হাম ও হামের উপসর্গে দেশে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে সাতজন আর একজনের হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
এ নিয়ে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৬২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৩৬ ও নিশ্চিত হামে ৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এই হিসাব গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে যে আটজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে তিনজন ঢাকা বিভাগের। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগে একজন করে মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম শানাক্ত হয়েছে ৯৩ জনের। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৭৭৯ জন।
শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০ হাজার ১০৪ জনে।

তদন্তে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় একাধিক ত্রুটি, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঘাটতি, পরিবেশগত সমস্যা এবং দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলার চিত্র উঠে আসে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়। তবে তাদের ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ১১ জুন হাসপাতালটির
১৪ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই পাঁচজনসহ গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৭৩০ জন। একই সময়ে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯৫ জনের। অর্থাৎ, হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮২৫ জনে।
১৭ ঘণ্টা আগে
সরকারের তথ্য বলছে, আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৯৯০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ দেখা গেল ১ লাখ ২৩ হাজার ৭৫৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাব পরীক্ষায় নতুন করে আরও ১০৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে আজ
২ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৪৫৮ জন। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
২ দিন আগে