ফিচার ডেস্ক

আরহাস ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা কিডনির প্রথম দিকের পরিবর্তন শনাক্ত করতে একটি উন্নত স্ক্যানার ব্যবহারে সফলতা পেয়েছেন। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ইনভেস্টিগেটিভ রেডিওলজি জার্নালে।
হাইপারপোলারাইজড ১৩সি-পাইরুভেট এমআরআই নামে পরিচিত প্রযুক্তির সাহায্যে চিকিৎসকেরা এখন ফাইব্রোসিস গঠনের আগে রোগ নির্ণয় করতে পারবেন। ফলে আগে থেকে চিকিৎসা শুরু এবং কিডনির সম্ভাব্য ক্ষতি প্রতিরোধ করতে পারবেন। নতুন এই গবেষণার প্রধান লেখক আরহাস ইউনিভার্সিটির ক্লিনিক্যাল মেডিসিন বিভাগের পোস্টডক নিকোলজ বোঘ। তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমান সব পদ্ধতির চেয়ে আগে ফাইব্রোসিস উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিবর্তনগুলো পরিমাপ করতে পারি, যা ইতিমধ্যে উৎপাদিত ফাইব্রোসিসের পরিমাণ পরিমাপ করে।’
প্রধান লেখক আরও জানান, নতুন পদ্ধতিটি ফাইব্রোসিস নিয়ে গঠিত বিল্ডিং ব্লকগুলোকে ইমেজ করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু ধরতে পারে। এই প্রযুক্তি পাইরুভেটের একটি বিশেষ রূপকে ইংজেক্ট করার মাধ্যমে কাজ করে থাকে। এর মাধ্যমে রোগীর শরীর প্রাকৃতিকভাবে শক্তি উৎপাদনে সক্ষম হয়। যখন পাইরুভেট অণুগুলো হাইপারপোলারাইজড হয়, তখন তাদের চৌম্বকীয় সংকেত উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। পাইরুভেটের পরিবর্তনগুলো লক্ষ করেই চিকিৎসকেরা বুঝতে পারবেন প্রাথমিক লক্ষণ। পদ্ধতিটি কার্যকর এবং রোগীদের জন্য নিরাপদ ও আরামদায়ক।
প্রযুক্তিটি কিডনি রোগের বাইরে অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত ফাইব্রোজেনেসিস নির্দিষ্ট ধরনের হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। তবে ল্যাবরেটরি থেকে এটিকে ক্লিনিক পর্যন্ত নিয়ে যেতে রোগীদের ওপর আরও ট্রায়াল প্রয়োজন। বোঘ ও তাঁর সহকর্মীরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন কিডনি রোগীর ওপর তিনটি ক্লিনিক্যাল গবেষণা শুরু করেছেন। কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের শনাক্ত করাসহ পদ্ধতির মান প্রদর্শন করা এ গবেষণার লক্ষ্য। প্রযুক্তিটি সম্ভাবনাময় হলেও হয়তো এর ক্লিনিক্যাল ব্যবহার বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে।
সূত্র: এমএসএন

আরহাস ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা কিডনির প্রথম দিকের পরিবর্তন শনাক্ত করতে একটি উন্নত স্ক্যানার ব্যবহারে সফলতা পেয়েছেন। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ইনভেস্টিগেটিভ রেডিওলজি জার্নালে।
হাইপারপোলারাইজড ১৩সি-পাইরুভেট এমআরআই নামে পরিচিত প্রযুক্তির সাহায্যে চিকিৎসকেরা এখন ফাইব্রোসিস গঠনের আগে রোগ নির্ণয় করতে পারবেন। ফলে আগে থেকে চিকিৎসা শুরু এবং কিডনির সম্ভাব্য ক্ষতি প্রতিরোধ করতে পারবেন। নতুন এই গবেষণার প্রধান লেখক আরহাস ইউনিভার্সিটির ক্লিনিক্যাল মেডিসিন বিভাগের পোস্টডক নিকোলজ বোঘ। তিনি বলেন, ‘আমরা বর্তমান সব পদ্ধতির চেয়ে আগে ফাইব্রোসিস উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিবর্তনগুলো পরিমাপ করতে পারি, যা ইতিমধ্যে উৎপাদিত ফাইব্রোসিসের পরিমাণ পরিমাপ করে।’
প্রধান লেখক আরও জানান, নতুন পদ্ধতিটি ফাইব্রোসিস নিয়ে গঠিত বিল্ডিং ব্লকগুলোকে ইমেজ করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু ধরতে পারে। এই প্রযুক্তি পাইরুভেটের একটি বিশেষ রূপকে ইংজেক্ট করার মাধ্যমে কাজ করে থাকে। এর মাধ্যমে রোগীর শরীর প্রাকৃতিকভাবে শক্তি উৎপাদনে সক্ষম হয়। যখন পাইরুভেট অণুগুলো হাইপারপোলারাইজড হয়, তখন তাদের চৌম্বকীয় সংকেত উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। পাইরুভেটের পরিবর্তনগুলো লক্ষ করেই চিকিৎসকেরা বুঝতে পারবেন প্রাথমিক লক্ষণ। পদ্ধতিটি কার্যকর এবং রোগীদের জন্য নিরাপদ ও আরামদায়ক।
প্রযুক্তিটি কিডনি রোগের বাইরে অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ করার সম্ভাবনা রয়েছে। এ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত ফাইব্রোজেনেসিস নির্দিষ্ট ধরনের হৃদ্যন্ত্রের সমস্যার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। তবে ল্যাবরেটরি থেকে এটিকে ক্লিনিক পর্যন্ত নিয়ে যেতে রোগীদের ওপর আরও ট্রায়াল প্রয়োজন। বোঘ ও তাঁর সহকর্মীরা ইতিমধ্যে বিভিন্ন কিডনি রোগীর ওপর তিনটি ক্লিনিক্যাল গবেষণা শুরু করেছেন। কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের শনাক্ত করাসহ পদ্ধতির মান প্রদর্শন করা এ গবেষণার লক্ষ্য। প্রযুক্তিটি সম্ভাবনাময় হলেও হয়তো এর ক্লিনিক্যাল ব্যবহার বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে।
সূত্র: এমএসএন

দেশের স্বাস্থ্য খাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় কমাতে এবং ওষুধের বাজার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সম্প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা (ইডিএল) সম্প্রসারণ এবং এগুলোর মূল্য নির্ধারণের নতুন গাইডলাইন অনুমোদন করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
কোষ্ঠকাঠিন্য নিয়ে আমাদের সবার কমবেশি জানাশোনা আছে। তবে এটি জেনে রাখা ভালো যে অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়। এ ছাড়া বয়স্ক মানুষ ও নারীদের এটি হওয়ার হার বেশি। ফলে শীতকালে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হয়। প্রশ্ন হলো, কোষ্ঠকাঠিন্য কেন হয়? এর অনেক কারণ রয়েছে।
১ দিন আগে
শীতের হিমেল হাওয়া আমাদের ত্বকে টান ধরায়। শুধু তা-ই নয়, এটি আমাদের কানের স্বাস্থ্যের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। শীতকালীন ঠান্ডা ও আর্দ্রতা কানে ইনফেকশন থেকে শুরু করে শ্রবণশক্তির দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিও করতে পারে।
১ দিন আগে
ঘুম ভালো হওয়া সুস্থ জীবনের অন্যতম শর্ত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে বর্তমান জীবনে অনিদ্রা অনেকের সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ পর্যাপ্ত ও সময়মতো ঘুম মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি ত্বক এবং শরীরের জন্য উপকারী।
১ দিন আগে