
দেশে এ বছরে প্রথম একজন নারীর শরীরে হিউম্যান মেটানিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) শনাক্ত হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান ডা. আহমেদ নওশের আলম।
নওশের আলম বলেন, ‘আক্রান্ত নারী একজন গৃহিণী। তাঁর বিদেশ ভ্রমণের কোনো ইতিহাস নেই। তাঁর স্বামী বিদেশে থাকেন। তবে অতি সম্প্রতি ওই নারীর স্বামীও দেশে আসেননি।’
তবে এইচএমপিভি ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই জানিয়েছেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেন, ‘এই ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। এটি আগেও দেশে পাওয়া গেছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার হার খুবই কম। আমাদের আরও সতর্ক হতে হবে। মাস্ক পরা, হাত ধোয়া, হাইজিন মেনটেইন করা, প্রচুর পানি পান করতে হবে। যাদের দুই থেকে তিনটি রোগের জটিলতা আছে, যাদের বয়স ৫ বছরের কম ও ৬৫ বছরের বেশি, তারা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বেন।’
ইনফ্লুয়েঞ্জা ধরনের এই ভাইরাসে ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বহুসংখ্যক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে ভাইরাসটি সম্পর্কে এখনো কোনো সতর্কতা জারি করেনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
আক্রান্ত ওই রোগী বর্তমানে ঢাকা সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে সেখানে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তবে রোগীর অবস্থা আগের চেয়ে ভালো হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আক্রান্ত ওই নারীকে গতকাল এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে রাজধানীর গ্রীন রোডের সেন্ট্রাল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। এইচএমপিভি ভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় তাঁকে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামে আর অন্য চারটির হামের উপসর্গ নিয়ে।
১২ ঘণ্টা আগে
ইবোলার একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির বিরুদ্ধে কার্যকর টিকা প্রস্তুত হতে আরও নয় মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গতকাল বুধবার এ কথা জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপদেষ্টা ড. ভাসি মূর্তি।
১৮ ঘণ্টা আগে
ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআরসি) এবং উগান্ডায় ইবোলা ভাইরাসের নতুন ধরনের প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে এই রোগের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। যদিও বৈশ্বিক ঝুঁকি এখনো কম বলে মনে করছে সংস্থাটি।
১ দিন আগে
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামে আর অন্য তিনটির হামের উপসর্গ নিয়ে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৮১ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৮০ জনের।
২ দিন আগে