ফ্যাক্টচেক ডেস্ক

ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এর পর থেকে সেখানেই আছেন তিনি। দেশ ছাড়ার পর গত ১৩ আগস্ট প্রথমবারের মতো শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য ফেসবুকে প্রকাশ করেন তাঁর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বক্তব্যে ১৫ আগস্ট ‘জাতীয় শোক দিবস’ পালন করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
এর আগে ১২ আগস্ট শেখ হাসিনার সঙ্গে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীরের ফোনালাপের কিছু অংশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এসবের বাইরে সংবাদমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেখ হাসিনার কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি। তবে সম্প্রতি ভারত থেকে শেখ হাসিনা সরাসরি ভাষণ দিয়েছেন দাবিতে প্রায় ২৩ মিনিটের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, শেখ হাসিনা বাংলায় বক্তব্য দিচ্ছেন। একই মঞ্চে বসে আছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
গত সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) ‘জয় বাংলা পেইজ’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে এমন দাবিতে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি আজ বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৩১ হাজার বার দেখা হয়েছে। ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে সাড়ে ৩০০–এর বেশি, রিঅ্যাকশন পড়েছে ১ হাজার ৮০০।
ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে অনুসন্ধানে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সূত্রে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে (বিটিভি) অনুরূপ একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট ভিডিওটি ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ১৯তম বার্ষিকী স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠান’ শিরোনামে পোস্ট করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা দৈর্ঘ্যের ভিডিওটির ৩২ মিনিটে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটিতে তাঁর কথার মিল রয়েছে। বক্তব্যে শেখ হাসিনা ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার স্মৃতিচারণা করছিলেন।
শেখ হাসিনার সঙ্গে একই মঞ্চে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি সংবলিত ভিডিওটি নিয়ে অনুসন্ধানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যায়। গত ২৫ আগস্ট চ্যানেলটিতে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ভিডিওটির ডেসক্রিপশন থেকে জানা যায়, গত ২৫ আগস্ট মহারাষ্ট্র রাজ্যের জলগাঁওয়ে ‘লাখপতি দিদি’ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ‘লাখপতি দিদি’ ভারতের নারীদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করতে বিজেপি সরকারের একটি উদ্যোগ।
অর্থাৎ, শেখ হাসিনার ২০২৩ সালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বার্ষিকী স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যের ভিডিও সম্পাদনা করে নরেন্দ্র মোদির চলতি বছরের একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও জুড়ে দিয়ে ভাইরাল ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।

ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এর পর থেকে সেখানেই আছেন তিনি। দেশ ছাড়ার পর গত ১৩ আগস্ট প্রথমবারের মতো শেখ হাসিনার একটি বক্তব্য ফেসবুকে প্রকাশ করেন তাঁর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বক্তব্যে ১৫ আগস্ট ‘জাতীয় শোক দিবস’ পালন করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা।
এর আগে ১২ আগস্ট শেখ হাসিনার সঙ্গে বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবীরের ফোনালাপের কিছু অংশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এসবের বাইরে সংবাদমাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেখ হাসিনার কোনো উপস্থিতি দেখা যায়নি। তবে সম্প্রতি ভারত থেকে শেখ হাসিনা সরাসরি ভাষণ দিয়েছেন দাবিতে প্রায় ২৩ মিনিটের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, শেখ হাসিনা বাংলায় বক্তব্য দিচ্ছেন। একই মঞ্চে বসে আছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
গত সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) ‘জয় বাংলা পেইজ’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে এমন দাবিতে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। ভিডিওটি আজ বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৩১ হাজার বার দেখা হয়েছে। ভিডিওটি শেয়ার হয়েছে সাড়ে ৩০০–এর বেশি, রিঅ্যাকশন পড়েছে ১ হাজার ৮০০।
ভাইরাল ভিডিওটি নিয়ে অনুসন্ধানে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সূত্রে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ইউটিউব চ্যানেলে (বিটিভি) অনুরূপ একটি ভিডিও পাওয়া যায়। ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট ভিডিওটি ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ১৯তম বার্ষিকী স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠান’ শিরোনামে পোস্ট করা হয়। প্রায় এক ঘণ্টা দৈর্ঘ্যের ভিডিওটির ৩২ মিনিটে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সঙ্গে ভাইরাল ভিডিওটিতে তাঁর কথার মিল রয়েছে। বক্তব্যে শেখ হাসিনা ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার স্মৃতিচারণা করছিলেন।
শেখ হাসিনার সঙ্গে একই মঞ্চে নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতি সংবলিত ভিডিওটি নিয়ে অনুসন্ধানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে পাওয়া যায়। গত ২৫ আগস্ট চ্যানেলটিতে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। ভিডিওটির ডেসক্রিপশন থেকে জানা যায়, গত ২৫ আগস্ট মহারাষ্ট্র রাজ্যের জলগাঁওয়ে ‘লাখপতি দিদি’ সম্মেলনে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ‘লাখপতি দিদি’ ভারতের নারীদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করতে বিজেপি সরকারের একটি উদ্যোগ।
অর্থাৎ, শেখ হাসিনার ২০২৩ সালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বার্ষিকী স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যের ভিডিও সম্পাদনা করে নরেন্দ্র মোদির চলতি বছরের একটি অনুষ্ঠানের ভিডিও জুড়ে দিয়ে ভাইরাল ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।

সম্প্রতি আজকের পত্রিকার নাম ও ফটোকার্ড ব্যবহার করে ‘হরেকৃষ্ণ হরিবোল, দাঁড়িপাল্লা টেনে তোলঃ পরওয়ার’ শিরোনামে একটি ভুয়া ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
০৩ নভেম্বর ২০২৫
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, রাতের রাস্তার মাঝখানে এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি এক হাতে একটি স্বচ্ছ বোতল, অপর হাতে বাঘের মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন। এমনকি বাঘটির মুখে বোতল গুঁজে দিতেও দেখা যায় তাঁকে।
০২ নভেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস পাকিস্তানের যৌথবাহিনীর চেয়ারম্যানকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল যুক্ত বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা উপহার দিয়েছেন বলে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের দাবি সম্পূর্ণ অসত্য ও কল্পনাপ্রসূত বলে জানিয়েছে সিএ (প্রধান উপদেষ্টা) ফ্যাক্ট চেক।
২৮ অক্টোবর ২০২৫
একটি মেরিন পার্কে এক নারী প্রশিক্ষককে চুবিয়ে হত্যা করেছে অরকা বা কিলার তিমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
১৩ আগস্ট ২০২৫