঢুকে থাকার অনুভূতি তৈরি করে।
কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে দেখা যায় কন্টাক্ট অ্যালার্জিক কনজাংকটিভাইটিস ও জায়ান্ট প্যাপিলারি কনজাংকটিভাইটিস। এসব ক্ষেত্রে চোখে অস্বস্তি, মিউকাসজাতীয় স্রাব এবং লেন্স পরলে ব্যথা অথবা জ্বালা অনুভব হয়।
প্রতিকার ও করণীয়
চোখের শুষ্কতা কমাতে সবার আগে অ্যালার্জির উপাদান থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। এ জন্য ঘরবাড়ি, বিছানার চাদর এবং বালিশের কভার নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, ঘরের আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণে রাখা, পোষা প্রাণী ছোঁয়ার
পর হাত ধুয়ে ফেলা এবং বাইরে গেলে সানগ্লাস ব্যবহার করা যেতে পারে।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে আই ড্রপ, অ্যান্টিহিস্টামিনজাতীয় ওষুধ কিংবা চোখের ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়। তবে অ্যান্টিহিস্টামিন কিছু ক্ষেত্রে শুষ্কতা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।
চিকিৎসকের পরামর্শ কখন প্রয়োজন
যদি চোখের শুষ্কতা দীর্ঘদিন স্থায়ী হয় অথবা ঘরোয়া প্রতিকার কোনো কাজ না করে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। চক্ষুবিশেষজ্ঞ আপনার চোখের বাইরের গঠন, পানির উৎপাদনের পরিমাণ এবং গুণাগুণ পরীক্ষা করে সমস্যার উৎস চিহ্নিত করবেন। প্রয়োজন হলে অ্যালার্জি পরীক্ষাও করা হতে পারে।
চোখ আমাদের অমূল্য অঙ্গ। অ্যালার্জির কারণে চোখে শুষ্কতা দেখা দিলে তা শুধু অস্বস্তিকরই নয়, দীর্ঘ মেয়াদে চোখের ক্ষতির কারণও হতে পারে। তাই সচেতনতা, সময়মতো চিকিৎসা এবং নিজের প্রতি যত্নই হতে পারে চোখের সুস্থতার মূল চাবিকাঠি।
সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে পড়েছে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে, আর এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতি সহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা...
৯ ঘণ্টা আগে
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, গর্ভবতী নারীদের প্যারাসিটামল সেবন করা উচিত নয়, এতে ক্ষতি হয়। ট্রাম্প দাবি করেন, গর্ভাবস্থায় প্যারাসিটামল সেবন নিরাপদ নয় এবং এতে শিশুদের অটিজম, এডিএইচডি বা বিকাশজনিত সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে। এই ওষুধ না গ্রহণের পক্ষে নারীদের ‘প্রাণপণে লড়াই’ করা উচিত।
১২ ঘণ্টা আগে
নাক, কান ও গলা—অন্যান্য অঙ্গের মতো এই তিন অঙ্গ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শ্বাস নেওয়া, কথা বলা, শোনা কিংবা খাবার গ্রহণ—এসব অঙ্গের ওপর নির্ভরশীল। সামান্য অসচেতনতা কিংবা ভুল অভ্যাসের কারণে এগুলোতে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ দেখা দিতে পারে।
১৬ ঘণ্টা আগে
ওজন কমানোর নামে খাবার তালিকা থেকে শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া এখন একটা রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস বা রক্তে কোলেস্টরেলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে কার্বোহাইড্রেট বাদ দেওয়া হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে