মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের নাম পরিবর্তন করার জন্য সম্প্রতি একটি উন্মুক্ত ফোরাম খুলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকেরা অসংখ্য অদ্ভুত অদ্ভুত নাম প্রস্তাব করেছেন, যার মধ্যে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামও রয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের সঙ্গে বানরের কোনো সম্পর্ক নেই। এই প্রাণীর মাধ্যমে মাঙ্কিপক্স ভাইরাস ছড়ায় না। ফলে ভাইরাসটির নাম মাঙ্কিপক্স হওয়ায় বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। গত জুন মাসে একদল বিজ্ঞানী উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, মাঙ্কিপক্স নামটি একটি বর্ণবাদী নাম। এই নাম পরিবর্তন করে একটি নিরপেক্ষ, বৈষম্যহীন ও কলঙ্কমুক্ত নাম রাখা হোক।
বিজ্ঞানীদের এই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভাইরাসটির নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মুখপাত্র ফাদেলা চাইব গত মঙ্গলবার বলেন, ‘মাঙ্কিপক্সের জন্য একটি নতুন নাম খুঁজে পাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নামের মাধ্যমে কোনো গোষ্ঠী, কোনো সম্প্রদায়, কোনো দেশ বা প্রাণীর প্রতি অবিচার না করাই সর্বোত্তম চর্চা। ডব্লিউএইচও এ ব্যাপারে খুবই সতর্ক।’
এরপর সংস্থাটি একটি উন্মুক্ত ফোরাম খুলে সাধারণ মানুষের কাছে ভাইরাসটির নতুন নাম চায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে অসংখ্য নাম জমা পড়ে ওই ফোরামে। জমা পড়া নামগুলোর মধ্যে রয়েছে অপক্সিড-২২, পক্সি ম্যাকপক্সফেস, এমপক্স ইত্যাদি। এর মধ্যে ‘ট্রাম্প-২২’ নামটিও রয়েছে।
মাঙ্কিপক্স ভাইরাসের পরিবর্তিত নাম হিসেবে ‘ট্রাম্প-২২’ নামটি গ্রহণ করা হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ‘আশা করি কোনো হাস্যকর নাম দেওয়া হবে না ভাইরাসটির।’

গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম উপসর্গের রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৮ হাজার ৫৭০ আর নিশ্চিত হামের ১৪ হাজার ৫৭৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ২৬ জন, যাদের মধ্যে ৯৭ হাজার ৫৩২ জন ছাড়পত্র পেয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের। এর মধ্যে চলতি মাসে ১৯ জন মারা গেছে। আর জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
১ দিন আগে
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর সরকার এমআর (মিজেলস-রুবেলা) টিকাদানের বিশেষ কর্মসূচি শুরু করে। দেড় মাস ধরে কয়েক ধাপে পরিচালিত এই কর্মসূচির শেষ দফার টিকা প্রয়োগেরও দুই মাস পেরিয়ে গেছে। তবে অতিসংক্রামক এই রোগের সংক্রমণ ও মৃত্যু এখনো আশানুরূপভাবে কমেনি। এমন পরিস্থিতিতে বিশেষ এই টিকাদান...
২ দিন আগে
দীর্ঘ সময় অতিরিক্ত গরমে থাকা মানুষের জন্য বিপজ্জনক—এ কথা বহুদিন ধরেই জানা। তাপপ্রবাহে প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজারো মানুষের মৃত্যু হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, নিয়ন্ত্রিত ও সীমিত সময়ের তাপ-চিকিৎসা—বিশেষ করে সাউনা—হৃদ্রোগ, স্ট্রোক, আলঝেইমার এমনকি বিষণ্নতার ঝুঁকিও কমাতে পারে।
২ দিন আগে