ফ্যাক্টচেক ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরের একটি ছবি সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। গত ১৯ মার্চ মুহাম্মদ সজীব বেপারি (Md Sojib Bepari) নামের ফেসবুক পেজে ওই ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘যমুনা সেতুতে রেল চালু হওয়ার দিন সিল্ক সিটি ট্রেন, ১৪ই আগস্ট, ২০০৩ সাল।’ পোস্টটি আজ রোববার (২৪ মার্চ) দুপুর ২টা পর্যন্ত সাড়ে ৩০০ শেয়ার হয়েছে। এতে রিয়েকশন পড়েছে ৩১ হাজারের বেশি।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ভাইরাল ছবিটি রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে স্টক ফটোর ওয়েবসাইট গেটি ইমেজে খুঁজে পাওয়া যায়। ছবিটির বিবরণীতে বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সালের ১৬ মে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময়ে তোলা সেই ছবি। তখন খালেদা জিয়া প্রধান বিরোধী দলীয় নেত্রী ছিলেন। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জনসমর্থন জোগাতে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে তিন দিনব্যাপী সাড়ে ৪০০ কিলোমিটারের রোডমার্চ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।
পুরানো পত্রিকার সংগ্রহশালা ‘সংগ্রামের নোটবুক’ সূত্রে ওই সময়ের বিভিন্ন পত্রিকা ঘেঁটে গেটি ইমেজের এসব তথ্যের সত্যতা মিলে। ১৯৯৯ সালের ১৬ মে দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ওই সময় বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংকট, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের অংশগ্রহণে দেশব্যাপী রোডমার্চ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ওই রোড মার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপির পঞ্চগড়, জামায়াতে ইসলামীর খুলনা, জাতীয় পার্টির কিশোরগঞ্জ এবং ইসলামী ঐক্যজোটের সিলেটে যাত্রা ছিল। নয়াপল্টনে সমাবেশ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা তিনদিনের রোড মার্চে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। তখন বঙ্গবন্ধু সেতু পার হতে প্রথমে সরকার থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরে বিএনপি ও সরকারের সমঝোতা হলে রোড মার্চ সেতু পার হয়।
ওই রোড মার্চ কর্মসূচি পালনকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ধারণকৃত একটি ছবিকেই ২০০৩ সালের ১৪ আগস্ট ‘যমুনা সেতুতে রেল চালু হওয়ার দিনে তোলা’ দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেল চালু হয়েছিল কখন?
যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করা বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যান পরিবহনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। পুরানো পত্রিকার সংগ্রহশালা ‘সংগ্রামের নোটবুক’ সূত্রে ওই সময়ের পুরোনো পত্রিকা ঘেঁটে জানা যায়, সেতুটি চালুর সময় থেকেই এখানে রেল সংযোগ বিদ্যমান। সেতুটি উদ্বোধনের দিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুর পশ্চিম প্রান্তে ট্রেন স্টেশন উদ্বোধন করেন এবং ট্রেনে চড়ে সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রান্তে আসেন। পত্রিকাসূত্রে ওইদিন বঙ্গবন্ধু সেতুতে ট্রেন যাত্রার ছবিও পাওয়া যায়। সেতুতে একটি ডুয়েল গেজ রেলওয়ে ট্র্যাক রয়েছে।
অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপন হয়। তবে ২০০৬ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুর উত্তর লেনে প্রথম ফাটল দেখা দেয়। পরে ফাটলটি দক্ষিণ লেনেও ছড়িয়ে পড়ে। এর থেকে সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করা ট্রেনের গতিসীমা কমিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে সেতুটির ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করছে।
সিল্ক সিটি ট্রেনটি উদ্বোধন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারে ২০০৩ সালের ১৫ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ওই বছরের ১৪ আগস্ট সরাসরি রাজশাহী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। তিনি রাজশাহী স্টেশনে ট্রেনটির উদ্বোধন ঘোষণা করে নিজেও এই ট্রেনে চড়ে রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার সারদা রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত ভ্রমণ করেন। একইদিনে প্রকাশিত দৈনিক প্রথম আলো সূত্রেও একই তথ্য জানা যায়। প্রথম আলোর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া রাজশাহী থেকে ট্রেন যোগে সারদা রেলওয়ে স্টেশনে আসেন। পরে সারদা পুলিশ অ্যাকাডেমি থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আসেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরের একটি ছবি সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। গত ১৯ মার্চ মুহাম্মদ সজীব বেপারি (Md Sojib Bepari) নামের ফেসবুক পেজে ওই ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘যমুনা সেতুতে রেল চালু হওয়ার দিন সিল্ক সিটি ট্রেন, ১৪ই আগস্ট, ২০০৩ সাল।’ পোস্টটি আজ রোববার (২৪ মার্চ) দুপুর ২টা পর্যন্ত সাড়ে ৩০০ শেয়ার হয়েছে। এতে রিয়েকশন পড়েছে ৩১ হাজারের বেশি।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ভাইরাল ছবিটি রিভার্স ইমেজ অনুসন্ধানে স্টক ফটোর ওয়েবসাইট গেটি ইমেজে খুঁজে পাওয়া যায়। ছবিটির বিবরণীতে বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সালের ১৬ মে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময়ে তোলা সেই ছবি। তখন খালেদা জিয়া প্রধান বিরোধী দলীয় নেত্রী ছিলেন। তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জনসমর্থন জোগাতে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে তিন দিনব্যাপী সাড়ে ৪০০ কিলোমিটারের রোডমার্চ কর্মসূচির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।
পুরানো পত্রিকার সংগ্রহশালা ‘সংগ্রামের নোটবুক’ সূত্রে ওই সময়ের বিভিন্ন পত্রিকা ঘেঁটে গেটি ইমেজের এসব তথ্যের সত্যতা মিলে। ১৯৯৯ সালের ১৬ মে দৈনিক ইত্তেফাকে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ওই সময় বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংকট, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের অংশগ্রহণে দেশব্যাপী রোডমার্চ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ওই রোড মার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপির পঞ্চগড়, জামায়াতে ইসলামীর খুলনা, জাতীয় পার্টির কিশোরগঞ্জ এবং ইসলামী ঐক্যজোটের সিলেটে যাত্রা ছিল। নয়াপল্টনে সমাবেশ করে বিএনপির নেতাকর্মীরা তিনদিনের রোড মার্চে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। তখন বঙ্গবন্ধু সেতু পার হতে প্রথমে সরকার থেকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। পরে বিএনপি ও সরকারের সমঝোতা হলে রোড মার্চ সেতু পার হয়।
ওই রোড মার্চ কর্মসূচি পালনকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার সময় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ধারণকৃত একটি ছবিকেই ২০০৩ সালের ১৪ আগস্ট ‘যমুনা সেতুতে রেল চালু হওয়ার দিনে তোলা’ দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা হচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু সেতুতে রেল চালু হয়েছিল কখন?
যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করা বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যান পরিবহনের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। পুরানো পত্রিকার সংগ্রহশালা ‘সংগ্রামের নোটবুক’ সূত্রে ওই সময়ের পুরোনো পত্রিকা ঘেঁটে জানা যায়, সেতুটি চালুর সময় থেকেই এখানে রেল সংযোগ বিদ্যমান। সেতুটি উদ্বোধনের দিন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুর পশ্চিম প্রান্তে ট্রেন স্টেশন উদ্বোধন করেন এবং ট্রেনে চড়ে সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে পশ্চিম প্রান্তে আসেন। পত্রিকাসূত্রে ওইদিন বঙ্গবন্ধু সেতুতে ট্রেন যাত্রার ছবিও পাওয়া যায়। সেতুতে একটি ডুয়েল গেজ রেলওয়ে ট্র্যাক রয়েছে।
অর্থাৎ ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপন হয়। তবে ২০০৬ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুর উত্তর লেনে প্রথম ফাটল দেখা দেয়। পরে ফাটলটি দক্ষিণ লেনেও ছড়িয়ে পড়ে। এর থেকে সেতুর ওপর দিয়ে চলাচল করা ট্রেনের গতিসীমা কমিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে সেতুটির ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করছে।
সিল্ক সিটি ট্রেনটি উদ্বোধন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া
ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারে ২০০৩ সালের ১৫ আগস্ট প্রকাশিত এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ওই বছরের ১৪ আগস্ট সরাসরি রাজশাহী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। তিনি রাজশাহী স্টেশনে ট্রেনটির উদ্বোধন ঘোষণা করে নিজেও এই ট্রেনে চড়ে রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার সারদা রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত ভ্রমণ করেন। একইদিনে প্রকাশিত দৈনিক প্রথম আলো সূত্রেও একই তথ্য জানা যায়। প্রথম আলোর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া রাজশাহী থেকে ট্রেন যোগে সারদা রেলওয়ে স্টেশনে আসেন। পরে সারদা পুলিশ অ্যাকাডেমি থেকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় আসেন।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫